আল ফিকহুল আকবার [বঙ্গানুবাদ] - ইমাম আবু হানিফা রহ.

Description

এই অডিওতে সম্ভবত একটি মারাত্নক ভুল হয়েছে।

আক্বিদার আলোচনাগুলো অনেকেই গৌণ মনে করে আসছেন। যার ফলাফলের সামান্য চিত্র দেখেছেন। প্রকৃত অবস্থা খুবই ভয়াবহ।
আক্বিদা শুদ্ধির এই মেহনতকে আরও শক্তিশালী করা, পাশে দাঁড়ান প্রত্যেকের দায়িত্ব। নিজে সঠিক আক্বিদা শিখতে হবে। সেটা প্রচার করতে হবে। আলিম ও যোগ্য হলে বাতিলের খন্ডনও করতে হবে।

ইমাম আবু হানিফা রহ: এর সঠিক আক্বিদা হল,
১। পবিত্র কুরআনে আল্লাহর দিকে ইয়াদ, ওয়াজহ ইত্যাদি শব্দ সম্পৃক্ত করা হয়েছে, এগুলো তার সিফাত বা গুণ।
২। এগুলোর কোন কাইফ বা ধরণ নেই।
৩। এগুলো সরল বা বাহ্যিক অর্থ তথা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অর্থে নয়।
৪। এগুলোর বাহ্যিক অর্থ (অঙ্গ বা অংশ) বাদ দেয়ার পর এগুলোর আর কোন অর্থ আমাদের জানা নেই। এর অর্থ আল্লাহ ভালো জানেন। বাহ্যিক অর্থ বাদ দেয়ার পর নতুন কোন অর্থ আমরা নিজেদের থেকে সাব্যস্তও করব না। যেমনটি মু'তাজিলা ও ক্বাদেরিয়ারা করে থাকে। বরং বাহ্যিক অর্থকে নাকচ করলেই আমাদের দায়িত্ব শেষ। নতুন অর্থ নির্ধারণ করা বা নির্দিষ্ট করে দেয়াটা মূল সিফাতকে বাতিল করে দিতে পারে। এজন্য এগুলোর বাহ্যিক অর্থে যেমন বিশ্বাস করি না, এ দাবীও করি না যে, এগুলো রুপক। আবার এগুলোর অর্থ আমরা জানি, সে দাবীও করি না।
৫। আরবী ছাড়া অন্য কোন ভাষা যেমন ফারসীতে এগুলো অনুবাদ করাও জায়েজ নয়।
উপরের আক্বিদাকে বিকৃত করে সালাফীরা যা বানিয়েছে,
১। বাংলায় 'ইয়াদ' নামক সিফাতকে সরল অর্থে 'হাত' অনুবাদ করেছে। যা ইমাম আবু হানিফা রহ: এর আক্বিদার নামে সুস্পষ্ট মিথ্যাচার।
২। ইয়াদের সরল অর্থে বিশ্বাস করতে বলেছে। অথচ ইয়াদের সরল অর্থ দেহের অংশ বা অঙ্গ। যা স্পষ্ট ভাষায় ইমাম আবু হানিফা রহ: নাকচ করেছে। আল্লাহর জন্য এভাবে সরল অর্থে বিশ্বাস করা সুস্পষ্ট কুফুরী ও দেহবাদ।
৩। ইমাম আবু হানিফা রহ: আরবী ছাড়া অন্য ভাষায় অনুবাদ করাকে না জায়েজ বলেছেন, অথচ এরা অনুবাদ করে এবং বাস্তবেই হাত উদ্দেশ্য নেয়। যা আবু হানিফা রহ: এর আক্বিদা বিরোধী।
৪। এরা সিফাত বা গুণের ধরণ সাব্যস্ত করে। এরপর বলে, ধরণ আমরা জানি না। ইমাম আবু হানিফা রহ: এর আক্বিদা হল, আল্লাহর গুণের কোন কাইফ বা ধরণ নেই। এখানেও ইমাম আবু হানিফা রহ: এর নামে মিথ্যাচার করেছে।
৫। ইমাম আবু হানিফ রহ: স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, এসব সিফাতের প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য আমরা জানি না। অথচ ইমাম আবু হানিফা রহ: এর নামে এরা সহজ-সরল বাংলা অনুবাদ চালিয়ে দিয়ে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছে।

এক. কুরআনে কারীম এবং হাদীসে মুতাওয়াতির (ও আহাদ মাআল কারাইন) বাদে ইসলামে আমরা যা কিছু পড়ছি, জানছি, শিখছি, লিখছি- এগুলোকে ‘জান্নিউস সুবূত’ বলে। অন্য কথায়, কেবল এক ব্যক্তির বর্ণনাকৃত একটা হাদীস- হোক সেটা বুখারী বা মুসলিমে- আপনি বুকে হাত দিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তার সঙ্গে বলতে পারবেন না যে রাসূল সা. ওটা বলেছেনই। কারণ সবকিছু ঠিক থাকার পরেও ওটা কুরআন এবং হাদীসে মুতাওয়াতিরের নিশ্চয়তার পর্যায়ে নয়। এই যদি হয় রাসূলুল্লাহর হাদীসের ব্যাপারে বক্তব্য তাহলে ইমাম আবু হানীফা বা ইমাম শাফেয়ীর নামে প্রচলিত একটা কিতাবের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে আপনার চাওয়া-পাওয়া কতটুকু সেটার সিদ্ধান্ত আপনি নিবেন।

দুই. এবার আসা যাক আল ফিকহুল আকবার প্রসঙ্গে। এটা আকীদার কিতাব। ইমাম আবু হানীফা র. এর নামে প্রচলিত। কিন্তু এটা কি আসলেই ইমামের কিতাব? নাকি অন্য কারও?

আল ফিকহুল আকবারের প্রসিদ্ধ দু’টি রেওয়ায়েত রয়েছে। একটা ইমাম আজমের ছেলে হাম্মাদের। অপরটি তাঁর শাগরেদ আবু মুতী বলখীর। কেউ কেউ মনে করেন, হাম্মাদের বর্ণনাকৃত ফিকহুল আকবার ইমামের কিতাব নয়। বরং কোনো কোনো ভাই তো এটাও বলেন ‘একটি কিতাব কারও দিকে মানসূব করার জন্য ন্যূনতম যে সনদ দরকার সেটাও
হাম্মাদের ফিকহুল আকবারে নেই’। এমন বক্তব্য ইলমী ইজহাফ। যেসব উলামায়ে কিরাম এটা ইমাম আবু হানীফার কিতাব নয় বলেছেন তারাও আমার জানামতে এমন কথা বলেননি। আমি কিছু না জানার অর্থ সেটা নেই এমন নয়। এই কিতাব সনদসহ ইমাম আবু হানীফা র. থেকে প্রমাণিত। মদীনার প্রসিদ্ধ শাইখ আরেফ হিকমতের লাইব্রেরিতে এই কিতাবের একটি হস্তলিলিত নুসখা আছে। সেটার সনদ হলো: নসর ইবনে ইয়াহইয়া + ইবনে মুকাতিল+ ইসাম ইবনে ইউসুফ- হাম্মাদ ইবনে আবী হানীফা+ আবু হানীফা র.।

তাহলে দেখা যাচ্ছে কিতাবটি হাম্মাদের সনদসহ আবু হানীফা র. থেকে প্রমাণিত। উম্মাহর অসংখ্য আলেম এটাকে আবু হানীফা র. এর কিতাব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তাদের ভেতরে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন: আব্দুল কাহের বাগদাদী, ইবনে নাদীম, ইসফারায়েনী, ইমাম বাযদাভী, ইবনে তাইমিয়া, ইবনুল কাইয়িম, যাহাবী, হাজী খলীফা, আহমদ বায়াজী, মাহমূদ শুকরী আলূসী, ড. আহমদ আমীন প্রমুখ। (বিস্তারিত শাইখ ওয়াহবী গাওজীর তা’লীক; ও শাইখ আব্দুর রহমান আল খুমাইস এর তা’লীল আলাল ফিকহিল আকবার)

কিন্তু কেউ কেউ এটা ইমাম আজমের কিতাব নয় বলেছেন। বিশেষত অনেক প্রাচ্যবিদ এটা ইমামের কিতাব নয় বলেছেন, এর বিপরীতে ‘ফিকহুল আবসাত’ কে ইমাম আবু হানীফার গ্রন্থ বলেছেন। শাইখ আবু যুহরাসহ আলেমদেরও কেউ কেউ সে পথে হেঁটেছেন। (আবু হানীফার জীবনী; আবু যুহরা) এই ফিকহুল আবসাতও প্রথমে ফিকহুল আকবার নামেই প্রচলিত ছিল। আবূ মুতী বলখীর বর্ণনাতে। পরবর্তীতে হাম্মাদের বর্ণিত ফিকহুল আকবার থেকে আলাদা করার জন্য ফিকহুল আবসাত নামে পরিচিতি পায়। এটা ফিকহুল আকবার এর তুলনায় অনেক বিস্তারিত। ভাষা ও বর্ণনাভঙ্গিও ভিন্ন। এর বিপরীতে ফিকহুল আকবার (হাম্মাদ) অনেক সংক্ষিপ্ত ও সরলীকৃত। তাই অনেকে এটাও বলেছেন, ফিকহুল আবসাত (বলখী) ইমাম আবু হানীফার গ্রন্থ নয়। বরং এটা আবু মুতী বলখীর গ্রন্থ। (যাহাবী, আব্দুল হাই লখনভী)। হ্যা হতে পারে ইমাম থেকে ইস্তিফাদাকৃত বরং তাঁর ‘ইমলা’তে লিখিত। তবে ভাষা ও লিখনী বলখীর হওয়ার কারণে অনেকে তাঁর দিকে নিসবত করেছেন।

By মীযান হারুন

❏ Connect with us:
➡️ Facebook: http://fb.me/IslamicAudiobook
➡️ YouTube: http://youtube.com/c/IslamicAudiobook
➡️ Telegram: http://t.me/islamicaudioboi
➡️ http://islamicaudiobook.wordpress.com

Details

326 Views
এই অডিওতে সম্ভবত একটি মারাত্নক ভুল হয়েছে।

আক্বিদার আলোচনাগুলো অনেকেই গৌণ মনে করে আসছেন। যার ফলাফলের সামান্য চিত্র দেখেছেন। প্রকৃত অবস্থা খুবই ভয়াবহ।
আক্বিদা শুদ্ধির এই মেহনতকে আরও শক্তিশালী করা, পাশে দাঁড়ান প্রত্যেকের দায়িত্ব। নিজে সঠিক আক্বিদা শিখতে হবে। সেটা প্রচার করতে হবে। আলিম ও যোগ্য হলে বাতিলের খন্ডনও করতে হবে।

ইমাম আবু হানিফা রহ: এর সঠিক আক্বিদা হল,
১। পবিত্র কুরআনে আল্লাহর দিকে ইয়াদ, ওয়াজহ ইত্যাদি শব্দ সম্পৃক্ত করা হয়েছে, এগুলো তার সিফাত বা গুণ।
২। এগুলোর কোন কাইফ বা ধরণ নেই।
৩। এগুলো সরল বা বাহ্যিক অর্থ তথা অঙ্গ প্রত্যঙ্গের অর্থে নয়।
৪। এগুলোর বাহ্যিক অর্থ (অঙ্গ বা অংশ) বাদ দেয়ার পর এগুলোর আর কোন অর্থ আমাদের জানা নেই। এর অর্থ আল্লাহ ভালো জানেন। বাহ্যিক অর্থ বাদ দেয়ার পর নতুন কোন অর্থ আমরা নিজেদের থেকে সাব্যস্তও করব না। যেমনটি মু'তাজিলা ও ক্বাদেরিয়ারা করে থাকে। বরং বাহ্যিক অর্থকে নাকচ করলেই আমাদের দায়িত্ব শেষ। নতুন অর্থ নির্ধারণ করা বা নির্দিষ্ট করে দেয়াটা মূল সিফাতকে বাতিল করে দিতে পারে। এজন্য এগুলোর বাহ্যিক অর্থে যেমন বিশ্বাস করি না, এ দাবীও করি না যে, এগুলো রুপক। আবার এগুলোর অর্থ আমরা জানি, সে দাবীও করি না।
৫। আরবী ছাড়া অন্য কোন ভাষা যেমন ফারসীতে এগুলো অনুবাদ করাও জায়েজ নয়।
উপরের আক্বিদাকে বিকৃত করে সালাফীরা যা বানিয়েছে,
১। বাংলায় 'ইয়াদ' নামক সিফাতকে সরল অর্থে 'হাত' অনুবাদ করেছে। যা ইমাম আবু হানিফা রহ: এর আক্বিদার নামে সুস্পষ্ট মিথ্যাচার।
২। ইয়াদের সরল অর্থে বিশ্বাস করতে বলেছে। অথচ ইয়াদের সরল অর্থ দেহের অংশ বা অঙ্গ। যা স্পষ্ট ভাষায় ইমাম আবু হানিফা রহ: নাকচ করেছে। আল্লাহর জন্য এভাবে সরল অর্থে বিশ্বাস করা সুস্পষ্ট কুফুরী ও দেহবাদ।
৩। ইমাম আবু হানিফা রহ: আরবী ছাড়া অন্য ভাষায় অনুবাদ করাকে না জায়েজ বলেছেন, অথচ এরা অনুবাদ করে এবং বাস্তবেই হাত উদ্দেশ্য নেয়। যা আবু হানিফা রহ: এর আক্বিদা বিরোধী।
৪। এরা সিফাত বা গুণের ধরণ সাব্যস্ত করে। এরপর বলে, ধরণ আমরা জানি না। ইমাম আবু হানিফা রহ: এর আক্বিদা হল, আল্লাহর গুণের কোন কাইফ বা ধরণ নেই। এখানেও ইমাম আবু হানিফা রহ: এর নামে মিথ্যাচার করেছে।
৫। ইমাম আবু হানিফ রহ: স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, এসব সিফাতের প্রকৃত অর্থ ও উদ্দেশ্য আমরা জানি না। অথচ ইমাম আবু হানিফা রহ: এর নামে এরা সহজ-সরল বাংলা অনুবাদ চালিয়ে দিয়ে জঘন্য মিথ্যাচার করে যাচ্ছে।

এক. কুরআনে কারীম এবং হাদীসে মুতাওয়াতির (ও আহাদ মাআল কারাইন) বাদে ইসলামে আমরা যা কিছু পড়ছি, জানছি, শিখছি, লিখছি- এগুলোকে ‘জান্নিউস সুবূত’ বলে। অন্য কথায়, কেবল এক ব্যক্তির বর্ণনাকৃত একটা হাদীস- হোক সেটা বুখারী বা মুসলিমে- আপনি বুকে হাত দিয়ে শতভাগ নিশ্চয়তার সঙ্গে বলতে পারবেন না যে রাসূল সা. ওটা বলেছেনই। কারণ সবকিছু ঠিক থাকার পরেও ওটা কুরআন এবং হাদীসে মুতাওয়াতিরের নিশ্চয়তার পর্যায়ে নয়। এই যদি হয় রাসূলুল্লাহর হাদীসের ব্যাপারে বক্তব্য তাহলে ইমাম আবু হানীফা বা ইমাম শাফেয়ীর নামে প্রচলিত একটা কিতাবের বিশুদ্ধতার ব্যাপারে আপনার চাওয়া-পাওয়া কতটুকু সেটার সিদ্ধান্ত আপনি নিবেন।

দুই. এবার আসা যাক আল ফিকহুল আকবার প্রসঙ্গে। এটা আকীদার কিতাব। ইমাম আবু হানীফা র. এর নামে প্রচলিত। কিন্তু এটা কি আসলেই ইমামের কিতাব? নাকি অন্য কারও?

আল ফিকহুল আকবারের প্রসিদ্ধ দু’টি রেওয়ায়েত রয়েছে। একটা ইমাম আজমের ছেলে হাম্মাদের। অপরটি তাঁর শাগরেদ আবু মুতী বলখীর। কেউ কেউ মনে করেন, হাম্মাদের বর্ণনাকৃত ফিকহুল আকবার ইমামের কিতাব নয়। বরং কোনো কোনো ভাই তো এটাও বলেন ‘একটি কিতাব কারও দিকে মানসূব করার জন্য ন্যূনতম যে সনদ দরকার সেটাও
হাম্মাদের ফিকহুল আকবারে নেই’। এমন বক্তব্য ইলমী ইজহাফ। যেসব উলামায়ে কিরাম এটা ইমাম আবু হানীফার কিতাব নয় বলেছেন তারাও আমার জানামতে এমন কথা বলেননি। আমি কিছু না জানার অর্থ সেটা নেই এমন নয়। এই কিতাব সনদসহ ইমাম আবু হানীফা র. থেকে প্রমাণিত। মদীনার প্রসিদ্ধ শাইখ আরেফ হিকমতের লাইব্রেরিতে এই কিতাবের একটি হস্তলিলিত নুসখা আছে। সেটার সনদ হলো: নসর ইবনে ইয়াহইয়া + ইবনে মুকাতিল+ ইসাম ইবনে ইউসুফ- হাম্মাদ ইবনে আবী হানীফা+ আবু হানীফা র.।

তাহলে দেখা যাচ্ছে কিতাবটি হাম্মাদের সনদসহ আবু হানীফা র. থেকে প্রমাণিত। উম্মাহর অসংখ্য আলেম এটাকে আবু হানীফা র. এর কিতাব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন। তাদের ভেতরে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন: আব্দুল কাহের বাগদাদী, ইবনে নাদীম, ইসফারায়েনী, ইমাম বাযদাভী, ইবনে তাইমিয়া, ইবনুল কাইয়িম, যাহাবী, হাজী খলীফা, আহমদ বায়াজী, মাহমূদ শুকরী আলূসী, ড. আহমদ আমীন প্রমুখ। (বিস্তারিত শাইখ ওয়াহবী গাওজীর তা’লীক; ও শাইখ আব্দুর রহমান আল খুমাইস এর তা’লীল আলাল ফিকহিল আকবার)

কিন্তু কেউ কেউ এটা ইমাম আজমের কিতাব নয় বলেছেন। বিশেষত অনেক প্রাচ্যবিদ এটা ইমামের কিতাব নয় বলেছেন, এর বিপরীতে ‘ফিকহুল আবসাত’ কে ইমাম আবু হানীফার গ্রন্থ বলেছেন। শাইখ আবু যুহরাসহ আলেমদেরও কেউ কেউ সে পথে হেঁটেছেন। (আবু হানীফার জীবনী; আবু যুহরা) এই ফিকহুল আবসাতও প্রথমে ফিকহুল আকবার নামেই প্রচলিত ছিল। আবূ মুতী বলখীর বর্ণনাতে। পরবর্তীতে হাম্মাদের বর্ণিত ফিকহুল আকবার থেকে আলাদা করার জন্য ফিকহুল আবসাত নামে পরিচিতি পায়। এটা ফিকহুল আকবার এর তুলনায় অনেক বিস্তারিত। ভাষা ও বর্ণনাভঙ্গিও ভিন্ন। এর বিপরীতে ফিকহুল আকবার (হাম্মাদ) অনেক সংক্ষিপ্ত ও সরলীকৃত। তাই অনেকে এটাও বলেছেন, ফিকহুল আবসাত (বলখী) ইমাম আবু হানীফার গ্রন্থ নয়। বরং এটা আবু মুতী বলখীর গ্রন্থ। (যাহাবী, আব্দুল হাই লখনভী)। হ্যা হতে পারে ইমাম থেকে ইস্তিফাদাকৃত বরং তাঁর ‘ইমলা’তে লিখিত। তবে ভাষা ও লিখনী বলখীর হওয়ার কারণে অনেকে তাঁর দিকে নিসবত করেছেন।

By মীযান হারুন

❏ Connect with us:
➡️ Facebook: http://fb.me/IslamicAudiobook
➡️ YouTube: http://youtube.com/c/IslamicAudiobook
➡️ Telegram: http://t.me/islamicaudioboi
➡️ http://islamicaudiobook.wordpress.com

Related Audio Books

আল-কোরআনের কিছু হক - মাওলানা আব্দুল মালেক
আল-কোরআনের কিছু হক - মাওলানা আব্দুল মালেক (আল-কোরআন নিয়ে কিছু কথা [FULL])
ইসলামিক অডিওবুক
কুরআন বোঝার চেষ্টাঃ কিছু নিয়মকানুন
কুরআন বোঝার চেষ্টাঃ কিছু নিয়মকানুন (আল-কোরআন নিয়ে কিছু কথা [FULL])
ইসলামিক অডিওবুক
ওহী কি ও কেন?
ওহী কি ও কেন? (আল-কোরআন নিয়ে কিছু কথা [FULL])
ইসলামিক অডিওবুক
ফরজ নামাজের পর যে জিকিরসমূহ পড়তে হয়
ফরজ নামাজের পর যে জিকিরসমূহ পড়তে হয় (আল-কোরআন নিয়ে কিছু কথা [FULL])
ইসলামিক অডিওবুক
কুরআনের অনুবাদ নিয়ে কিছু কথা - মোঃ আবিরুজ্জামান মোল্লা
কুরআনের অনুবাদ নিয়ে কিছু কথা - মোঃ আবিরুজ্জামান মোল্লা (আল-কোরআন নিয়ে কিছু কথা [FULL])
ইসলামিক অডিওবুক
পর্ব ০১ | উল্টো নির্ণয় | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক
পর্ব ০১ | উল্টো নির্ণয় | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক (উল্টো নির্ণয় - মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর । Audiobook । অডিওবুক)
ইসলামিক অডিওবুক উল্টো নির্ণয়
পর্ব ০২ | উল্টো নির্ণয় | সত্য! | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক
পর্ব ০২ | উল্টো নির্ণয় | সত্য! | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক (উল্টো নির্ণয় - মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর । Audiobook । অডিওবুক)
ইসলামিক অডিওবুক উল্টো নির্ণয়
পর্ব ০৩ | উল্টো নির্ণয় | কে আমি? আমি এখানে কেন? | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক
পর্ব ০৩ | উল্টো নির্ণয় | কে আমি? আমি এখানে কেন? | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক (উল্টো নির্ণয় - মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর । Audiobook । অডিওবুক)
ইসলামিক অডিওবুক উল্টো নির্ণয়
পর্ব ০৪ | উল্টো নির্ণয় | আমি ভণ্ড নইতো? | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক
পর্ব ০৪ | উল্টো নির্ণয় | আমি ভণ্ড নইতো? | মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর | অডিওবুক (উল্টো নির্ণয় - মোহাম্মদ তোয়াহা আকবর । Audiobook । অডিওবুক)
ইসলামিক অডিওবুক উল্টো নির্ণয়