Playlist Audiobooks
শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলী
(বিকাশ মনোবিজ্ঞান ১ম খন্ড (Developmental Psychology) EB Harlock|| সুলতানা বানু ||)
StoryPaths with Antor
Description
৩.৬ শিশুর জন্ম-পরবর্তী পরিচর্যা
জন্ম-পরবর্তী অভিযোজনের উপর প্রভাব বিস্তারকারী ষষ্ঠ বিষয় হল নবজাতকের পরিচর্যার ধরন। অধিকাংশ সময়, সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার প্রথম তিন অথবা চারদিন হাসপাতালের সেবিকারা শিশুর যত্ন নেয়। এর পরে গৃহে শিশুর পরিচর্যা শুরু হয়; বাবা, আত্মীয়স্বজন অথবা মা হাসপাতাল থেকে গৃহে আসার সপ্তাহখানেক অথবা এর অল্প কিছু পরে কোন পরিচারিকার সহযোগিতায় সাধারণত শিশুর পরিচর্যা করে। নবজাতকটি জন্ম পরবর্তী পরিবেশে কি ধরনের অভিযোজন করবে তা তার জন্ম-পরবর্তী সার্বিক যত্নের উপর প্রধানত নির্ভর করলেও শিশু পরিচর্যার তিনটি দিক বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। এই তিনটি দিক হচ্ছে, শিশুর চাহিদা কতটুকু সন্তোষজনক এবং তাৎক্ষণিকভাবে দূর করার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে; জন্মানোর পর থেকে তাকে কতটুকু উদ্দীপিত করা হয়েছে এবং শিশুর মা-বাবা বিশেষত মা কতটুকু আত্মবিশ্বাসের সাথে সন্তানের চাহিদা দূর করতে সক্ষম ইত্যাদি।
প্রথমত, যে সদ্যজাত শিশুর ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগে নয়মাসব্যাপী একটি স্থায়ী পরিবেশে নিজের প্রচেষ্টা ছাড়াই দৈহিক চাহিদা আপনাআপনি পূর্ণ হত, তাকে এখন একটি নূতন পরিবেশে কিছু সংখ্যক ব্যক্তির উপর ব্যক্তিগত চাহিদা মিটানোর জন্য নির্ভর করতে হয়। নবজাতকের স্নায়ু ও শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া অপরিণত অবস্থায় থাকে বলে নির্দিষ্ট সময়ে এই চাহিদাগুলোর উদ্ভব হয় না। অধিকন্তু সদ্যজাত শিশুরা আশেপাশের লোকদের নিজেদের চাহিদা অথবা কি প্রয়োজন তা বলতে পারে না কারণ এরা শুধু কাঁদতে সক্ষম।
#শিশুরযত্ন
#সদ্যজাত_শিশুর_যত্ন
#শিশুশিক্ষা