বিকাশ মনোবিজ্ঞান
৪.২৮ বিভিন্ন প্রকার বিপত্তি
শারীরিক বিপত্তিসমূহ: দৈহিক বিপত্তি সব শিশুর পক্ষেই মারাত্মক তবুও
বিশেষ করে যেসব শিশু অপরিণত অবস্থায় জন্মগ্রহণ করে, যাদের মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত বা অন্য কোন জন্মকালীন ত্রুটির অধিকারী, যে সব শিশু জন্ম থেকেই দৈহিক বিকাশ পশ্চাৎপদ ও দুর্বল স্বাস্থ্যের অধিকারী সেসব শিশুর ক্ষেত্রে বিপত্তিগুলো মারাত্মক হয়ে ওঠে। শারীরিক বিপত্তিগুলোর মধ্যে (Miredith) নিম্নলিখিত বিপত্তিসমূহ উল্লেখযোগ্য।
(ক) শিশুর মৃত্যু: মেরেডিথের মতে, দুই বছরের শেষ পর্যায়ের চেয়ে প্রথম তিন মাসের মধ্যে বেশি শিশু মারা যায়। এক বছর বয়সে মৃত্যুর হিসেব গণনায় দেখা যায় যে দুই তৃতীয়াংশ শিশু এক মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই মারা যায়।
এক বছর বয়সে সাধারণত শিশুরা নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।
দ্বিতীয় বছরে দুর্ঘটনায় মৃত্যু বেশি হয়। দু'বছরের সময় মেয়েদের তুলনায় ছেলে শিশুর মৃত্যু সংখ্যা বেশি হয় বলে জানা যায়। ৩ ৩৪,৪৭
(খ) দোলনায় মৃত্যু (crib death): স্বাভাবিক, সুস্থ শিশুদেরও মাঝে মাঝে হঠাৎ মারা যাওয়ার ঘটনা শোনা যায়। চিকিৎসাশাস্ত্রেও শিশুদের এরকম মৃত্যুকে দোলনায় মৃত্যু (crib death) বলা হয়। এরকম মৃত্যুর সময় শিশুদের এক নাগাড়ে অনেকক্ষণ একটানা ঘুমাতে দেখা যায়।৫০ এখন পর্যন্ত চিকিৎসকেরা দোলনায় শিশু মৃত্যুর কারণ সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে পারেন নি। তবে দেখা গিয়েছে যে জন্মের পরে যেসব শিশুর শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হয় অথবা জন্ডিস অথবা এজাতীয় অসুখে আক্রান্ত হয় তাদের মধ্যে এরকম মৃত্যুর সংখ্যা বেশি। এও জানা যায় যে জন্মের পরপরই যাদের বেশ কিছুদিন অক্সিজেন দিয়ে রাখা হয় তাদের মধ্যেও এভাবে মারা যাওয়ার ঘটনা বেশি। ৫০,৭৬ জন্মের প্রথম ছয় মাসের চেয়ে পরবর্তী ছয়মাসে শিশু দোলনায় বেশি মারা যায়। একইভাবে দ্বিতীয় বছরের শেষ দিকের চেয়ে শুরুতে মৃত্যুর সংখ্যা বেশি হয়। এভাবে মেয়ের তুলনায় যে বেশি মারা যায় এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায় নি। একইভাবে আর্থসামাজিক অবস্থাভেদে দোলনায় মৃত্যুর তারতম্য সম্পর্কে কোন বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য নেই। ৭৬
(গ) রোগ: পরিপাক ও শ্বাস-প্রশ্বাসের জটিলতার কারণে আঁতুড়কালে যে অনেক শিশুর মৃত্যু হয় তা সত্যি বলে মেনে নিলেও দেখা যায় যে আজকাল মারাত্মক রোগ প্রতিষেধক টিকা ও ইঞ্জেকশন নির্দিষ্ট সময়ে..........
#শিশুরযত্ন
#শিশুরসমস্যা
#শৈশবকালীনশিশুদেরসময়স্যা
#বিকাশমনোবিজ্ঞান