আঁতুরকাল || শিশুর জন্ম-পরবর্তী অভিযোজন || Human Psychology || Development Psychology Bangla ||

Description

তৃতীয় অধ্যায়

#আঁতুড়কাল

#আঁতুড়কাল_সম্পর্কিত_ধারণা

আঁতুড়কাল অর্থাৎ শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরবর্তী দুই সপ্তাহব্যাপী জীবনকে আদর্শ অভিধানে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার প্রথম পর্যায় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এ সময়ে শিশুকে কখনই মায়ের দেহের পরগাছা বলা যাবে না। অভিধানগুলোতে 'ইনফ্যান্ট' শব্দটির সাহায্যে এক বছর বয়স্ক একটি শিশুকে বোঝায়। বস্তুতপক্ষে একটি ছোট শিশু বলতে এমন একজন অপরিণত ব্যক্তিকে বোঝায় যে নীতিগতভাবে পরিপক্কতা লাভ না করা পর্যন্ত অপরিণত ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হবে। আমাদের দেশে পরিণত বুদ্ধির অধিকারী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি লাভের বয়স হল আঠারো বছর। চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষা অনুযায়ী 'ইনফ্যান্ট' বলতে একটি ছোট্ট শিশুকে বোঝায়, কিন্তু কখন তাকে আর শিশু বলা যাবে না অথবা কখন সে বালক হিসেবে পরিগণিত হবে সে সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কোনো বয়স বেঁধে দেওয়া হয় নি। অনেক মনোবিজ্ঞানী চিকিৎসাবিদদের মতো একই অর্থে 'ইনফ্যান্ট' শব্দটি ব্যবহার করেন এবং কচি শিশুর জন্য কোনো বয়স নির্দিষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কাজেই জীবন প্রসরে এ পর্যায়টির বিস্তৃতি অথবা সীমারেখা সুস্পষ্ট নয়। ইংরেজী 'ইনফ্যান্ট' শব্দটি বলতে চরম অসহায় অবস্থা বোঝায় এবং এখানে আঁতুড়কাল বলতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ব্যাপী সময়কালকে বোঝাবে। এ পর্যায়ে নবজাতক সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থা থেকে ক্রমশ স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে

থাকে।

#আঁতুড়কালেরবৈশিষ্ট্য

জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে কিছু বিকাশমূলক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় যার প্রেক্ষিতে একটি বয়সকে পূর্ববর্তী অথবা পরবর্তী বয়স থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পর্যায় হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব। এ ধরনের পরিবর্তনের কোন কোনটি অন্যান্য বয়সে দেখা গেলেও কেবল প্রসূতি কালে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র নির্দিষ্ট.....

১০৬

#বিকাশমনোবিজ্ঞান

৫ . আঁতুড়কাল একটি বিপজ্জনক পর্যায়: দৈহিক এবং মানসিক উভয় দিক থেকেই আঁতুড়কাল শিশুর জীবনের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়। দৈহিক

দিক থেকে বিপজ্জনক এ জন্য যে সম্পূর্ণ নতুন এবং একটি ভিন্নতর পরিবেশের সাথে সঙ্গতি বিধান করার সময় নবজাতককে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এ বয়সে অতিরিক্ত শিশু মৃত্যুর হার তার প্রমাণ। মানসিক দিক থেকে প্রসূতিকাল মারাত্মক এ জন্য যে শিশুর প্রতি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মনোভাব এ সময়ে গঠিত হয়। এ সব মনোভাবের অধিকাংশ সন্তান গর্ভে থাকাকালীন উদ্ভব হলেও শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সেগুলো সম্পূর্ণ নতুন রূপ লাভ করে। জন্ম পরিবেশ এবং মা ও সন্তানের মধ্যে সহজ সম্পর্ক গড়ে উঠলে কোন কোন অনুকূল মনোভাবের পরিবর্তন হয় না বরং মনোভাব আরো সুদৃঢ় হয়।

#জন্ম_পরবর্তী_অভিযোজন

বিকাশজনিত পরিবর্তন ধারা পুনরায় রাখার প্রয়োজনে নবজাতককে চার ধরনের অভিযোজন অবশ্যই সম্পাদন করতে হবে। যদি সে অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো সম্পন্ন করতে না পারে তবে জীবন বিপন্ন হয়। অভিযোজন সম্পাদন প্রক্রিয়ায় বিকাশমূলক কোন উন্নতি পরিলক্ষিত হয় না, পরিবর্তে শিশুর বিকাশ একস্থানে থেমে থাকে অথবা পূর্ববর্তী পর্যায়ের নীচু মানের বিকাশ ধারা অব্যাহত থাকে। জন্ম-পরবর্তী চার ধরনের অভিযোজন নীচে বর্ণনা করা হল:

১. পরিবর্তিত তাপমাত্রার সাথে অভিযোজন: গর্ভথলির তাপমাত্রা সব সময় ১০০০ ফারেনহাইট; কিন্তু হাসপাতালে কিম্বা আবাসিক কক্ষের তাপমাত্রা উঠানামা করতে পারে। নবজাতককে এই পরিবর্তনশীল তাপমাত্রার সাথে সঙ্গতিবিধান করতে হয়।

২. শ্বাস-প্রশ্বাস: গর্ভরজ্জু অপসারণ করা হলে নবজাতককে নিজে নিজে শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজ করতে হয়।

৩. চোষা ও গলধকরণ: গর্ভরজ্জুর মাধ্যমে দেহে খাদ্য আর সরবরাহ হয় না বলে নবজাতককে চুষে ও গলাধঃকরণ প্রক্রিয়ার সাহায্যে দৈহিক পুষ্টি লাভ করতে হয়। জন্ম গ্রহণের সাথে সাথে এই প্ররিবর্তনগুলো (reflex activity) সুষ্ঠুভাবে না হওয়ায় নবজাতক প্রায়ই প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টি পায় না ফলে ওজন হ্রাস পায়।

. মলমূত্র নিঃসরণ

৪ : জন্ম গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই নবজাতকের মলমূত্র নিষ্কাশনকারী অঙ্গগুলো কর্মক্ষম হয়; গর্ভে থাকাকালীন এসব দূষিত পদার্থ গর্ভরজ্জুর মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়ে থাকে।

#অডিওবুক
#বাংলা_অডিওবুক



Details

422 Views
তৃতীয় অধ্যায়

#আঁতুড়কাল

#আঁতুড়কাল_সম্পর্কিত_ধারণা

আঁতুড়কাল অর্থাৎ শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরবর্তী দুই সপ্তাহব্যাপী জীবনকে আদর্শ অভিধানে একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যক্তির অস্তিত্ব প্রতিষ্ঠার প্রথম পর্যায় হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এ সময়ে শিশুকে কখনই মায়ের দেহের পরগাছা বলা যাবে না। অভিধানগুলোতে 'ইনফ্যান্ট' শব্দটির সাহায্যে এক বছর বয়স্ক একটি শিশুকে বোঝায়। বস্তুতপক্ষে একটি ছোট শিশু বলতে এমন একজন অপরিণত ব্যক্তিকে বোঝায় যে নীতিগতভাবে পরিপক্কতা লাভ না করা পর্যন্ত অপরিণত ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হবে। আমাদের দেশে পরিণত বুদ্ধির অধিকারী ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি লাভের বয়স হল আঠারো বছর। চিকিৎসা শাস্ত্রের ভাষা অনুযায়ী 'ইনফ্যান্ট' বলতে একটি ছোট্ট শিশুকে বোঝায়, কিন্তু কখন তাকে আর শিশু বলা যাবে না অথবা কখন সে বালক হিসেবে পরিগণিত হবে সে সম্বন্ধে নির্দিষ্ট কোনো বয়স বেঁধে দেওয়া হয় নি। অনেক মনোবিজ্ঞানী চিকিৎসাবিদদের মতো একই অর্থে 'ইনফ্যান্ট' শব্দটি ব্যবহার করেন এবং কচি শিশুর জন্য কোনো বয়স নির্দিষ্ট করতে ব্যর্থ হয়েছেন। কাজেই জীবন প্রসরে এ পর্যায়টির বিস্তৃতি অথবা সীমারেখা সুস্পষ্ট নয়। ইংরেজী 'ইনফ্যান্ট' শব্দটি বলতে চরম অসহায় অবস্থা বোঝায় এবং এখানে আঁতুড়কাল বলতে ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরবর্তী কয়েক সপ্তাহ ব্যাপী সময়কালকে বোঝাবে। এ পর্যায়ে নবজাতক সম্পূর্ণ অসহায় অবস্থা থেকে ক্রমশ স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে

থাকে।

#আঁতুড়কালেরবৈশিষ্ট্য

জীবনের প্রতিটি পর্যায়ে কিছু বিকাশমূলক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায় যার প্রেক্ষিতে একটি বয়সকে পূর্ববর্তী অথবা পরবর্তী বয়স থেকে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র পর্যায় হিসেবে চিহ্নিত করা সম্ভব। এ ধরনের পরিবর্তনের কোন কোনটি অন্যান্য বয়সে দেখা গেলেও কেবল প্রসূতি কালে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র নির্দিষ্ট.....

১০৬

#বিকাশমনোবিজ্ঞান

৫ . আঁতুড়কাল একটি বিপজ্জনক পর্যায়: দৈহিক এবং মানসিক উভয় দিক থেকেই আঁতুড়কাল শিশুর জীবনের জন্য একটি ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়। দৈহিক

দিক থেকে বিপজ্জনক এ জন্য যে সম্পূর্ণ নতুন এবং একটি ভিন্নতর পরিবেশের সাথে সঙ্গতি বিধান করার সময় নবজাতককে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। এ বয়সে অতিরিক্ত শিশু মৃত্যুর হার তার প্রমাণ। মানসিক দিক থেকে প্রসূতিকাল মারাত্মক এ জন্য যে শিশুর প্রতি পরিবারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের মনোভাব এ সময়ে গঠিত হয়। এ সব মনোভাবের অধিকাংশ সন্তান গর্ভে থাকাকালীন উদ্ভব হলেও শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর সেগুলো সম্পূর্ণ নতুন রূপ লাভ করে। জন্ম পরিবেশ এবং মা ও সন্তানের মধ্যে সহজ সম্পর্ক গড়ে উঠলে কোন কোন অনুকূল মনোভাবের পরিবর্তন হয় না বরং মনোভাব আরো সুদৃঢ় হয়।

#জন্ম_পরবর্তী_অভিযোজন

বিকাশজনিত পরিবর্তন ধারা পুনরায় রাখার প্রয়োজনে নবজাতককে চার ধরনের অভিযোজন অবশ্যই সম্পাদন করতে হবে। যদি সে অল্প সময়ের মধ্যে এগুলো সম্পন্ন করতে না পারে তবে জীবন বিপন্ন হয়। অভিযোজন সম্পাদন প্রক্রিয়ায় বিকাশমূলক কোন উন্নতি পরিলক্ষিত হয় না, পরিবর্তে শিশুর বিকাশ একস্থানে থেমে থাকে অথবা পূর্ববর্তী পর্যায়ের নীচু মানের বিকাশ ধারা অব্যাহত থাকে। জন্ম-পরবর্তী চার ধরনের অভিযোজন নীচে বর্ণনা করা হল:

১. পরিবর্তিত তাপমাত্রার সাথে অভিযোজন: গর্ভথলির তাপমাত্রা সব সময় ১০০০ ফারেনহাইট; কিন্তু হাসপাতালে কিম্বা আবাসিক কক্ষের তাপমাত্রা উঠানামা করতে পারে। নবজাতককে এই পরিবর্তনশীল তাপমাত্রার সাথে সঙ্গতিবিধান করতে হয়।

২. শ্বাস-প্রশ্বাস: গর্ভরজ্জু অপসারণ করা হলে নবজাতককে নিজে নিজে শ্বাস-প্রশ্বাসের কাজ করতে হয়।

৩. চোষা ও গলধকরণ: গর্ভরজ্জুর মাধ্যমে দেহে খাদ্য আর সরবরাহ হয় না বলে নবজাতককে চুষে ও গলাধঃকরণ প্রক্রিয়ার সাহায্যে দৈহিক পুষ্টি লাভ করতে হয়। জন্ম গ্রহণের সাথে সাথে এই প্ররিবর্তনগুলো (reflex activity) সুষ্ঠুভাবে না হওয়ায় নবজাতক প্রায়ই প্রয়োজন অনুযায়ী পুষ্টি পায় না ফলে ওজন হ্রাস পায়।

. মলমূত্র নিঃসরণ

৪ : জন্ম গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই নবজাতকের মলমূত্র নিষ্কাশনকারী অঙ্গগুলো কর্মক্ষম হয়; গর্ভে থাকাকালীন এসব দূষিত পদার্থ গর্ভরজ্জুর মাধ্যমে নিষ্কাশিত হয়ে থাকে।

#অডিওবুক
#বাংলা_অডিওবুক



Related Audio Books

বাংলা দেশের ইতিহাস প্রাচীন যুগ ভূমিকা ও প্রকাশকের কথা। ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত।
বাংলা দেশের ইতিহাস প্রাচীন যুগ ভূমিকা ও প্রকাশকের কথা। ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত ১ম পর্ব
বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত ১ম পর্ব (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার প্রাচীন জনপদ ও সীমানা,(বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ২য় পর্ব।
বাংলার প্রাচীন জনপদ ও সীমানা,(বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ২য় পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাঙালি জাতির উৎপত্তি (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ৩য় পর্ব।
বাঙালি জাতির উৎপত্তি (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ৩য় পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের প্রাক আর্যযুগ ও আর্য প্রভাব (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার)৪র্থ পর্ব।
বাংলাদেশের প্রাক আর্যযুগ ও আর্য প্রভাব (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার)৪র্থ পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ( বাংলা দেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার পর্ব -৫
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ( বাংলা দেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার পর্ব -৫ (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
গুপ্ত শাসন ও গুপ্ত পরবর্তী যুগ (বাংলা দেশের ইতিহাস ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার ৬ষ্ট পর্ব)
গুপ্ত শাসন ও গুপ্ত পরবর্তী যুগ (বাংলা দেশের ইতিহাস ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার ৬ষ্ট পর্ব) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
প্রাচীন পাল সাম্রাজ্য  (বাংলাদেশের ইতিহাস ড. রমেশচন্দ্র  মজুমদার ৮ম পর্ব)
প্রাচীন পাল সাম্রাজ্য (বাংলাদেশের ইতিহাস ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার ৮ম পর্ব) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার পাল সাম্রাজ্যের পতন,বাংলাদেশের ইতিহাস, ড.রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার পাল সাম্রাজ্যের পতন,বাংলাদেশের ইতিহাস, ড.রমেশচন্দ্র মজুমদার (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, পাল সাম্রাজ্যের পতন (বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার)
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, পাল সাম্রাজ্যের পতন (বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার