অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : আমীরুল ইসলাম ফুআদ
বিষয় : ঐতিহাসিক উপন্যাস
নবাব আলীবর্দী খানের সুযোগ্য দৌহিত্র, বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব, সিরাজউদ্দৌলার জীবন ও কর্ম নিয়ে রচিত এক অনবদ্য গ্রন্থ "সিরাজউদ্দৌলা"। লেখক আমীরুল ইসলাম ফুআদ তার নিপুণ লেখনীর মাধ্যমে তুলে ধরেছেন দেশপ্রেমিক এই নবাবের দেশমাতৃকার প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা ও ইংরেজ বেনিয়াদের কবল থেকে বাংলাকে রক্ষা করার প্রাণপণ সংগ্রামের ইতিহাস। পলাশীর প্রান্তরে বিশ্বাসঘাতকতা আর চক্রান্তের শিকার হয়ে যেভাবে এই বীর নবাবকে জীবন দিতে হয়েছিল, সেই মর্মান্তিক ঘটনাপ্রবাহ ইতিহাসের পাতায় এক কালো অধ্যায় রচনা করেছে।
তথাকথিত সিরাজ বিদ্বেষীরা নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য এবং ইংরেজদের মনোরঞ্জন করার উদ্দেশ্যে নবাব সিরাজউদ্দৌলাকে নিয়ে নানা অপপ্রচার ও মিথ্যাচার ছড়িয়েছে। কেউ তাকে "গণ্ডমূর্খ" বলেছে, কেউ "চরিত্রহীন" আখ্যা দিয়েছে, আবার কেউবা তাকে "নারীলোভী ও অর্থলোভী" হিসেবে উপস্থাপন করেছে। সময়ের বিবর্তনে এই আজগুবি কথাবার্তাগুলোই যেন সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত হতে বসেছিল। কিন্তু আসলেই কি সিরাজউদ্দৌলা এমন ছিলেন? তিনি কি তথাকথিত "অন্ধকূপ হত্যার" নায়ক ছিলেন? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাওয়া যায় এই বইটির পরতে পরতে। লেখক ঐতিহাসিক তথ্যের আলোকে নবাবের জীবনীর সত্য চিত্র তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন, যা পাঠককে এক নতুন দৃষ্টিকোণ থেকে সিরাজউদ্দৌলাকে চিনতে সাহায্য করবে।
"সিরাজউদ্দৌলা" শুধু একটি ঐতিহাসিক আখ্যান নয়, এটি দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ এবং বিশ্বাসঘাতকতার এক মর্মস্পর্শী উপাখ্যান। বাংলার গৌরবোজ্জ্বল অতীতের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়কে জানতে ও বুঝতে এই বইটি অপরিহার্য। যারা বাংলাদেশের ইতিহাস, বিশেষ করে নবাবী আমলের ঘটনাপ্রবাহ এবং পলাশীর যুদ্ধের পেছনের আসল সত্য জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য এই বইটি একটি অবশ্যপাঠ্য।
SEO Tags: সিরাজউদ্দৌলা, আমীরুল ইসলাম ফুআদ, ঐতিহাসিক উপন্যাস, বাংলার নবাব, পলাশীর যুদ্ধ, ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলন, দেশপ্রেম, বিশ্বাসঘাতকতা, মীর জাফর, বাঙালি ইতিহাস, বাংলা সাহিত্য।
✍️ আমীরুল ইসলাম ফুআদ
সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন নবাব আলীবর্দী খানের দৌহিত্র। সিরাজউদ্দৌলার হৃদয় ছিল দেশপ্রেমে পূর্ণ। দেশের মানুষকে ইংরেজদের গোলামি থেকে রক্ষার জন্য প্রাণপণ চেষ্টা করেছেন তিনি। ইংরেজদের শঠতা আর মীর জাফরদের গাদ্দারির কারণে পলাশীর প্রান্তরে পরাজিত হন তিনি। এরপর মৃত্যু। ইতিহাসে রচিত হয় একটি কালো অধ্যায়। সিরাজবিদ্বেষীরা উঠেপড়ে লাগে সিরাজকে খাটো ও হীন করে দেখানোর উদ্দেশ্যে। ইংরেজদের মনোরঞ্জনের জন্য ছড়াতে থাকে অসংখ্য অপবাদ ও মিথ্যাচার। কেউ বলে গণ্ডমূর্খ কেউ বলে চরিত্রহীন। কেউ-বা আবার উপস্থাপন করে নারীলোভী ও অর্থলোভী হিসেবে। সময়ের পালাবর্তনে এমন অনেক আজগুবি কথাবার্তা রটে যায় সিরাজের ব্যাপারে। সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা এমন ছিলেন? সত্যিই কি সিরাজউদ্দৌলা তথাকথিত অন্ধকূপ হত্যার নায়ক? এমন অসংখ্য প্রশ্নের জবাব ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ‘সিরাজউদ্দৌলা’র পাতায় পাতায়।