মুসলিম জাতীয়তাবাদি ও পোস্ট ইসলামিস্টরা এখনও নিকাবের প্রশ্নকে ফ্রেইম করে যাচ্ছেন ব্যক্তিস্বাধীনতার জায়গা থেকে। অথচ এ ফ্রেইমিং এর ব্যর্থতা প্রমাণিত।
ধর্মীয় ও ব্যক্তিস্বাধীনতার জায়গা থেকে সেক্যুলাররা এর অধিকার দিলেও নিকাব তাদের কাছে প্রেফারেবল না। তারা অধিকার দিতে পারে—কিন্তু একে সম্মান করবে না। একে সমালোচনার শতভাগ স্বাধীনতা ও অধিকার তাদের আছে।
তাই কিছু একটা হলেই তারা নিকাবকে আক্রমণ করে। হোক সেটা ফ্রান্স, আমেরিকা, ভারত কিংবা বাংলাদেশে।
নিকাব কোনো ফ্যাশন চয়েজ না। যেসব মুসলিম নারী নিকাব পরেন, তারা আল্লাহর আদেশ হিসেবে এটা পরেন। তাই লিবারেল অবস্থান থেকে নিকাবকে আজীবনই একটা পরাধীনতা, আরোপিত কিছু হিসেবে দেখা হবে।
নিকাব ব্যক্তিস্বাধীনতা তো নয়ই, বরং নিকাব হলো নিজেকে প্রদর্শনের ইচ্ছা, রূপের প্রশংসিত হওয়ার ইচ্ছা, প্রবৃত্তির চাহিদাকে দমন করে আল্লাহর কাছে নিজেকে সমর্পণ।
যদি আপনি তাদেরকে ফ্রেইমিং মেনে নেন, তাহলে নিকাবের সমালোচনার স্বাধীনতা, ধর্মীয় বিধানের সমালোচনার অধিকার ও অশ্লীলতা প্রসারের অধিকারও মেনে নিতে হবে। সেখানে অন্য কোনো অধিকারের প্রশ্ন আনা যাবে না।
যারা মুসলিম, যারা আল্লাহর আনুগত্য করে, যারা ইসলামকে একমাত্র হক্ব দ্বীন বলে মানে, তারা এ ব্যাপারে সেক্যুলারদের এপ্রুভাল খুঁজতে হীনম্য ফ্রেইমিং থেকে দূরে থাকবে। পর্দাকে পরিষ্কারভাবে আল্লাহর বিধান হিসেবেই ডিফেন্ড করবে।
আল্লাহ তৌফিক দিন।