শিশুর পেশীশক্তির বিকাশের সময়ের যত্ন || Developmental Psychology || Psychological audiobook bangla ||

Description

বিকাশ মনোবিজ্ঞান
৪.৪ প্রাক-শৈশবের দৈহিক বিকাশ

জীবন-প্রসরের যে দুটি বয়সে দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি সংঘটিত হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে প্রাক-শৈশব এবং অন্যটি বয়ঃসন্ধি। জন্মের পরের ছয়মাস গর্ভাবস্থার মতো দৈহিক বিকাশ দ্রুত চলতে থাকে। তার পরে বিকাশধারা ধীর গতি সম্পন্ন হয় দ্বিতীয় বছরে দৈহিক বৃদ্ধির হার দ্রুত করতে থাকে। প্রথম বছরে উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি পায়, দ্বিতীয় বছরে এর ঠিক বিপরীত হতে দেখা যায়। ২৬,৪৩,৫৪

গর্ভাবস্থা ও শৈশবের সূচনায় পরিলক্ষিত দেহের দ্রুত বৃদ্ধি যদি শিশুর জন্মের পরে ধীরগতি সম্পন্ন না হত তবে শিশু পরবর্তীকালে দৈত্য সদৃশ হয়ে যেত। পরিমাপ করে দেখা গেছে যে, প্রথম বছরে যে হারে শিশুর ওজন বৃদ্ধি.......
.

দু'বছর পূর্ণ হলে সাধারণত সব শিশুই কম বেশি সঠিকভাবে হাঁটতে শেখে। এসময় সকলেই শক্ত খাবার খেতে শেখে এবং শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াও বেশ সাবলীল হয়। মলমূত্র নিষ্কাশন প্রক্রিয়া আংশিক নিয়ন্ত্রণাধীন হয়, যা পরবর্তী দু'এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

অধিকাংশ শিশুর ব্যবহারোপযোগী শব্দসম্ভার (vocabulary) থাকায় ব্যবহৃত শব্দগুলো প্রায় সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে। এ বয়সে শিশুরা সহজ কথা এবং আদেশের অর্থ বুঝতে পারে, এবং কয়েকটি শব্দ প্রয়োগ করে একটি অর্থবিশিষ্ট বাক্য বলতে পারে। তবুও দেখা যায় অন্যের কথার অর্থ এবং নিজেদের কথা অন্যকে বোঝাবার ক্ষমতা তাদের খুব সামান্য থাকে। এ ধরনের অনেক দক্ষতা তারা স্কুলে যাবার পরে অর্জন করে।

এ বয়সে স্নায়ুতন্ত্রের দ্রুত বিকাশ এবং অস্থি ও পেশী শক্তিশালী হওয়ায় শিশুরা প্রাক-শৈশবের উপযোগী বিকাশমূলক কাজ সাফল্যের সাথে সম্পাদন করার দক্ষতা অর্জন করে। অবশ্য, শিশুদের এ সাফল্য নির্ভর করবে এ ব্যাপারে কতটুকু সুযোগ ও সাহায্য তারা পেয়েছে এবং কতখানি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তার উপর।

যেসব শিশু এ বয়সে সমবয়সীদের চেয়ে দেরীতে বিকাশমূলক যোগ্যতা অর্জন করে শৈশবের প্রাথমিক পর্যায়ে তারা পশ্চাদপদ শিশু হিসেবে গণ্য হয়। একটি শিশু পেশী সঞ্চালন ক্ষমতার দিক দিয়ে দুর্বল হতে পারে কিংবা তার মধ্যে কথা বলার নৈপণ্যের অভাব থাকতে পারে। এসব ক্ষমতা অর্জন সমবয়সী দলের সত্ত্য হওয়ার অন্যতম শর্ত। পরবর্তী বয়সে অর্থাৎ শৈশবের সূচনায় এগুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিকাশমূলক কাজ হিসেবে স্বীকৃত।



#অডিওবুক
#
#জন্মপরবর্তীশিশুরযত্ন
#শিশুরদৈহিকবিকাশ
#

Details

420 Views
বিকাশ মনোবিজ্ঞান
৪.৪ প্রাক-শৈশবের দৈহিক বিকাশ

জীবন-প্রসরের যে দুটি বয়সে দ্রুত শারীরিক বৃদ্ধি সংঘটিত হয় তার মধ্যে একটি হচ্ছে প্রাক-শৈশব এবং অন্যটি বয়ঃসন্ধি। জন্মের পরের ছয়মাস গর্ভাবস্থার মতো দৈহিক বিকাশ দ্রুত চলতে থাকে। তার পরে বিকাশধারা ধীর গতি সম্পন্ন হয় দ্বিতীয় বছরে দৈহিক বৃদ্ধির হার দ্রুত করতে থাকে। প্রথম বছরে উচ্চতার তুলনায় ওজন বেশি পায়, দ্বিতীয় বছরে এর ঠিক বিপরীত হতে দেখা যায়। ২৬,৪৩,৫৪

গর্ভাবস্থা ও শৈশবের সূচনায় পরিলক্ষিত দেহের দ্রুত বৃদ্ধি যদি শিশুর জন্মের পরে ধীরগতি সম্পন্ন না হত তবে শিশু পরবর্তীকালে দৈত্য সদৃশ হয়ে যেত। পরিমাপ করে দেখা গেছে যে, প্রথম বছরে যে হারে শিশুর ওজন বৃদ্ধি.......
.

দু'বছর পূর্ণ হলে সাধারণত সব শিশুই কম বেশি সঠিকভাবে হাঁটতে শেখে। এসময় সকলেই শক্ত খাবার খেতে শেখে এবং শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়াও বেশ সাবলীল হয়। মলমূত্র নিষ্কাশন প্রক্রিয়া আংশিক নিয়ন্ত্রণাধীন হয়, যা পরবর্তী দু'এক বছরের মধ্যে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে।

অধিকাংশ শিশুর ব্যবহারোপযোগী শব্দসম্ভার (vocabulary) থাকায় ব্যবহৃত শব্দগুলো প্রায় সঠিকভাবে উচ্চারণ করতে পারে। এ বয়সে শিশুরা সহজ কথা এবং আদেশের অর্থ বুঝতে পারে, এবং কয়েকটি শব্দ প্রয়োগ করে একটি অর্থবিশিষ্ট বাক্য বলতে পারে। তবুও দেখা যায় অন্যের কথার অর্থ এবং নিজেদের কথা অন্যকে বোঝাবার ক্ষমতা তাদের খুব সামান্য থাকে। এ ধরনের অনেক দক্ষতা তারা স্কুলে যাবার পরে অর্জন করে।

এ বয়সে স্নায়ুতন্ত্রের দ্রুত বিকাশ এবং অস্থি ও পেশী শক্তিশালী হওয়ায় শিশুরা প্রাক-শৈশবের উপযোগী বিকাশমূলক কাজ সাফল্যের সাথে সম্পাদন করার দক্ষতা অর্জন করে। অবশ্য, শিশুদের এ সাফল্য নির্ভর করবে এ ব্যাপারে কতটুকু সুযোগ ও সাহায্য তারা পেয়েছে এবং কতখানি নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তার উপর।

যেসব শিশু এ বয়সে সমবয়সীদের চেয়ে দেরীতে বিকাশমূলক যোগ্যতা অর্জন করে শৈশবের প্রাথমিক পর্যায়ে তারা পশ্চাদপদ শিশু হিসেবে গণ্য হয়। একটি শিশু পেশী সঞ্চালন ক্ষমতার দিক দিয়ে দুর্বল হতে পারে কিংবা তার মধ্যে কথা বলার নৈপণ্যের অভাব থাকতে পারে। এসব ক্ষমতা অর্জন সমবয়সী দলের সত্ত্য হওয়ার অন্যতম শর্ত। পরবর্তী বয়সে অর্থাৎ শৈশবের সূচনায় এগুলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিকাশমূলক কাজ হিসেবে স্বীকৃত।



#অডিওবুক
#
#জন্মপরবর্তীশিশুরযত্ন
#শিশুরদৈহিকবিকাশ
#

Related Audio Books

বাংলা দেশের ইতিহাস প্রাচীন যুগ ভূমিকা ও প্রকাশকের কথা। ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত।
বাংলা দেশের ইতিহাস প্রাচীন যুগ ভূমিকা ও প্রকাশকের কথা। ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত ১ম পর্ব
বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন যুগ) ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার রচিত ১ম পর্ব (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার প্রাচীন জনপদ ও সীমানা,(বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ২য় পর্ব।
বাংলার প্রাচীন জনপদ ও সীমানা,(বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ২য় পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাঙালি জাতির উৎপত্তি (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ৩য় পর্ব।
বাঙালি জাতির উৎপত্তি (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার) ৩য় পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের প্রাক আর্যযুগ ও আর্য প্রভাব (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার)৪র্থ পর্ব।
বাংলাদেশের প্রাক আর্যযুগ ও আর্য প্রভাব (বাংলা দেশের ইতিহাস ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার)৪র্থ পর্ব। (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ( বাংলা দেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার পর্ব -৫
বাংলার প্রাচীন ইতিহাস ( বাংলা দেশের ইতিহাস, ড. রমেশ চন্দ্র মজুমদার পর্ব -৫ (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
গুপ্ত শাসন ও গুপ্ত পরবর্তী যুগ (বাংলা দেশের ইতিহাস ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার ৬ষ্ট পর্ব)
গুপ্ত শাসন ও গুপ্ত পরবর্তী যুগ (বাংলা দেশের ইতিহাস ড.রমেশ চন্দ্র মজুমদার ৬ষ্ট পর্ব) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
প্রাচীন পাল সাম্রাজ্য  (বাংলাদেশের ইতিহাস ড. রমেশচন্দ্র  মজুমদার ৮ম পর্ব)
প্রাচীন পাল সাম্রাজ্য (বাংলাদেশের ইতিহাস ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার ৮ম পর্ব) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার পাল সাম্রাজ্যের পতন,বাংলাদেশের ইতিহাস, ড.রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলার পাল সাম্রাজ্যের পতন,বাংলাদেশের ইতিহাস, ড.রমেশচন্দ্র মজুমদার (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, পাল সাম্রাজ্যের পতন (বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার)
বাংলাদেশের প্রাচীন ইতিহাস, পাল সাম্রাজ্যের পতন (বাংলাদেশের ইতিহাস, ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার) (বাংলাদেশের ইতিহাস ডক্টর রমেশচন্দ্র মজুমদার রচিত)
StoryPaths with Antor রমেশচন্দ্র মজুমদার