Playlist Audiobooks
Description
#gospelOfBarnabas #বার্নাবাসের_গসপেল #ঈসা #পর্বঃ১
👉 Playlist: 🔗http://tiny.cc/jr208y
বর্তমান সময়ে খ্রিষ্টানদের প্রচার-প্রচারণা আমাদের দেশের বেড়েই চলেছে। তাদের নিজেদের পরিচিয় দান করে "ঈসায়ি জামাত" নামে। ব্যবহার করে মুসলমানদের পরিভাষা। কোরআন শরিফের মতো করে বলে ইঞ্জিল শরিফ! নামের আগে মুসলমানদের মতো হজরত ব্যবহার করে ইত্যাদি। তাদের কাজের অসংখ্য প্রমাণ আছে আমাদের এই সমাজে। তাদের কুচক্রে পরে হাজারো মুসলমান ঈমান হারা হচ্ছে। তাই আমাদের উচিত তাদের সম্পর্কে জানা এবং তাদের বিরুদ্ধে এই ফিতয়ান থেকে নিজেদের এবং অন্যদের বাচানোর চেষ্টা করা। আর তাই আমাদের খ্রিষ্টান মিশনারি ফিতনার বিরুদ্ধে প্রথম কাজ হলো এই সিরিজ। ঈসা (আঃ) বা যীশু খ্রিষ্ট সম্পর্কে আমাদের অনেকেরই এমন ধারণা নেই। ছোট সময় স্কুলের ক্লাসে যা একটু জেনে ছিলাম তাই আমাদের সম্বল আবার আরবি না জানার কারণে আমরা কোরআন পড়লেও কোরআনে কি আছে তা আমরা জানি না আর এই জন্যেই সহজে খ্রিষ্টান মিশনারিরা আমাদের সরল প্রাণ মুসলমানদের বিভ্রান্ত করতে পারে। আশা করি এই সিরিজ শোনে আপনার উপকৃত হবেন আর শেয়ার করে অন্যদেরও উপকৃত করবেন। সিরিজটি লিখেছেন "আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ", আর রেকর্ড করেছেন "মোঃ আবিরুজ্জামান মোল্লা"। আস সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। সিরিজের লেকচারে আমি(আবির) নবী (আঃ) দের জন্যে যতটুকু আদবের দড়কার ছিলো তা রাখতে পারি নি। ভুলত্রুটি গুলো আমাকে কমেন্টের মাধ্যমে জানালে আমি ইনশাল্লাহ উপকৃত হবো। এখানে ভালো যা কিছু আছে সব কিছুই আল্লাহ্র পক্ষ থেকে আর ভুলগুলো আমার আর শয়তানের ধোঁকার কারণেই হয়তো হয়েছে। "লা হাওলা ওয়া আ'লা কু ওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ" । জাযাকাল্লা খায়ের।
কুরআন-এ যীশুর(আঃ) যে কাহিনী বর্ণিত রয়েছে সেটার সাথে খ্রিস্টানদের কাহিনীর কিছু
মৌলিক পার্থক্য আছে(বিস্তারিতঃ https://islamqa.info/en/answers/43148/ ). তবে, অনেক মিল আছে বারনাবাস নামে একজন সাহাবীর লিখা একটি gospel এ… GOSPEL OF BARNABAS.
বারনাবাস এর আসল নাম ইউসুফ। কিন্তু, ঈসা(আঃ) এর প্রতি তাঁর অটল ভক্তির কারণে অন্যান্য সাহাবীরা তাঁকে বারনাবাস ডাকত। আরামায়িকে “বার নাবিয়া” বা “ইবনে নবী” অর্থাৎ নবীপুত্র।
বলা হয়ে থাকে, ৪৭৮ সালে সম্রাট জেনোর ৪র্থ বর্ষে বারনাবাস এর কবর আবিষ্কৃত হয় এবং সেখানে তাঁর নিজের হাতে লিখা এ ইঞ্জিল এর একটি কপি পাওয়া যায়। তবে এর আগে থেকেই অন্যান্য কপির মাধ্যমে বারনাবাসের ইঞ্জিল পরিচিত ছিল। তবে, ব্যানড ছিল।
৩৮২ সালে ক্যাথলিক চার্চ এ ইঞ্জিল নিষিদ্ধ করে। কেন? কারণ, এখানে স্পষ্টভাবে মুহাম্মাদ (সাঃ) এর কথা বলা আছে। যিনি হবেন শেষ নবী।
ভ্যাটিকান এর নিষিদ্ধ বইয়ের তালিকায় এখনও দেখতে পাওয়া যায় এ ইঞ্জিলের নাম।
এ ইঞ্জিলে অনেক বিস্তারিতভাবে ২২২টা অধ্যায়ে ঈসা(আঃ) এর নবুয়াত থেকে ক্রুশের ঘটনা পর্যন্ত বর্ণনা আছে বারনাবাস এর প্রত্যক্ষ বিবরণে। যা ইসলামের সাথে মিলে যায়।
ফেসবুকে আমাদের সাথে যুক্ত থাকুনঃ
পেইজঃ https://www.facebook.com/iAudioBooks/
গ্রুপঃ https://www.facebook.com/groups/iAudioBooks/
#AudioBook #Islam #abirZP