আওয়ামী লীগের বিচার শেষ হওয়া পর্যন্ত কার্যক্রম নিষিদ্ধের আন্দোলন, যদি আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধ না হতো, তাহলে কী হতো?
- আওয়ামী লীগ গত নির্বাচনে অংশ নিতো।
- তারও আগ থেকে আওয়ামী লীগের মানবাধিকার ও বাক্স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলা বুদ্ধিজীবিরা "রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ" এর কাজ করা বৈধতা দাঁড় করিয়ে ফেলতো।
- ইতিমধ্যেই আওয়ামী লীগ সীমিত পরিসরে হলেও "শান্তিপূর্ণভাবে" নিজেদের কাজ শুরু করে দিতো।
- গণবিস্ফোরণ না থাকলে সরকারি দলের একাংশ, ডিপ স্টেইট সহ সুশীল সমাজ দলীয়ভাবে আওয়ামী লীগ বিচার বানচাল করার ষড়যন্ত্র করে ফেলতো।
- আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক রিহ্যাবিলিটেশন হয়ে যেতো। তার রাজনীতি নর্মালাইজড হয়ে যেতো।
এগুলো যে হতো, এর সাথে রাজনীতি নিয়ে কিছুটা ধারণা রাখে এমন প্রত্যেকে একমত হবে।
কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ, আজ এগুলো কোনোটাই সম্ভব হয় নি। বিএনপিও এ কার্যক্রম নিষিদ্ধের অর্ডারটা ফেলে দিতে পারে নি। প্রতি জুলাইয়ে আওয়ামী লীগকে আরো বেশি ঘৃণা করা হচ্ছে এবং বাংলাদেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ অনেকটাই অপ্রাসঙ্গিক।
Alhamdulillah, we are proud to be a part of that.
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধের আন্দোলন ছিলো আমাদের নিজেদের ব্যানার ও পরিচয়ে করা প্রথম সফল আন্দোলন। তাজদিদি ইসলামপন্থীরা এ আন্দোলনে অন্যতম প্রধান স্টেইকহোল্ডার ছিলো আলহামদুলিল্লাহ।
এ আন্দোলনে প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর অসহযোগিতা প্রমাণ করে, আওয়ামী লীগ ও ভারতের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ইসলামপন্থীরাই ফ্রন্টলাইনার ইনশাআল্লাহ।