'আমি শরীয়া আইনে বিশ্বাস করি না' কথাটা কুফর। ব্যক্তির জাহালত (অজ্ঞতা), তাবীল (অপব্যাখ্যা) কিংবা এমন কিছু কারণে ব্যক্তিবিশেষকে কাফির বলা না হলেও কিংবা বলতে সময় নেয়া হলেও কথাটা কুফর থেকে যাবে। অথচ মুসলিম রাষ্ট্রে এমন কুফরী কথাই রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বেশ মজবুতির সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করা হয়ে গেছে।
এই কথাটা এমনিতে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ডেমোক্রেসি ও সেক্যুলারিজম প্রতিষ্ঠার অনিবার্য পরিণতি এটা। ফলে নির্বাচনী প্রতীক যা-ই থাকুক, শরীয়া আইনে অবিশ্বাস, কুরআনী আইন উপেক্ষা-অবজ্ঞা, আলিম-উলামা বিদ্বেষের ক্ষেত্রে গণতন্ত্রপন্থীদের সকলে রসুনের গোড়ার মতো এক। এক্ষেত্রে তাদের মাঝে মৌলিক কোনো ফারাক নেই।
এখানেই ভয়ের কথা। মুসলমানদের ঘরগুলোর ওপর কুফর বৃষ্টির মতো ঝরছে। মুসলমানদের সমাজ জাহেলিয়্যাতে ডুবে যাচ্ছে। কুফরী বিশ্বাস, কুফরী বক্তব্যকে মানুষ রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে গ্রহণীয় কিংবা সহনীয় করে নিচ্ছে। 'রাজনৈতিক বক্তব্য', 'কথার কথা'- হিসেবে ব্যাখ্যা দিয়ে অপরাধ লঘু করছে। এমন চলতে থাকলে ঈমান ও মুমিন খুঁজে পাওয়া দুরূহ হয়ে যাবে।
মিজান হারুন
18 October 2022
Collected from fb