অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryএই অসাধারণ গ্রন্থটির প্রথম খণ্ডে আরদুল কুরআনের (আরব উপদ্বীপের) ভৌগোলিক বিবরণ এবং সেখানকার জাতিগোষ্ঠীগুলোর রাজনৈতিক, ঐতিহাসিক, বংশগত ও গোত্রীয় অবস্থা পবিত্র কুরআনের আলোকে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে। ইসলামের আগমনের পূর্বে আরবের জাতিগোষ্ঠীগুলো পৃথিবীতে কী কী অবদান রেখেছিল এবং ইয়েমেন, শাম ও ইরাকে তাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির বিস্তার কোন পর্যায়ে পৌঁছেছিল, তা এই আলোচনার মাধ্যমে সুস্পষ্ট হয়। শুধু তাই নয়, এই খণ্ডে আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য, ঐতিহাসিক স্থান এবং সেখানকার জনপদ ও নগরীর প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যও সন্নিবেশিত হয়েছে, যা পাঠকের জ্ঞানকে সমৃদ্ধ করবে।
গ্রন্থটির দ্বিতীয় খণ্ডে আরবের জাতিগোষ্ঠীগুলোর ভাষা, ধর্মাদর্শ, অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, যেমন—ব্যবসা-বাণিজ্য, এবং তাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতিগুলোর উপর গভীর আলোকপাত করা হয়েছে। সাইয়েদ সুলাইমান নদভী (রহ.)-এর এই পাণ্ডিত্যপূর্ণ কাজ ভারতীয় উপমহাদেশের বিদ্যায়তনিক জগতে অভূতপূর্ব সাড়া জাগাতে সক্ষম হয়েছে এবং জ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে এটি একটি অপরিহার্য অবলম্বন হয়ে উঠেছে। বহু বিখ্যাত আলেম ও গবেষক এই গ্রন্থটিকে তাঁদের গবেষণার অন্যতম প্রধান সূত্র হিসেবে ব্যবহার করেছেন এবং এর ভূয়সী প্রশংসা করেছেন।
SEO Tags: আল কুরআনের ভৌগোলিক ইতিহাস, সাইয়েদ সুলাইমান নদভী, কুরআনের ভূগোল, ইসলামি ইতিহাস, আরব উপদ্বীপের ইতিহাস, কুরআন ও বিজ্ঞান, ইসলামিক গবেষণা, আরদুল কুরআন, তাফসীর, ইসলামী জ্ঞান-বিজ্ঞান, ধর্মতত্ত্ব, প্রত্নতত্ত্ব, হিব্রু ভাষা, কোরআন, তাফসীরুল কোরআন, ভূগোলের ইতিহাস।
✍️ সাইয়েদ সুলাইমান নদভী রহ:
সাইয়েদ সুলাইমান নদবি রহ. ‘তারিখে আরদুল কুরআন’ গ্রন্থটির রচনা শুরু করেন ‘সিরাতুন্নবি সা.’-এর ভূমিকা হিসেবে; এ-জন্য তাঁকে জাজিরাতুল আরবের ভূগোল, ইতিহাস, জাতিগোষ্ঠী, গোত্রসমূহ, ভাষাসমূহ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও ধর্মাদর্শ সম্পর্কে মূল্যবান তথ্যাবলি সংগ্রহ ও মৌলিক গবেষণায় ব্রতী হতে হয়। এতে তিনি নির্ভর করেন ইসলামি ও পাশ্চাত্য তথ্য-উৎস, ইতিহাস-গবেষণা ও প্রত্নতাত্ত্বিক তত্ত্বানুসন্ধানের ওপর। তাওরাত ও ইহুদিদের ধর্মীয় পুস্তকরাশির অনুবাদ প্রচণ্ড বৈপরীত্যপূর্ণ, গোলমেলে ও বিভ্রান্তিকর বলে তিনি মনে করেন। তাই তিনি হিব্রু ভাষা শেখেন, যাতে এ গ্রন্থরাজির মূলপাঠ অনুধাবন করতে পারেন। ইউরোপীয় গবেষকদের যুক্তি ও পর্যালোচনার ভ্রান্তিগুলো তিনি স্পষ্ট করে তুলে ধরেন। এভাবে তিনি এই অনন্য কীর্তি সাধন করেন যা নিরপেক্ষ জ্ঞানকাণ্ডের অবিনশ্বর দলিল হয়ে উঠেছে। . সাইয়েদ সুলাইমান নদবি রহ.-এর এই গ্রন্থ ভারতীয় উপমহাদেশের বিদ্যায়তনিক পরিমণ্ডলে অভূতপূর্ব গ্রহণযোগ্যতা লাভ করে। জ্ঞানচর্চায় এই গ্রন্থের ওপর নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পায়।
শেয়ার: