অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি
বিষয় : ইসলাম, আধ্যাত্মিকতা, নবি-প্রেম
আমাদের অন্তর নিছকই এক অনুভূতির সমষ্টি নয়, বরং তা এক গভীর আধ্যাত্মিকতার আধার, যা বিশেষভাবে উদ্দীপিত হয় মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ)-এর ভালোবাসায়। এই বই, ‘পরানবন্দী’, ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি-এর কলমে আমাদের সেই পরম ভালোবাসার গভীরে ডুব দেয়। লেখক নিপুণভাবে তুলে ধরেছেন কীভাবে আমাদের আবেগ, ভালোবাসা এবং সব অনুভূতি কেন্দ্রীভূত হয় আল্লাহর রাসূল (সাঃ)-এর নামে, যা আমাদের আত্মপরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে ওঠে। এই প্রেম এতটাই প্রবল যে, জান্নাতের ওয়াদা থাকলেও তাঁকে ছাড়া অন্য কোনো গন্তব্য আমাদের মন চায় না। এই উপলব্ধি আমাদের আত্মমর্যাদা ও আত্মরক্ষার (গাইরত) এক নতুন অর্থ প্রদান করে।
বইটিতে আবেগঘন বর্ণনার মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে সেই সৌভাগ্যবানদের অনুভূতি, যারা মহানবীর রওজা মুবারক জিয়ারত করেছেন এবং রিয়াজুল জান্নাতের মতো পবিত্র স্থানে নামাজ আদায় করেছেন। পবিত্র রওজার সবুজ গম্বুজের প্রতি এক গভীর টান এবং সেখানে চিরকাল থেকে যাওয়ার আকুতি—এই অনুভূতিগুলো লেখক অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহীভাবে উপস্থাপন করেছেন। একইভাবে, কাবা শরীফের সান্নিধ্য লাভ করার পর জীবন সেখানে উৎসর্গ করার ইচ্ছাও পাঠকের মনে এক তীব্র আধ্যাত্মিক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বাইতুল্লাহর ছায়ায় শুয়ে থাকার প্রশান্তি এবং জান্নাতের টুকরার আশ্রয় নেওয়ার আকাঙ্ক্ষা—এই অনুভূতির গভীরে প্রবেশ করে লেখক আমাদের ঈমানী চেতনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন।
‘পরানবন্দী’ শুধু একটি বই নয়, এটি এক আত্মিক সফর, যা পাঠককে আল্লাহর রাসূল (সাঃ) ও তাঁর পবিত্র স্থানের প্রতি ভালোবাসার এক নতুন স্তরে উন্নীত করবে। এটি সেইসব পাঠকের জন্য, যারা তাদের অন্তরের গভীরে ভালোবাসার পরশ অনুভব করতে চান এবং ঈমানের শিখাকে আরও উজ্জ্বল করতে চান। বইটির প্রতিটি শব্দ পাঠকের অন্তরে অনুরণিত হবে এবং তাকে আধ্যাত্মিকতার এক নতুন দিগন্তে পৌঁছে দেবে।
SEO Tags: পরানবন্দী, ডা শামসুল আরেফিন শক্তি, নবি প্রেম, রাসূল (সাঃ) ভালোবাসা, আধ্যাত্মিকতা, ইসলাম, রওজা, মদিনা, মক্কা, বাইতুল্লাহ, জান্নাত, ঈমান, বাংলা বই, ইসলামিক বই, wafilife, rokomari
✍️ ডা শামসুল আরেফিন শক্তি
আমাদের অন্তরকে বানানোই হয়েছে এইভাবে। এই দিল অন্যকারও সংস্পর্শে ততটা উজ্জীবিত হয় না, যতটা হয় নবিজির ক্ষেত্রে। আমাদের আবেগ-ভালোবাসা-শিহরন সব উথলে ওঠে এই একটা নামের মধ্যেই। এইখানে এসে আমরা কোনো ছাড় দিতে রাজি না। মুহাম্মাদ স. আমাদের সম্মান, আমাদের গাইরত। তাঁকে ছেড়ে আমরা জান্নাতে যেতেও রাজি না।
নবি-প্রেমিক অনেক মানুষ সফর করেছেন তাঁর রওজায়। রওজাকে একবার যে স্বচোক্ষে দেখেছে, রিয়াজুল জান্নাতে যে একবার দুই রাকাত নামাজ পড়েছে, সে জানে দিলের হালত কেমন হয়। প্রতিটি মুহূর্তে, প্রতিটি ক্ষণে মনে হতে থাকে—হৃদয়টা বান্ধা আছে এই সবুজ গম্বুজের মধ্যে। আর যদি ফেরা না লাগত! কেউ যদি এসে তাড়া না দিত! আহ, কতই-না ভালো হতো! আর বাইতুল্লাহকে দেখে তো চোখের পানি অটোমেটিক ঝরতে থাকে। মনে হয় জীবনটা এখানেই কাটিয়ে দিই। “আমি শুয়ে আছি কাবার ছায়ায়, কেন আমাকে জাগিয়ে দেওয়া হবে! আমি আশ্রয় নিয়েছি জান্নাতের টুকরায়, কেন আমাকে ভিসার কথা বলে তাড়া দেওয়া হবে!” মন মানে না।