Playlist Audiobooks
শারীরবৃত্তীয় কার্যাবলী
(বিকাশ মনোবিজ্ঞান ১ম খন্ড (Developmental Psychology) EB Harlock|| সুলতানা বানু ||)
StoryPaths with Antor
Description
বাল্যকালের সঙ্গীসাথীর ধরন
বাল্যকালে শিশুদের সহচরদের তিনটি নামে অভিহিত করা যায়। যেমন, ঘনিষ্ঠ সহচর (associate), খেলার সাথী (play mate) অথবা বন্ধু (friends) বিভিন্ন ধরনের সহচর সম্বন্ধে শৈশবের প্রথম পর্যায়ে বর্ণনা করা হয়েছে। বাল্যকালে অপেক্ষাকৃত বড় ছেলে-মেয়ে শৈশবের প্রথম পর্যায়ের মতো শুধু একজন সঙ্গী পেলেই সন্তুষ্ট হয় না। ঘনিষ্ঠ সহচররা পরস্পরের সামাজিক চাহিদা পূরণের উদ্দেশ্যে খেলার সাথী অথবা বন্ধুর ভূমিকা অবশ্যই পালন করবে। এও দেখা যায় যে অপেক্ষাকৃত বড় ছেলে-মেয়ে একই দলের কয়েক জনের সাথে অন্যান্যদের তুলনায় বেশি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে এবং বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে তবুও এসব বন্ধুর সাথে তারা খেলাধূলাও করে।
এ বয়সে মেয়েদের তুলনায় ছেলেদের সমবয়সী সঙ্গীর সংখ্যা অনেক বেশি হয়। একজন দু'জনার সাথে খেলার চেয়ে ছেলেরা একদল সঙ্গীর সাথে খেলতে বেশি পছন্দ করে। বিপরীতভাবে, মেয়েদের বন্ধুত্ব এক অর্থে খুব গভীর কারণ, মেয়েরা প্রায় সব সময় দলগতভাবে না খেলে একজন অথবা দু'জন সঙ্গীর সাথে খেলতে পছন্দ করে (ওয়ালড্রপ, ১৯৭৫। ৫ম অধ্যায় দ্রষ্টব্য)।
বড় ছেলে-মেয়ের বন্ধু নির্বাচন কয়েকটি বিষয়ের উপর নির্ভর করে। সাধারণ দু'জনের মধ্যে মিল থাকলে এবং একে অন্যের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হলে এ বয়সে দু'জনের মধ্যে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। প্রথম দর্শনেই সুন্দর চেহারা এ বয়সের শিশুদের আকর্ষণ করে ফলে যে সব বালক-বালিকার শারীরিক গঠন সুন্দর এবং দেখতে সুন্দর তারাই সাধারণত অন্য একজনের খেলার সঙ্গী অথবা বন্ধু হতে পারে । ১৪,১৮
বয়সের ছেলে-মেয়ের মধ্যে সহজেই বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে। কারণ বালক-বালিকারা একই ক্লাশে পড়াশুনা করা অথবা একই অঞ্চলে গৃহের বাইরে খুব বেশি দূরে যায় না বলে প্রতিবেশী ছেলে-মেয়ের মধ্যে থেকেই সঙ্গী নির্বাচন করে নেয়। অপেক্ষাকৃত বড় ছেলে-মেয়েদের মধ্যে স্কুলের সতীর্থদের মধ্যে থেকে সঙ্গী নির্বাচনের প্রবণতা অত্যন্ত বেশি হতে বসবাস করার ফলে......
#বাল্যকালেসঙ্গীসাথীনির্বাচন
#বিকাশমনোবিজ্ঞান