বয়স ও বিবাহ একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর।
যাকে নেতা/মেন্টর মানবেন, ইলমের পাশাপাশি তার বয়সও বিচার্য। ২০-২৫ বছর বয়সী মানুষকে কোনোভাবেই মেন্টর বানানো যাবে না।
ন্যূনতম ৪০ বছর না হলে তাকে নেতা বানানো যাবে না, যার কথায় ঝাঁপিয়ে পড়া যায়। তাকে নিজেকে ভাঙাগড়ার মেন্টর বানানো যাবে না, যার কথায় জীবনের জটিল সিদ্ধান্তগুলো নেয়া যায়, জীবনের অর্জনগুলো ছেড়ে আসা যায়।
আর বিবাহ না করলে তো জগতের জটিলতা বুঝবেই না। হ্যাঁ, ইলম থাকতে পারে, তবে ইলমের প্রয়োগ বুঝবে না।
মেয়েলোককে যে ডিল করে নাই, সে তো পৃথিবীর জটিলতা কতপ্রকার কী কী জানেই না। অবস্থা যে কত ধরনের জটিল হতে পারে, যত জটিলই হোক মেজাজ যেন সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত না করে, এসব সেই বুঝবে যে ন্যূনতম ১০ বছর ধরে সফলভাবে বিবাহিত এবং সুখী। বউয়ের সাথে ঝগড়া করে এমন লোককে মেন্টর বানাবেন না।
নারী-অনলে ১০ বছর জ্বলেপুড়ে খাঁটি সোনায় পরিণত হয়েছে, এরকম লোকের সিদ্ধান্তে আপনি নির্ভর করতে পারেন। নিশ্চিত থাকতে পারেন, তার সিদ্ধান্ত আবেগী না। সুখী স্বামী মানে, হঠকারিতা-আবেগ বহু আগেই দাফন হয়ে বাস্তববাদী হয়ে গেছে।
এজন্য নেতা বানানোর আগে তার বয়স, বিয়ের বয়স এবং ঘরে সে সুখী কিনা, খোঁজ নিন।