সুলতানী আমলে বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার উৎপত্তি ও বিকাশ আব্দুল করীম
File Size: 5.84 MB
অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : অধ্যাপক ড. মো. আবদুল করিম
প্রকাশনী : ইসলামিক ফাউন্ডেশন
বিষয় : ইতিহাস, ইসলামি শিক্ষা, শিক্ষা ব্যবস্থা
অধ্যাপক ড. মো. আবদুল করিমের গভীর গবেষণা ও সুলিখিত এই গ্রন্থটি সুলতানী আমলে (১২০৪-১৫৭৬) বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার উন্মেষ ও বিস্তারের এক সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরেছে। লেখক ঐতিহাসিক তথ্যের আলোকে প্রমাণ করেছেন যে, এ অঞ্চলের সুফি-সাধক এবং মুসলিম সুলতানদের ঐকান্তিক পৃষ্ঠপোষকতায় বাংলাদেশে আধুনিক ইসলামি শিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তি স্থাপিত হয়েছিল। গ্রন্থটি কেবল তথ্যের সমাবেশ নয়, বরং তৎকালীন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রভাব এবং এর বিবর্তনের একটি বিশ্লেষণাত্মক বিবরণও প্রদান করে।
বাংলার মাটিতে মুসলিম শাসনের সূচনালগ্ন থেকেই, বিশেষ করে ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের পর, সুফি ও দরবেশদের খানকাহ্ কেন্দ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার মাধ্যমে জ্ঞানচর্চার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। শাইখ জালাল আল-দীন তাবরিযি পান্ডুয়ার দেওতলা এবং শাইখ শরফুদ্দিন আবু তাওয়ামা সোনারগাঁওয়ে যে শিক্ষাকেন্দ্রগুলো প্রতিষ্ঠা করেন, তা মাদ্রাসা শিক্ষার পথপ্রদর্শক হিসেবে গণ্য হয়। সুলতানদের সক্রিয় অংশগ্রহণ এ শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করে। সুলতান গিয়াসুদ্দীন ১২১২ খ্রিস্টাব্দে লাখনৌতি ও গৌড়ে মাদ্রাসা স্থাপন করেন এবং পরবর্তীতে হোসেন শাহ ও তাঁর পুত্র নুসরত শাহের শাসনামলে গৌড় নগরী অসংখ্য মাদ্রাসায় জ্ঞানালোকে উদ্ভাসিত হয়। এ সময় আরবি ও ফার্সি ছিল শিক্ষার প্রধান মাধ্যম এবং প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াকফ সম্পত্তির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
সুলতানী আমলে মাদ্রাসা শিক্ষার প্রসার কেবল ধর্মীয় জ্ঞানচর্চাতেই সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি বাংলায় এক নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক ধারা সৃষ্টিতে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। এই শিক্ষা ব্যবস্থা সমাজে ইতিবাচক সংস্কার আনয়ন এবং মুসলিম শাসনকে সুদৃঢ় করতেও সহায়তা করেছিল। অধ্যাপক ড. মো. আবদুল করিম তাঁর সুসংহত গবেষণা ও প্রাঞ্জল বর্ণনার মাধ্যমে সুলতানী আমলের শিক্ষা সংস্কৃতির এক অনবদ্য দলিল হিসেবে এই গ্রন্থটিকে উপস্থাপন করেছেন, যা গবেষক, শিক্ষার্থী এবং ইসলামি শিক্ষা ও ইতিহাসThe book delves into the origins and development of madrasa education during the Sultanate period in Bengal, spanning from 1204 to 1576 CE. It highlights the crucial role played by Sufi saints and the Sultanate rulers in patronizing and fostering these educational institutions. The work meticulously traces the establishment of early madrasas, initiated by prominent Sufi figures like Sheikh Jalal al-Din Tabrizi in Pandua and Sheikh Sharafuddin Abu Tawama in Sonargaon.
Furthermore, the book details the contributions of various Sultans, including Ghiyasuddin, who founded madrasas in Lakhnauti and Gaur in 1212 CE, and later rulers like Huseyn Shah and Nusrat Shah, under whom numerous madrasas flourished in Gaur. The prevalent medium of instruction during this era was Arabic and Persian, with educational institutions often supported by religious endowments (Waqf). The book also examines the broader cultural impact of madrasa education, emphasizing its role in cultivating a distinct intellectual and cultural milieu in Bengal and contributing to social reform. This scholarly work provides an in-depth understanding of the educational landscape and its significance in shaping the historical trajectory of Bengal.
SEO Tags: সুলতানী আমল, বাংলাদেশের ইতিহাস, মাদ্রাসা শিক্ষা, ইসলামি শিক্ষা, আব্দুল করিম, শিক্ষা ব্যবস্থা, মধ্যযুগীয় বাংলা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলা শিক্ষা, ঐতিহাসিক গবেষণা
✍️ আব্দুল করিম
ইসলামিক ফাউন্ডেশন
অধ্যাপক ড. মো. আবদুল করিমের গবেষণা অনুযায়ী, সুলতানী আমলে (১২০৪-১৫৭৬) বাংলাদেশে মাদ্রাসা শিক্ষার গোড়াপত্তন ও বিকাশ ছিল সুফি-সাধক এবং সুলতানদের পৃষ্ঠপোষকতার ফল।
সূচনা: বাংলায় মুসলিম শাসনের শুরুর দিকে (১২০৪ খ্রি.) সুফি ও দরবেশরা খানকাহ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে শিক্ষার সূচনা করেন।
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্র: শাইখ জালাল আল-দীন তাবরিযি (পাণ্ডুয়ার দেওতলা) এবং শাইখ শরফুদ্দিন আবু তাওয়ামা (সোনারগাঁও) মাদ্রাসা শিক্ষার প্রবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
সুলতানদের অবদান: সুলতান গিয়াসুদ্দীন ১২১২ খ্রিষ্টাব্দে লাখনৌতি ও গৌড়ে মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। হোসেন শাহ ও তাঁর পুত্র নুসরত শাহ আমলে গৌড়ে অনেক মাদ্রাসা নির্মিত হয়।
শিক্ষাব্যবস্থা: এ সময়ে শিক্ষার প্রধান মাধ্যম ছিল আরবি ও ফার্সি ভাষা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়াকফ (ধর্মীয় অনুদান) দ্বারা পরিচালিত হতো।
সাংস্কৃতিক প্রভাব: সুলতানী আমলের মাদ্রাসা শিক্ষার ফলে বাংলায় একটি নতুন বুদ্ধিবৃত্তিক ও সাংস্কৃতিক ধারা গড়ে ওঠে, যা সামাজিক সংস্কারে ভূমিকা রাখে।
জইন