ইসলামী ইতিহাসের প্রথম যমানাতে মু’তাযিলাদের মতো যেই কালামী এবং দার্শনিক ভ্রান্তির আত্মপ্রকাশ হয়েছিল, সেটা মুসলিম দুনিয়ায় বৃটিশ উপনিবেশের পর আধুনিকবাদীদের মাধ্যমে পুনরায় প্রাদুর্ভাব হয়েছে। যাদেরকে আমরা নব্য মু’তাযিলা বলতে পারি। উভয় গোষ্ঠির মাঝেই পদ্ধতিগতভাবে এক আশ্চর্যজনক মিল আছে। তবে তাদের আলোচনায় কিছুটা পার্থক্য আছে। নব্য মু’তাযিলাদের মৌলিক ভ্রান্তি হল, তারা শরীয়তকে মাপকাঠি না মেনে অন্যান্য ভ্যালু এবং ধারনাকে বিধান গ্রহণের মাপকাঠি হিসেবে মানতে বেশি আগ্রহী। সেই ভ্যালু কিংবা ধারনাগুলোর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, ‘ফিতরতে ইসলামী’। মানুষের স্বভাবজাত প্রকৃতি।
আমরা অনেককেই বলতে শুনি যে, “ইসলাম মানুষের সহজাত ধর্ম। দ্বীনের প্রতিটি বিষয় মানুষের ফিতরতের মুওয়াফিক বা অনুগামী হয়। অমুক কথা কিংবা কাজ শরীয়ত হতেই পারে না। কারণ তা ফিতরে ইসলামীর সাথে সাংঘর্ষিক। অথচ ইসলাম মানুষের ফিতরী ধর্ম।”
প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়েছে https://tawarus.com/2020/08/30/ইসলামে-ফিতরাতের-ধারণা/ এখানে।
❏ Connect with us:
➡️ Facebook: http://fb.me/IslamicAudiobook
➡️ YouTube: http://youtube.com/c/IslamicAudiobook
➡️ Telegram: http://t.me/islamicaudioboi