অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
সরাসরি পড়ার সুবিধা এই মুহূর্তে উপলব্ধ নয়
সার্ভার লোড ও ব্যান্ডউইথ সাশ্রয়ের স্বার্থে এই ফাইলটি ক্লাউড ড্রাইভে ব্যাকআপ হওয়া পর্যন্ত সরাসরি পড়ার সুবিধা বন্ধ রয়েছে। নিচের ডাউনলোড অপশন ব্যবহার করে দ্রুত ফাইলটি নামিয়ে পড়তে পারবেন।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : মাওঃ যুবায়ের হোসাইন
বিষয় : ধর্মতত্ত্ব
এই বইটি দারুল উলুম দেওবন্দ-এর মতো একটি প্রখ্যাত ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নীতি এবং কার্যপ্রণালীর গভীরে অনুসন্ধান করে। লেখক মাওঃ যুবায়ের হোসাইন অত্যন্ত সুচারুভাবে বিশ্লেষণ করেছেন যে, দেওবন্দ তার নিজস্ব মানদণ্ড অনুযায়ী কাকে মিত্র এবং কাকে শত্রু হিসেবে বিবেচনা করবে। বিশেষ করে, যখন কেউ নাস্তিক্যবাদ প্রচার করে বা লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে কুরআনের সত্যতা নিয়ে সন্দেহের বীজ বপন করে, তখন দেওবন্দের প্রতিক্রিয়া কী হওয়া উচিত, তা নিয়ে লেখক প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি দেওবন্দের মতো প্রতিষ্ঠানের বিচক্ষণতা এবং ঈমান রক্ষার দৃঢ়তার উপর জোর দিয়েছেন।
বইটিতে আরও আলোচিত হয়েছে যে, একটি জাতির ঈমানের সাথে খেলা করার মতো ব্যক্তিকে দেওবন্দ মিত্র হিসেবে গ্রহণ করবে কিনা, অথবা তাকে শত্রু হিসেবে প্রতিহত করবে। লেখক মনে করেন, দেওবন্দের মতো প্রতিষ্ঠান এতখানি দেউলিয়া হয়ে যায়নি যে তারা এমন কাজ করবে। শিরনাম বা পদবি যাই হোক না কেন, কর্মপন্থা এবং উদ্দেশ্যের ভিত্তিতে শত্রু-মিত্র নির্ণয় করার মতো প্রজ্ঞা দারুল উলুম দেওবন্দের রয়েছে।
পরিশেষে, লেখক আফসোস প্রকাশ করেছেন যে, অনেক সময় সত্য এবং বড় বিষয়গুলোও ব্যক্তিগত স্বার্থের কাছে পরাজিত হয়। মানুষ নিজের মতলবের সমর্থনে সলফদের (পূর্বসূরিদের) কোনো একটি অঙ্গকে বড় করে দেখে এবং বাকিগুলোকে ছোট করে দেয়। নিজের মতাদর্শের সমর্থক খুঁজে বের করার ক্ষেত্রে মানুষের অসামান্য প্রতিভার কথা উল্লেখ করে, লেখক এই প্রবণতার সমালোচনা করেছেন।
SEO Tags: দারুল উলুম দেওবন্দ, ইসলাম, ধর্মতত্ত্ব, মাওঃ যুবায়ের হোসাইন, শত্রু মিত্র, ঈমান, নাস্তিক্যবাদ, কুরআন, মানহাজ, দেওবন্দ আন্দোলন, আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত, ধর্মীয় শিক্ষা, ইসলামি দর্শন।
✍️ মাও: যুবায়ের হোসাইন
দেওবন্দ তার মানহাজের বিচারে এ ক্ষেত্রে কী করবে?যে একজন নাস্তিককে এবং লক্ষ লক্ষ শ্রোতাকে কুরআনের সত্যতার বিষয়ে সন্দেহের বীজ বপন করার সুযোগ করে দিয়েছে, তাকে দারুল উলূম দেওবন্দ মিত্র হিসাবে কাছে টেনে নেবে না কি তাকে শত্রু হিসাবে দূরে ঠেলে দেবে? দারুল উলূম দেওবন্দকে আমরা যতটুকু জেনেছি,তার শত্রু-মিত্রু চেনার মত যোগ্যতা আছে।যে একটি জাতির ঈমান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে তাকে দারুল উলূম মিত্র হিসাবে গ্রহণ করবে এতটা দেউলিয়া হয়ে যায়নি।হোক তার শিরনাম ছোট বা বড়।কর্মপন্থা ও উদ্দেশ্যের বিবেচনায় শত্রু-মিত্র নির্ণয় করার মত যোগ্যতা দারুল উলূম দেওবন্দের রয়েছে।
কিন্তু এসব সত্য সত্য হয়ে কী হবে?মায়াকান্নাতো আর সত্যের জন্যও নয়,বড়র জন্যও নয়।মায়াকান্নাতো নিজের মতলবের জন্য।মতলবের বিপরীত হওয়ার কারণে এ জীবনে আমরা কত সত্য আর কত বড় বড়কে বাম হাত দিয়ে ধাক্কা দিয়ে মঞ্চ থেকে ফেলে দিয়েছি তার কোন হিসাব নেই।নিজের মতলবের সমর্থক হিসাবে সলফের যে অঙ্গকে খুঁজে পেয়েছি সে অঙ্গকে বড় থেকে আরো বড় বানিয়ে বাকি সব অঙ্গকে ছোট থেকে ছোট বানানোর সকল ব্যবস্থা করেছি।আর এ বিষয়ে আমাদের প্রতিভার কোন তুলনা হয় না।