কথার বিকাশ
কথা ভাব বিনিময় বা যোগাযোগ রক্ষার একটি মাধ্যম। অন্যের সাথে যোগাযোগ রক্ষা বা ভাব বিনিময়ের জন্য দুটি সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র ক্ষমতা অর্জন করতে হয়, (১) অন্য ব্যক্তি কি বলছে তার অর্থ বোঝা এবং (২) কথা বলার মাধ্যমে তা সেই ব্যক্তিকে অবহিত করা। লিখে, মৌলিকভাবে, আকার ইঙ্গিতের সাহায্যে, গান গেয়ে বা শিল্পীসুলভ প্রকাশভঙ্গীর সাহায্যে একজন ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির সাথে সংযোগ বজায় রাখে। গবেষণায় জানা যায়, অধিকাংশ ক্ষেত্রে মৌখিক ভাষার অর্থ ভুল বোঝার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম বলেই কথা বলা সবচেয়ে কার্যকর উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৮.৫৫ যোগাযোগ স্থাপনের উভয় দিক অর্থাৎ অন্য ব্যক্তি কি বলছে এবং নিজস্ব চিন্তা, অনুভূতি অন্যে যাতে বুঝতে পারে সেভাবে প্রকাশ করার ক্ষমতা অর্জন শিশুর জন্য বেশ কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। তবে দ্বিতীয় বছরে এ ক্ষমতা দুটি শিশু অর্জন করলেও নিজে নিজে সুন্দরভাবে কথা বলার চেয়ে সে অন্য ব্যক্তির কথা বেশি ভালভাবে বুঝতে সক্ষম বলে জানা যায়। ৮,৯,১৪ কথা বলতে শেখার প্রয়োজনীয় যোগ্যতা অর্জন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়।
১. বোধশক্তির বিকাশ: ভাবের আদান-প্রদান করতে শেখার প্রথম করণীয়
হচ্ছে অন্যের কথা বুঝতে শেখা। প্রত্যেক বয়সে শিশুরা শব্দের সাহায্যে নিজস্ব চিন্তা ও অনুভূতি প্রকাশ করার তুলনায় অন্যের কথার অর্থ খুব তাড়াতাড়ি বুঝতে পারে। শৈশবের চেয়ে প্রাক-শৈশবের ক্ষেত্রে এটি বেশি প্রযোজ্য। বক্তার চেহারা, মুখভঙ্গী স্বর ও ভাবভঙ্গী লক্ষ্য করার মধ্যে দিয়ে একজন ব্যক্তি কি বলতে চাচ্ছে শিশুরা তা বুঝতে পারে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে তারা তিন মাস বয়সেই খুশী, বিরক্তি ও ভীতিমূলক উক্তির অর্থ বুঝতে পারে। ১.১৪ সেজন্য শিশুর আঠারো মাস বয়স না হওয়া পর্যন্ত তার সাথে কথা বলার সময় আকার ইঙ্গিত অবশ্যই করতে হবে। যেমন একটি বস্তুর নাম উচ্চারণ করার সাথে সাথে অঙ্গুলি নির্দেশ করতে হবে। টারম্যান-মেরিল (terman-meril ১৯৬০) ৭৮ বুদ্ধি-অভীক্ষা অনুযায়ী দু'বছরের শিশুর ছয়টি আদেশসূচক উক্তির মধ্যে দুটি উক্তি বুঝে সঠিক উত্তরদানের ক্ষমতা থাকা উচিত। যেমন, "আমাকে বিড়াল ছানাটি দাও” "বাটির মধ্যে চামচটি রাখ” ইত্যাদি আদেশ শিশুর.......
#বাচ্চাশিশুরকথাবলাশেখা
#শিশুরকথাবলতেশেখা
#যেভাবেশিশুদ্রুতকথাবলাশিখতেপারে
#বিকাশমনোবিজ্ঞান