অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : জে. বার্কার
বিষয় : গোয়েন্দা, রহস্য, থ্রিলার
বিগত পাঁচ বছর ধরে শিকাগো শহর এক রহস্যময় আতঙ্কের শিকার। কেউ জানে না কে এই ত্রাসের হোতা, যে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে চলেছে কোনো ক্লু ছাড়াই। সিরিয়াল কিলারটি পরিচিত ‘দ্য ফোর্থ মাঙ্কি কিলার’ নামে। কিন্তু হঠাৎ করেই লোকটির লাশ পাওয়া যায়। এটি কি নিছক আত্মহত্যা, নাকি মৃত্যুর আগে সে কোনো শেষ বার্তা রেখে যেতে চেয়েছে? ডিটেকটিভ স্যাম পোর্টারের দৃঢ় বিশ্বাস, খুনি সর্বশেষ যে মেয়েটিকে অপহরণ করেছে, সে এখনো জীবিত। কিন্তু তার অবস্থান কোথায়? কেনই বা তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হলো, তার বোনকে নয়? পোর্টার বুঝতে পারে, এই ভয়ংকর খুনি মৃত্যুর পরেও তার প্রভাব রেখেছে। যখন খুনের স্থান থেকে একটি ডায়েরি উদ্ধার হয়, পোর্টার উপলব্ধি করে যে সে এক বিকৃত মস্তিষ্কের প্রতিপক্ষের জালে জড়িয়ে পড়েছে। সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে, এবং হাতে থাকা ক্লুগুলোও অত্যন্ত সীমিত। এই জটিলতার মাঝে পোর্টার ব্যক্তিগত জীবনে এমন এক আঘাত পায়, যার জন্য সে মোটেও প্রস্তুত ছিল না। প্রশ্ন হলো, এই মামলার শেষ পরিণতি কী হবে? খুনি কি শেষ পর্যন্ত এক অমিমাংসিত রহস্য হিসেবেই রয়ে যাবে?
এই থ্রিলার উপন্যাসে জে. বার্কার এক শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনীর অবতারণা করেছেন, যা পাঠককে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত টানটান উত্তেজনায় ধরে রাখবে। ‘দ্য ফোর্থ মাঙ্কি’ কেবল একটি খুনের তদন্ত নয়, এটি মানুষের মনস্তত্ত্ব, অন্ধকার দিক এবং ন্যায়বিচারের এক জটিল জাল। ডিটেকটিভ পোর্টারের ব্যক্তিগত লড়াই এবং পেশাদার জীবনের টানাপোড়েন কাহিনীকে আরও গভীরতা দিয়েছে। প্রতিটি মোড়, প্রতিটি নতুন ক্লু পাঠককে এক নতুন রহস্যের সামনে দাঁড় করাবে। শিকাগোর অন্ধকার গলি থেকে শুরু করে খুনি মনস্তত্ত্বের গভীরে ডুব দিয়ে লেখক এক অনবদ্য গোয়েন্দা কাহিনি উপহার দিয়েছেন।
SEO Tags: দ্য ফোর্থ মাঙ্কি, জে. বার্কার, গোয়েন্দা উপন্যাস, রহস্য উপন্যাস, থ্রিলার বই, সিরিয়াল কিলার, মনস্তাত্ত্বিক থ্রিলার, বাংলা বই, বেস্টসেলার, রোমাঞ্চকর কাহিনি, ক্রাইম ফিকশন, পোর্টার, শিকাগো, অপহরণ, ডায়েরি রহস্য।
✍️ জে. বার্কার
গোয়েন্দা, রহস্য, থ্রিলার
গত পাঁচ বছর ধরে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে রেখেছিল লোকটা শিকাগো শহরে। কেউ চেনে না তাকে। এতগুলো খুন করেছে সে,তবুও কোনো ক্লু নেই কোথাও। তার নাম দেয়া হয়েছিল ফোর মাঙ্কি কিলার। এবার পাওয়া গেল তার লাশ। আত্মহত্যা? নাকি মরার আগে কোনো একটা মেসেজ দিতে চেয়েছে ওই সিরিয়াল কিলার? ডিটেকটিভ স্যাম পোর্টারের বিশ্বাস,শেষ যে-মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে ওই লোক,এখনও বেঁচে আছে বেচারী। কিন্তু কোথায়? এবং ওই মেয়েকেই কেন? ওর বোনকে না কেন? পোর্টার জানে,ভয়ঙ্কর সেই লোক মরেও মরেনি আসলে। তাই লাশের পকেট থেকে যখন খুঁজে পেল একটা ডায়েরি,বুঝতে পারল,বিকৃত মস্তিষ্কের কারও জালে আটকা পড়ে গেছে। ফুরিয়ে আসছে সময়। হাতে ক্লু বলতে তেমন কিছুই নেই বরাবরের মতো। মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো এমন এক ব্যক্তিগত আঘাত হজম করতে হলো পোর্টারকে,যার জন্য প্রস্তুত ছিল না সে মোটেও। প্রশ্ন হচ্ছে,এই কেসের পরিণতিটা আসলে কী? খুনির প্রকৃত পরিচয় শেষপর্যন্ত রহস্য হয়েই রয়ে যাবে না তো?
জইন: