ইসলামিক মডারেট বুদ্ধিজীবীদের চেনার কয়েকটি উপায় আছে। মডারেটরা আপনাকে ইসলামের কথাই বলবে, কিন্তু আপনি লক্ষ্য করবেন যে, সুন্নাতের পাবন্দি তাদের মধ্যে নেই। তারা ইসলামের কথা বলে, কিন্তু মুখে দাঁড়ি নেই। তারা ইসলামের কথা বলে কিন্তু চলাফেরায় সুন্নাতে নববীর সাথে মিল নেই। তারা ইসলামের কথাই বলে, কিন্তু তাদের কর্মপদ্ধতি, চিন্ত-চেতনায়, স্বভাব ও রুচিবোধে ইসলামের প্রভাব নেই। আপনি ঠিক ধরে নিন এরাই তারা, যারা ইসলামের সংস্কার করতে চায়।
মেয়েদের ক্ষেত্রে ধরার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো, বসবাস করে কাফের রাষ্ট্রে, কথা বলে ইসলামের কিন্তু চিন্তা চেতনায় প্রভাবিত থাকে ইসলামের বিরুদ্ধে, সুন্নাহ এবং ফরজিয়াতের বিরুদ্ধে। কথায় কথায় মুসলিম নারীদের ঘর থেকে বের করে আনার কথা বলে, অথবা ম্যারিটেল রেপের নামে মুসলিম নারীদেরকে হিজাবী ফেমিনিস্ট বানানোর ধান্দায় থাকে। কাফির রাষ্ট্রে বসবাস করে মহিলারা বেশি ফেমিনিজমে আক্রান্ত হয় হচ্ছে নাক্বেসাতুল আক্বলের কারণে।
মুমিন মুসলমানের সবচেয়ে বড় কারামত হলো সে সুন্নাহ পালনে অনেক কঠোর। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একটা সুন্নাহ ছুটে যাবে এটা তারা কখনো মেনে নিবে না। যে সত্যিকার অর্থেই মুমিন এবং ইসলামকে ভালোবাসে আপনি তাদেরকে দেখলেই তাদের চেহারা সুরতে ইসলামের প্রভাব দেখতে পাবেন। যারা সুন্নাহ পালনে কঠোর না, অথবা তারা ফরজ ইবাদতের বেলায় শিথিলতার গ্রহণ শরিয়তের গ্রহণযোগ্য ওজর ছাড়া, তারাই আজকের মডারেট।
হাসান মুহাম্মাদ
28/10/2022