ইসলাম ন্যায়ের ধর্ম। ন্যায় অর্জনই ইসলামের প্রধান উদ্দেশ্য। ইসলাম সর্ব ক্ষেত্রেই ন্যায়ের পথকে গ্রহণ করতে নির্দেশ করে।
এই বাক্যগুলোকে দুইভাবে ব্যাখ্যা করা যায় —
এক. ন্যায়ের ধারণা শরিয়াতের বিধান গ্রাহ্য হওয়ার জন্য পৃথক এক মূলনীতি। এর জন্য নবী রাসুলদের দিক-নির্দেশনা এবং ওহীর প্রয়োজনীয়তা অপ্রসঙ্গিক।
দুই. শরিয়াত ন্যায়কে গ্রহন করে এই অর্থে যে, স্বয়ং শরিয়াতই একমাত্র ন্যায়ের প্রতিনিধিত্ব করে।
ইসলামের দৃষ্টিতে কেবল দ্বিতীয় ব্যাখ্যাটিই গ্রহনযোগ্য হতে পারে। এতে কোন সন্দেহ নেই যে, ইসলাম ন্যায়-নিষ্ঠার ধর্ম। কিন্তু জানার বিষয় হল ন্যায়-নিষ্ঠা কী? ন্যায়-নিষ্ঠা কাকে বলে? এটা কে ঠিক করবে? এবং এর মাপকাঠি কী? ন্যায়ের সরল সংজ্ঞা হল, হকদারের হক আদায় করা। অর্থাৎ যে যেই বিষয়ের উপযুক্ত তাকে সেটা ফিরিয়ে দেয়া। এই সংজ্ঞার পর প্রশ্ন আসে কে কীসের উপযুক্ত এটা কীভাবে জানা যাবে? এই ক্ষেত্রে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের অবস্থান হল, যখন আল্লাহ তায়ালা ইসলামকে ন্যায়ের পথ হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছেন তখন তিনি মৌলিকভাবে ন্যায় ও অবিচারের মাঝে পার্থক্যকারী মাপকাঠিও প্রদান করেছেন। তিনি এই মাপকাঠি নবী-রাসুলদের মাধ্যমে স্পষ্ট করে দিয়েছেন। যার মাধ্যমে মানুষ ন্যায়ের পথে চলতে পারবে। আর এই মাপকাঠি অপরিবর্তনীয় ও তার মূল অবস্থায় কুরআন-সুন্নাহ এবং ইজমার মাধ্যমে সংরক্ষিত আছে। এটাকেই আল্লাহ তায়ালা ভাল-মন্দ, ন্যায়-অবিচার এবং মধ্যম পন্থার মাপকাঠি হিসাবে প্রদান করেছেন।[সূরা বাকারা- ১৮৫] কেবল মানবিক অনুভূতি ও বিবেক-বুদ্ধি দিয়ে এই মাপকাঠি অনুধাবন করা যাবে না।
সম্পূর্ণ প্রবন্ধটি পাবেন এখানেঃ https://tawarus.com/2020/08/30/ইসলামে-ন্যায়ের-ধারণা/
❏ Connect with us:
➡️ Facebook: http://fb.me/IslamicAudiobook
➡️ YouTube: http://youtube.com/c/IslamicAudiobook
➡️ Telegram: http://t.me/islamicaudioboi