Description
দ্বিতীয় অধ্যায় গর্ভধারণ পর্যায়
২.১ গর্ভধারণ পর্যায়ের গুরুত্ব
মানুষের জীবন বিকাশ সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিক চিন্তা-ভাবনা শুরু হওয়ার প্রথম দিকে গর্ভধারণ পর্যায় সম্বন্ধে তেমন কোন গবেষণা অনুষ্ঠিত হয় নি। স্কুলপূর্ব (preschool) বয়সের শিশুদের নিয়ে কিছু গবেষণা প্রথম শুরু হলেও শেষের দিকে অধিকাংশ গবেষণা পরিচালিত হয় স্কুল জীবন শুরু করেছে এমন শিশুদের নিয়ে। পরবর্তীকালে শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রক্রিয়া গবেষণার বিষয়ে পরিণত হলেও ১৯৪০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত গর্ভধারণকাল বিকাশ মনোবিজ্ঞানীদের মনোযোগ তেমন আকর্ষণ করতে পারে নি। এরপর থেকে স্বাভাবিক বিকাশ ধারার রূপ সম্পূর্ণভাবে বোঝার জন্য শিশু জন্মগ্রহণের আগে কি ঘটে এবং সে সময়ে কোন্ কোন্ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ক্ষমতার স্বাভাবিক পরিস্ফুটন বিঘ্নিত হতে পারে সে সম্পর্কে মনোবিজ্ঞানীরা জানতে কৌতূহলী
হন।
শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে মায়ের গর্ভপরিবেশ যে গর্ভস্থ শিশুর গঠন ও পরিস্ফুটনকে নানাভাবে প্রভাবান্বিত করে এখন তার অনেক প্রমাণ পাওয়া গেছে। সে জন্য জন্মগ্রহণের মুহূর্ত থেকে গবেষণা শুরু না করে গর্ভধারণের মুহূর্ত থেকে বিকাশ সম্বন্ধে গবেষণা শুরুর প্রচেষ্টা সম্পূর্ণ যুক্তিসঙ্গত পদক্ষেপ। শিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে মায়ের গর্ভে থাকাকালীন যে যে ভ্রূণতাত্ত্বিক পরিবর্তন অনুষ্ঠিত হয় সে সম্বন্ধে শারীরবিদ (Physiologist) ও চিকিৎসকদের গবেষণালব্ধ তথ্য বিকাশ মনোবিজ্ঞানীরা গ্রহণ করেছেন।
বর্তমান অধ্যায়ে ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে মায়ের গর্ভে নয় মাস ধরে শিশুর দেহে যে সব উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় সেগুলো এবং গর্ভধারণের তাৎপর্য সম্বন্ধে আলোচনা করা হবে। কোন্ কোন্ পারিপার্শ্বিক ও মানসিক বিষয় ভ্রূণের পরিস্ফুরণকে প্রভাবান্বিত করে তাও এ আলোচনায় আসবে।
#অডিওবুক
#বাংলা_অডিওবুক
#শিশুগর্ভধারণপর্যায়েরগুরুত্ব
#মনোবিজ্ঞান