স্বপ্নে প্রতীকী ব্যাবস্থা || Symbols of Dream ||মনঃসমীক্ষণের ভূমিকা || স্বপ্ন || সিগমুন্ড ফ্রয়েড ||

Description

স্বপ্নে প্রতীক ব্যবস্থা

আমরা দেখতে পেয়েছি স্বপ্নে যে-বিকৃতিগুলি আমাদের স্বপ্ন বোঝার ক্ষেত্রে

বাধা হ'য়ে দাঁড়ায় সেসবই স্বপ্ন-সেন্সর ব্যবস্থার ফল, যা কিনা দূষণীয়

নিজ্ঞান ইচ্ছা-আবেগের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু আমরা আবার

একথাও বলিনি যে শুধুমাত্র সেন্সর ব্যবস্থাই বিকৃতিকরণের জন্য দায়ী। সত্যি কথা বলতে কী স্বপ্ন সম্পর্কে আরো অনুসন্ধান চালালে দেখা যাবে এই বিকৃতিকরণের মূলে আরো একাধিক কারণ আছে, দেখা যাবে যদি সেন্সর- ব্যবস্থা কোনোভাবে বিলুপ্ত করে দেয়া যায়, তবুও স্বপ্নের অর্থ আমরা বুঝতে পারব না, স্বপ্নের ব্যক্ত চেহারা ও অব্যক্ত স্বপ্নচিন্তার মধ্যে ফারাক থেকেই যাবে। স্বপ্নের দুর্বোধ্যতার এই অন্য কারণটি, বিকৃতিকরণের এই অতিরিক্ত ভাগীদার- টির চেহারা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন আমাদের কৌশলের ফাঁক সম্পর্কে আমরা সচেতন হই। আমি ইতিমধ্যেই আপনাদের বলেছি, এমন অনেকেই আছেন, স্বপ্ন বিশ্লেষণ করার সময় যাঁদের মনে কখনো-কখনো স্বপ্নের একক কোনো উপাদানের অনুষঙ্গ থাকে না। অবশ্য এ-কথা ঠিক যে তাঁরা এটা যত ঘনঘন ঘটছে বলেন, ততটা ঘনঘন এটা ঘটে না। অবশ্য বহুক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে চেষ্টা করলে অনুষঙ্গ পাওয়া যায়। তা সত্ত্বেও এমন কিছু ক্ষেত্র থাকছে যেখানে কোনো অনুষঙ্গই পাওয়া যাচ্ছে না বা পেলেও যা চাইছি তা পাচ্ছি না। যদি মনঃসমীক্ষণিক চিকিৎসার সময় এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে তার একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে, যা এই মুহূর্তে আমার আলোচ্য বিষয় নয়। কিন্তু এটা অনেক সময় স্বাভাবিক ব্যক্তিদের অথবা এমনকি আমাদের নিজেদের স্বপ্ন বিশ্লেষণের সময়ও ঘটে। এইসব ক্ষেত্রে আমরা বুঝি যে কোনো চাপ দিয়েই কিছু হবে না, এবং শেষপর্যন্ত আবিষ্কার করি যে এই অবাঞ্ছিত, অপ্রত্যাশিত ঘটনাটির নিয়মিত আবির্ভাব ঘটছে, যখনই বিশেষ কিছু স্বপ্ন উপাদান সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এবারে আমরা চিনতে পারি কোনো নতুন মূলনীতি সক্রিয় হ'য়ে উঠেছে অথচ আমরা আগে ভেবেছিলাম, আমরা এমন কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনার সাক্ষাৎ পেয়েছি যেখানে আমাদের কৌশল কাজ করছে না।
এইভাবে তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই সব 'নীরব' উপাদানগুলির 'ভাষান্তর' আমাদের দিতে হবে, দিতে হবে আমাদের নিজস্ব যেটুকু সঙ্গতি আছে তারই সাহায্যে। এটাও আমাদের চোখে না-পড়ে কোনো উপায় নেই যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা সন্তোষজনক অর্থ পাচ্ছি, যখন আমরা 'পরিবর্ত'গুলিকে ব্যবহার করছি। কিন্তু যখনই এই পদ্ধতি ব্যবহার করছি না তখনই স্বপ্ন হয়ে দাঁড়াচ্ছে অর্থহীন ও ছোড়াখোঁড়া। এই একই ধরনের বহু দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করার পর আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় নিশ্চিতি খুজে পাচ্ছি, যদিও আগে আমরা বেশ সঙ্কোচের সঙ্গেই আমাদের পরীক্ষা শুরু করেছিলাম।

আমি এই সমস্ত কিছুর একটা খশড়া আপনাদের সামনে রাখছি, সহজে বোঝানোর জন্য; তাতে আমাদের বক্তব্য বাতিল হয়ে গেল এমন নয়, শুধু ব্যাপারটা একটু সহজ করে দেয়া গেল।

আমরা এইভাবে স্বপ্ন-উপাদানগুলির ক্রমাগত ভাষান্তর করে যেতে পারি, যেমন স্বপ্ন-সংক্রান্ত জনপ্রিয় বইগুলিতে স্বপ্নের প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে তা করা হয়। আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি যে আমরা যখন অবাধ-অনুষঙ্গ প্রক্রিয়া ব্যবহার করি তখন স্বপ্ন-উপাদানগুলির বদলি এইভাবে অবিরাম হাজির হয় না। এবার অবশ্য আপনারা বলতে পারেন, আগেকার অবাধ অনুষঙ্গ প্রক্রিয়ার তুলনায় এখনকার এই নতুন পদ্ধতিটি ঢের বেশি অনিশ্চিত এবং ঢের বেশি সমালোচনার মুখে পড়বে। কিন্তু আমার আরো কিছু বলার আছে: যখন আমরা বাস্তব অভিজ্ঞতার ভেতর থেকে এই ধরনের যথেষ্ট সংখ্যক অবিরাম 'ভাষান্তর' সংগ্রহ করে শেষপর্যন্ত বুঝতে পারি যে স্বপ্ন-ব্যাখ্যার ফাঁকা জায়গা- গুলি আমাদের নিজেদের সঞ্চিত জ্ঞান দিয়েই ভরাট করতে হবে, তখন মনে হয় স্বপ্নগুলিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুষঙ্গ ছাড়াই বোঝা সম্ভব। কীভাবে আমরা তাদের অর্থ' অবশ্যই বুঝতে পারব, তা আমি আলোচনার শেষার্ধে আপনাদের বলব।

প্রতীক কী

স্বপ্ন-উপাদান এবং তাদের ভাষান্তরের মধ্যবর্তী নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক'কে আমরা বলি 'প্রতীকী' এবং স্বপ্ন-উপাদান স্বয়ং হচ্ছে নিজ্ঞান (অচেতন) স্বপ্ন-ইচ্ছার প্রতীক।

আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, কিছু আগে, যখন আমরা স্বপ্ন-উপাদান এবং তাদের অব্যক্ত চিন্তার মধ্যে বিভিন্ন সম্ভাব্য সম্পর্কগুলিকে পরীক্ষা করছিলাম, তখন আমি তিনটি পৃথক সম্পর্কের কথা বলি..


#স্বপ্নের_ব্যাখ্যা
#স্বপ্ন
#স্বপ্নের_প্রতীক



#মনোবিজ্ঞান
#স্বপ্নে_কি_দেখলে_কি_হয়
#স্বপ্নের_প্রতীকের_বর্ণনা
#সিগমুন্ড_ফ্রয়েড_অডিওবুক_বাংলা

Details

204 Views
স্বপ্নে প্রতীক ব্যবস্থা

আমরা দেখতে পেয়েছি স্বপ্নে যে-বিকৃতিগুলি আমাদের স্বপ্ন বোঝার ক্ষেত্রে

বাধা হ'য়ে দাঁড়ায় সেসবই স্বপ্ন-সেন্সর ব্যবস্থার ফল, যা কিনা দূষণীয়

নিজ্ঞান ইচ্ছা-আবেগের বিরুদ্ধে প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু আমরা আবার

একথাও বলিনি যে শুধুমাত্র সেন্সর ব্যবস্থাই বিকৃতিকরণের জন্য দায়ী। সত্যি কথা বলতে কী স্বপ্ন সম্পর্কে আরো অনুসন্ধান চালালে দেখা যাবে এই বিকৃতিকরণের মূলে আরো একাধিক কারণ আছে, দেখা যাবে যদি সেন্সর- ব্যবস্থা কোনোভাবে বিলুপ্ত করে দেয়া যায়, তবুও স্বপ্নের অর্থ আমরা বুঝতে পারব না, স্বপ্নের ব্যক্ত চেহারা ও অব্যক্ত স্বপ্নচিন্তার মধ্যে ফারাক থেকেই যাবে। স্বপ্নের দুর্বোধ্যতার এই অন্য কারণটি, বিকৃতিকরণের এই অতিরিক্ত ভাগীদার- টির চেহারা স্পষ্ট হয়ে ওঠে যখন আমাদের কৌশলের ফাঁক সম্পর্কে আমরা সচেতন হই। আমি ইতিমধ্যেই আপনাদের বলেছি, এমন অনেকেই আছেন, স্বপ্ন বিশ্লেষণ করার সময় যাঁদের মনে কখনো-কখনো স্বপ্নের একক কোনো উপাদানের অনুষঙ্গ থাকে না। অবশ্য এ-কথা ঠিক যে তাঁরা এটা যত ঘনঘন ঘটছে বলেন, ততটা ঘনঘন এটা ঘটে না। অবশ্য বহুক্ষেত্রে ধৈর্য ধরে চেষ্টা করলে অনুষঙ্গ পাওয়া যায়। তা সত্ত্বেও এমন কিছু ক্ষেত্র থাকছে যেখানে কোনো অনুষঙ্গই পাওয়া যাচ্ছে না বা পেলেও যা চাইছি তা পাচ্ছি না। যদি মনঃসমীক্ষণিক চিকিৎসার সময় এমন ঘটনা ঘটে, তাহলে তার একটি বিশেষ তাৎপর্য আছে, যা এই মুহূর্তে আমার আলোচ্য বিষয় নয়। কিন্তু এটা অনেক সময় স্বাভাবিক ব্যক্তিদের অথবা এমনকি আমাদের নিজেদের স্বপ্ন বিশ্লেষণের সময়ও ঘটে। এইসব ক্ষেত্রে আমরা বুঝি যে কোনো চাপ দিয়েই কিছু হবে না, এবং শেষপর্যন্ত আবিষ্কার করি যে এই অবাঞ্ছিত, অপ্রত্যাশিত ঘটনাটির নিয়মিত আবির্ভাব ঘটছে, যখনই বিশেষ কিছু স্বপ্ন উপাদান সম্পর্কে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে। এবারে আমরা চিনতে পারি কোনো নতুন মূলনীতি সক্রিয় হ'য়ে উঠেছে অথচ আমরা আগে ভেবেছিলাম, আমরা এমন কোনো ব্যতিক্রমী ঘটনার সাক্ষাৎ পেয়েছি যেখানে আমাদের কৌশল কাজ করছে না।
এইভাবে তাহলে আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই সব 'নীরব' উপাদানগুলির 'ভাষান্তর' আমাদের দিতে হবে, দিতে হবে আমাদের নিজস্ব যেটুকু সঙ্গতি আছে তারই সাহায্যে। এটাও আমাদের চোখে না-পড়ে কোনো উপায় নেই যে প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমরা সন্তোষজনক অর্থ পাচ্ছি, যখন আমরা 'পরিবর্ত'গুলিকে ব্যবহার করছি। কিন্তু যখনই এই পদ্ধতি ব্যবহার করছি না তখনই স্বপ্ন হয়ে দাঁড়াচ্ছে অর্থহীন ও ছোড়াখোঁড়া। এই একই ধরনের বহু দৃষ্টান্ত সংগ্রহ করার পর আমরা আমাদের প্রয়োজনীয় নিশ্চিতি খুজে পাচ্ছি, যদিও আগে আমরা বেশ সঙ্কোচের সঙ্গেই আমাদের পরীক্ষা শুরু করেছিলাম।

আমি এই সমস্ত কিছুর একটা খশড়া আপনাদের সামনে রাখছি, সহজে বোঝানোর জন্য; তাতে আমাদের বক্তব্য বাতিল হয়ে গেল এমন নয়, শুধু ব্যাপারটা একটু সহজ করে দেয়া গেল।

আমরা এইভাবে স্বপ্ন-উপাদানগুলির ক্রমাগত ভাষান্তর করে যেতে পারি, যেমন স্বপ্ন-সংক্রান্ত জনপ্রিয় বইগুলিতে স্বপ্নের প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রে তা করা হয়। আপনারা নিশ্চয়ই ভুলে যাননি যে আমরা যখন অবাধ-অনুষঙ্গ প্রক্রিয়া ব্যবহার করি তখন স্বপ্ন-উপাদানগুলির বদলি এইভাবে অবিরাম হাজির হয় না। এবার অবশ্য আপনারা বলতে পারেন, আগেকার অবাধ অনুষঙ্গ প্রক্রিয়ার তুলনায় এখনকার এই নতুন পদ্ধতিটি ঢের বেশি অনিশ্চিত এবং ঢের বেশি সমালোচনার মুখে পড়বে। কিন্তু আমার আরো কিছু বলার আছে: যখন আমরা বাস্তব অভিজ্ঞতার ভেতর থেকে এই ধরনের যথেষ্ট সংখ্যক অবিরাম 'ভাষান্তর' সংগ্রহ করে শেষপর্যন্ত বুঝতে পারি যে স্বপ্ন-ব্যাখ্যার ফাঁকা জায়গা- গুলি আমাদের নিজেদের সঞ্চিত জ্ঞান দিয়েই ভরাট করতে হবে, তখন মনে হয় স্বপ্নগুলিকে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অনুষঙ্গ ছাড়াই বোঝা সম্ভব। কীভাবে আমরা তাদের অর্থ' অবশ্যই বুঝতে পারব, তা আমি আলোচনার শেষার্ধে আপনাদের বলব।

প্রতীক কী

স্বপ্ন-উপাদান এবং তাদের ভাষান্তরের মধ্যবর্তী নিরবচ্ছিন্ন সম্পর্ক'কে আমরা বলি 'প্রতীকী' এবং স্বপ্ন-উপাদান স্বয়ং হচ্ছে নিজ্ঞান (অচেতন) স্বপ্ন-ইচ্ছার প্রতীক।

আপনাদের নিশ্চয়ই মনে আছে, কিছু আগে, যখন আমরা স্বপ্ন-উপাদান এবং তাদের অব্যক্ত চিন্তার মধ্যে বিভিন্ন সম্ভাব্য সম্পর্কগুলিকে পরীক্ষা করছিলাম, তখন আমি তিনটি পৃথক সম্পর্কের কথা বলি..


#স্বপ্নের_ব্যাখ্যা
#স্বপ্ন
#স্বপ্নের_প্রতীক



#মনোবিজ্ঞান
#স্বপ্নে_কি_দেখলে_কি_হয়
#স্বপ্নের_প্রতীকের_বর্ণনা
#সিগমুন্ড_ফ্রয়েড_অডিওবুক_বাংলা

Related Audio Books

বাংলা দেশের ইতিহাস প্রাচীন যুগ ভূমিকা ও প্রকাশকের কথা। ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত।
বাংলা দেশের ইতিহাস প্রাচীন যুগ ভূমিকা ও প্রকাশকের কথা। ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত ১ম পর্ব
বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত ১ম পর্ব (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার প্রাচীন জনপদ ও সীমানা,(বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ২য় পর্ব।
বাংলার প্রাচীন জনপদ ও সীমানা,(বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ২য় পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাঙালি জাতির উৎপত্তি (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ৩য় পর্ব।
বাঙালি জাতির উৎপত্তি (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ৩য় পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের প্রাক আর্যযুগ ও আর্য প্রভাব (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার)৪র্থ পর্ব।
বাংলাদেশের প্রাক আর্যযুগ ও আর্য প্রভাব (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার)৪র্থ পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ( বাংলা দেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার পর্ব -৫
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ( বাংলা দেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার পর্ব -৫ (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
গুপ্ত শাসন ও গুপ্ত পরবর্তী যুগ (বাংলা দেশের ইতিহাস ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার ৬ষ্ট পর্ব)
গুপ্ত শাসন ও গুপ্ত পরবর্তী যুগ (বাংলা দেশের ইতিহাস ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার ৬ষ্ট পর্ব) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
প্রাচীন পাল সাম্রাজ্য  (বাংলাদেশের ইতিহাস ড. রমেশচন্দ্র  মজুমদার ৮ম পর্ব)
প্রাচীন পাল সাম্রাজ্য (বাংলাদেশের ইতিহাস ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার ৮ম পর্ব) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার পাল সাম্রাজ্যের পতন,বাংলাদেশের ইতিহাস, ড.রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার পাল সাম্রাজ্যের পতন,বাংলাদেশের ইতিহাস, ড.রমেশচন্দ্র মজুমদার (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, পাল সাম্রাজ্যের পতন (বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার)
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, পাল সাম্রাজ্যের পতন (বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার