আল্লাহ ড. মুরসীকে ক্ষমা করে দিয়ে জান্নাত নসীব করুন।
তিনি উম্মাহর জন্য কাজ করার চেষ্টা করেছেন। দ্বীনকে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। যা করেছেন, ইখলাসের সাথে করেছেন।
তিনি গাযার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন, সুরিঅ।র মুসলিমদের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।
বক্তব্য, রেটরিক ও ন্যারেটিভে তিনি চেষ্টা করেছেন সেক্যুলার বা আরব জাতীয়তাবাদ থেকে বের হয়ে ইসলামী সিয়াসাত ও উম্মাহর জায়গা থেকে কথা বলতে।
তবে সাথে এটাও সত্য, মিশরে বিপ্লব শেষ হওয়ার আগেই রেজিমের একটা অংশ, অর্থাৎ সেনাবাহিনীর সাথে তারা নেগোসিয়েশনে গিয়েছিলেন।
গাযা ইস্যুতেও তিনি ক্যাম্প ডেভিড একোর্ড ছুঁড়ে ফেলতে পারেন নি।
তিনি আগের সিস্টেমকে ধ্বংস করতে, তাকে বদলে দিয়ে দ্বীন কায়েম করতে ব্যর্থ হয়েছেন। শুধু তাই নয়, মিশরের সংবিধান ইতিমধ্যেই ইসলামিক আছে বলে দাবি করেছেন।
বিপ্লব শেষ করতে না পারা, ক্ষমতা পাকাপোক্ত করতে না পারা, লড়াইয়ের গাটস না থাকার পরিণতিতে তাকে নির্মমভাবে পদচ্যুত করা হয়েছে।
হাজার হাজার ব্রাদারহুড নেতাকর্মীকে শেষ করে দেওয়া হয়েছে।
মিশরে যেকোনো ইসলামী আন্দোলন দাঁড় করানোর সম্ভাবনাকে একটা দীর্ঘ সময়ের জন্য শেষ করে দেওয়া হয়েছে।
আমি বিশ্বাস করি, ড. মুরসি যা করেছেন, ইখলাসের সাথে করেছেন।
আল্লাহ তাঁকে ক্ষমা করে দিন। জান্নাত নসীব করুন।
কিন্তু আমাদের ড. মুরসি ও তাঁর দল থেকে অনেককিছু শেখার আছে। গণভিত্তি তৈরির ক্ষেত্রে তাঁদের সফলতা থেকেও শেখার আছে। সংস্কারবাদি গণতান্ত্রিক পন্থার পরিণতি থেকেও শেখার আছে।
Insanity is doing the same thing over and over again and expecting different results.
'মুমিন একই গর্তে দুবার দংশিত হয় না’ (বুখারি : ৬১৩৩)
‘আল্লাহ তোমাদের উপদেশ দিচ্ছেন—তোমরা যদি মুমিন হও তবে কখনো অনুরূপ আচরণের পুনরাবৃত্তি করো না।’ (সুরা নুর : ১৭)