A

Author-Archive

June 20, 2026 10:18 AM • 28 views
খবর
তবে একাধিক বিবাহের বিষয়টি ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিবর্গ জানত। আমিই সতর্কতামূলক জানিয়ে রেখেছিলাম। রয়েল রিসোর্ট থেকে পুলিশ কর্মকর্তা এএসপি মহোদয় আমার সেই ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের মধ্য থেকে একাধিক নির্ভরযোগ্য সুপরিচিত ব্যক্তির সাথে আলাপ করে আশ্বস্ত হয়েছিলেন এবং আমার পক্ষে কিছুটা ভূমিকা পালন করেছিলেন। ফলে তাকে হাসিনা সরকারের চরম নিগ্রহনের শিকার হতে হয়েছে।
আর যারা আমার বিবাহের বিষয়ে নিজেদের অবগত হওয়ার বিষয়টি প্রকাশ করেছিলেন, তাদের উপর দিয়েও বয়ে গেছে ভয়াবহ ঝড়। তাদেরকে উপর্যুপরি চাপ প্রয়োগ করা হয়েছে, তারা যেন আমার বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট দেন।
আল্লাহ সেই সকল ওলামায়ে কেরামকে যথাযোগ্য বিনিময় দান করুন, তারা কেউ কেউ দেশ ছেড়ে ফেরারী জীবন যাপন করেছেন কিন্তু গোয়েন্দাদের কথায় রাজি হননি।
রয়েল রিসোর্টে আরেকজনের নাম এন্ট্রি প্রসঙ্গ:
আমার আইডি কার্ডের বিস্তারিত পরিচয়ে স্ত্রীর নাম আছে আমিনা তাইয়েবা। আর জান্নাত আরার আইডি কার্ডে তার নাম হলো শাহিদা ইসলাম এবং স্বামী হিসেবে শহিদুল ইসলামের নাম লেখা। যা তখনো পরিবর্তন করেনি। তাই আমরা দুজন কথা বলেই স্ত্রীর ঘরে আমার প্রথমার নাম বলেছিলাম।
ফোন কলে প্রথমার কাছে শহিদুল ইসলামের ওয়াইফ বলে পরিচয় দেওয়া প্রসঙ্গ:
আমার প্রথম স্ত্রীকে বিষয়টি যেভাবে শান্ত মাথায় বললে তার জন্য মেনে নেওয়া সহজ হতো সেটা করতে পারিনি, তাই আমি তার কাছে জান্নাত আরার সাবেক পরিচয় বলেছি। যেহেতু জান্নাত আরাকে আগে থেকে সে শহিদুল ইসলামের ওয়াইফ হিসেবেই চিনত।
একজন নাগরিকের প্রাইভেসি নষ্ট ও সুশীল সমাজের দ্বিচারিতা:
আমি কিংবা জান্নাত আরা (ঝর্না) আমরা কি বাংলাদেশের প্রচলিত কোন আইন ভঙ্গ করেছি? কিংবা আমি অথবা সে আমরা কেউ কি কারো কাছে কোন অভিযোগ দায়ের করেছি? আমরা তো সেখানে স্বেচ্ছায়
গিয়েছি।
তাহলে পুলিশের নেতৃত্বে জোরপূর্বক আমাদের ঘরে ঢোকা কোন আইনে বৈধ হলো?
রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে একের পর এক আমাদের ব্যক্তিগত কল রেকর্ড ফাঁস করা এবং অনেক ক্ষেত্রে তাতে বিকৃতি করার বৈধতা কোন আইনে আছে?
আমি রাষ্ট্রীয় কোনো আইন লঙ্ঘন করিনি
শরীয়তের আইনও লংঘন করিনি।
কিন্তু ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনার রাষ্ট্রযন্ত্র প্রকাশ্যে এই অন্যায়গুলো করল। কোন একজন সুশীলও কি এই ব্যাপারে কোন কথা বলল? একটি রাষ্ট্রের এমন নির্লজ্জ ভূমিকায় সরকার বা রাষ্ট্র কিংবা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে প্রশ্ন না করে সবাই আমাকে ঘায়েল করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠল!
ধিক এই রাষ্ট্রযন্ত্রকে!
ধিক এই সুশীলতাকে!!
ধিক এই দ্বিচারিতাকে!!!
এখনো যারা এই নির্মম রাষ্ট্রীয় নির্লজ্জতার সুরে সুর মিলিয়ে কথা বলে হাসিনার নির্লজ্জতাকে বৈধতা দেয়, তাদের নীতি নৈতিকতা কোন লেভেলের? নাকি নীতি নৈতিকতা শুধু লুঙ্গির তলেই থাকে?
রাষ্ট্র চেয়েছিল করতে আমাকে ধ্বংস
আল্লাহ করেছেন আমাকে রক্ষা:
নারায়ণগঞ্জে রিসোর্টকান্ডের পর পর তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা এন এস আই এর তৎকালীন ডিজি মেজর জেনারেল টি এম জোবায়ের আমার সাথে বসেছিল। আমাকে অফার করেছিল, আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে। আলহামদুলিল্লাহ! আমার বুঝে এসেছিল যে, আমাকে ট্র্যাপে ফেলে আমার দ্বারা ইসলামের বড় ক্ষতি করতে চায়। আমি তাদের অফার গ্রহন করিনি। আল্লাহ আমাকে হেফাজত করেছেন।
রয়েল রিসোর্ট থেকে জান্নাত আরাকে মহিলা পুলিশ নিজেদের দায়িত্বে এগিয়ে দিয়ে যায় মাওলানা নোমান কাসেমীর বাসায়। কিন্তু পরে আবার তারাই জান্নাত আরার বাবাকে ধরে ঢাকায় এনে তাকে দিয়ে জিডি করায় এবং জান্নাত আরাকে আমার বাসা থেকে তুলে নিয়ে যায়।
হাফেজ শহিদুল ইসলাম (জান্নাত আরার প্রাক্তন স্বামী)কে তুলে এনে আমার বিরুদ্ধে স্টেটমেন্ট দেওয়ানোর জন্য সবরকম চেষ্টা করে। তিনি জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন, কিন্তু তাদের কথায় সম্মত হননি।
জান্নাত আরাকে ছয় মাস পর্যন্ত তাদের হেফাজতে রেখে এমন এমন ভীতি প্রদর্শন করেছে যাতে একজন নারী তাদের কিছু কথায় সায় না দিয়ে থাকতে পারেনি। এমনকি ডিজিএফআইয়ের তত্ত্বাবধানে তাকে আদালতে হাজির করা হয় এবং ডিজিএফআইয়ের একজন লেডি কর্মকর্তা কাঠগড়ায় তাকে ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকে। পুরো আদালত ছিল সেদিন ডিজিএফআই এর নিয়ন্ত্রণে।
তার সন্তান আব্দুর রহমানকেও তারা বিভ্রান্ত করে কিছু বিকৃত বক্তব্য দেওয়ায়। পরবর্তীতে আদালতে সাক্ষী দেওয়ার সময় যখন তারা আবার আব্দুর রহমানকে ধরে আনে, তখন সে প্রায়শ্চিত্ত করে। কাঠগড়ায় দাঁড়ানোর আগ পর্যন্ত তাদের শিখিয়ে দেওয়া বুলি আওড়ায়। কিন্তু আদালত শুরু হলে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে সে অকপটে প্রতিটি সত্য কথা বলে যেতে থাকে। বিচারকসহ সরকারি পিপি এবং পুলিশ স্তম্ভিত হয়ে যায় এবং একে অপরের দিকে চাওয়া-চাওয়ি করতে থাকে আর দাঁত কটমট করতে থাকে। ঘটনার সাথে সংশ্লিষ্ট একমাত্র সাক্ষীর এমন সাক্ষের মাধ্যমে তাদের পুরো নাটক মাঠে মারা খায়।
প্রসঙ্গ মুতা বিয়ে :
Back to Archive
Related Posts
Related Books (PDF)