তরুণ বয়সে পারিবারিক সম্পর্কের রূপ
বয়ঃসন্ধির সাথে পরিবারের সদস্যদের সাথে বয়স্ক ছেলেমেয়ের সম্পর্কের অবনতির জন্য উভয় পক্ষই দায়ী। ছেলেমেয়ে বড় হয়ে উঠার সাথে সাথে সন্তান-সন্ততির যোগ্যতা বিষয়ে মা-বাবা নিজেদের ধারণা পরিবর্তন করেন না।
এর ফলে, বড় ছেলেমেয়ের সাথে শিশুর মত আচরণ করেন। তথাপি বিশেষ বিশেষ পরিস্থিতিতে তারা চান যে, ছেলেমেয়ে পূর্ণবয়স্ক ব্যক্তির মত দায়িত্বশীল হোক।
এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, মা-বাবা ও সন্তান-সন্ততির মনোভাব ও আচরণে প্রজন্মগত ব্যবধান পরিলক্ষিত হয় (generation gap)।
সময় আবর্তনের সাথে সাথে সংস্কৃতিতেও পরিবর্তন হয়। পরিণতিস্বরূপ সামাজিক মূল্যবোধ ও আচরণ ধারায় আমূল পরিবর্তন সূচিত হয়। আবার এখন তরুণ-তরুণী তাদের মা-বাবার (বর্তমানে যারা মধ্যবয়স্ক) চেয়ে উচ্চ শিক্ষা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বেশী সুযোগ-সুবিধা ভোগ করে। এসব কারণে শুধুমাত্র বয়সের পার্থক্যের জন্য নয়, সঠিক অর্থে কৃষ্টির পার্থক্য মা-বাবা ও সন্তান-সন্তুতির মধ্যে বিরাট ব্যবধান সৃষ্টি করেছে। ১৭,৫৮
যৌন-আচরণ বিষয়ক মনোভাবের ক্ষেত্রে মা-বাবা ও সন্তান সন্তুতির চিন্তাধারা ও বিশ্বাসের মধ্যে যে বিরাট ব্যবধান বিদ্যমান আর কোনোদিকে এরকম পার্থক্য দেখা যায় না। আগে উল্লেখ করা হয়েছে যে, বর্তমানে যে যে যৌন-আচরণ তরুণ সমাজের জন্য নিষিদ্ধ বলে বিবেচিত এখনকার মা-বাবার তারুণ্যেও সেসব আচরণ নিষিদ্ধ ছিল।
#তরুণবয়সেরপারিবারিকসম্পর্ক