প্রতিটা বেপর্দা মেয়ের পেছনে প্রাথমিকভাবে একজন দাইয়্যুস পিতা কিংবা একজন দাইয়্যুস স্বামী থাকে। পরবর্তীতে একজন মা, একজন ভাই অথবা অন্যান্য দায়িত্বশীলরা থাকতে পারে।
বেপর্দা মেয়েগুলো দায়িত্বশীলদের জান্নাতের পথে সবচেয়ে বড় বাধা কারণ কোটি কোটি রাকাত সালাত, লাখ লাখ দিনের রোজা কিংবা হাজার হাজার রাকাত নফল নামাজের পরেও দাইয়্যুস ব্যক্তির জায়গা হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী জাহান্ন|মেই হবে।
সহশিক্ষার হারাম পরিবেশে মেয়েদেরকে পাঠানো অভিভাবক তো আজ ঘরে ঘরে। পরকালের প্রতি বিশ্বাস থাকলে অধীনস্তদের ফরজের ব্যাপারে এতটা উদাসীন থাকে কীভাবে মানুষ? একটা সার্টিফিকেটের জন্য জান্নাত হাতছাড়া করা কেমন বোকামি?
দুনিয়াতে স্বল্প রিযিকের দোহাই দিয়ে মেয়েদেরকে পুরুষের সাথে প্রতিযোগিতায় নামিয়ে দিচ্ছেন অথচ পরকালীন জীবনে অফুরন্ত রিযিক থেকে, নেয়ামত থেকে নিজেরাও বঞ্চিত হবেন, সন্তানদেরকেও বঞ্চিত করবেন সেই ব্যাপারে কখনো চিন্তা হয় না? বোরকা, হিজাব-নিকাব পরেও যদি কেউ ফ্রি-মিক্সিং করে, সহশিক্ষায় অংশ নেয় তাহলে তার পর্দা কেবল বাহ্যিক পর্দা হিসেবেই থেকে যায়, আল্লাহর নাযিলকৃত পর্দার বিধানের সাথে এর কোনো সম্পর্ক থাকে না।
কেউ একান্ত বাধ্য হয়ে, অপারগ হয়ে অংশ নিলে সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু যেসব অভিভাবক বাধ্য করবে তাদের পরিণতি কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা ভেবে দেখা উচিত।
মিরাজ হুসাইন