Description
দশম হিজরি
বিদায়হজ ও আরাফাতের ঐতিহাসিক ভাষণ
এক. হুজ্জাতুল ইসলাম বা বিদায়হজ
১০ হিজরির ২৫ জিলকদ সোমবার রাসুল হজ করতে মক্কার উদ্দেশে রওনা দেন। সাহাবিদের বিশাল জামাআত তাঁর সফরসঙ্গী হন, যাঁদের সংখ্যা ১ লাখের চেয়ে বেশি ছিল। মদিনা থেকে ছয় মাইল দূরে জুলহুলাইফায় তাঁরা হজের জন্য ইহরাম বাঁধেন। এরপর ৪ জিলহজ সোমবার মক্কায় প্রবেশ করে হজের কার্যাবলি সম্পন্ন করেন।
দুই আরাফাতের খুতবা বা বিদায়হজের ভাষণ
৯ জিলহজ রাসুল ৯ আরাফাতের ঐতিহাসিক ময়দানে উপস্থিত হন এবং অত্যন্ত নাতিদীর্ঘ ও সাহিত্যালংকারপূর্ণ এক ভাষণ দেন, যে ভাষণ মুসলিম উম্মাহর সামগ্রিক কল্যাণের নীতিমালা ও উপদেশে ভরপুর ছিল। এটাই ছিল নবিজির শেষ ভাষণ। ঐতিহাসিক সেই ভাষণের অংশবিশেষ নিচে তুলে ধরা হলো, যেগুলো প্রত্যেক মুসলমানের অন্তরে গেঁথে রাখা জরুরি। নবিজি বলেন,
লোকসকল, আমার কথা মনোযোগ দিয়ে শোনো, যাতে আমি তোমাদের জন্য প্রয়োজনীয় সব বিষয় বর্ণনা করতে পারি। আমি জানি না। আগামী বছর আমি তোমাদের সঙ্গে মিলতে পারব কি না।
নবিজি আরও বলেন,
মুসলিমদের জানমাল, ইজ্জত-সম্মান কিয়ামত পর্যন্ত এমনভাবে পবিত্র ও সম্মানিত, যেভাবে আজকের এ দিন (আরাফাতের দিন), এ মাস (জিলহজ মাস) এবং এ শহর (পবিত্র মক্কা) তোমাদের কাছে পবিত্র- সম্মানিত। এ জন্য কারও কাছে যদি অন্য কারও আমানত থেকে থাকে, তাহলে অবশ্যই সেটা আদায় করতে হবে।