Description
দুশ্চিন্তা উদ্রেককারী বিষয়সমূহ ;
বড় হওয়ার স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজ আশা করে যে ছেলেমেয়ে তাদের সদ্য বৃদ্ধিপ্রাপ্ত দেহকে গ্রহণ করবে এবং প্রকৃতি প্রদত্ত অপরিবর্তনীয় শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সত্যতা স্বীকার করে নেবে। প্রত্যেক ছেলেমেয়ে প্রাপ্তবয়সে কী রকম দেখতে হবে সে সম্পর্কে একটি নির্দিষ্ট ধারণা নিয়ে বয়ঃসন্ধি অতিক্রম করে। কিন্তু এ সময়ে বাস্তবে সংঘটিত দৈহিক বৈশিষ্ট্য কদাচিৎ কাল্পনিক চেহারার অনুরূপ হয় বলে তা অবশ্যই পুনর্বিবেচনা করতে হবে।
এ ছাড়াও দেখা যায় যে শারীরিক পরিবর্তন সম্পূর্ণ হতে কত সময়ের প্রয়োজন এবং পরিবর্তনের রূপ কী হবে সে সম্পর্কে অধিকাংশ ছেলেমেয়েরা প্রায় অনিভিজ্ঞ। সেজন্য বয়ঃসন্ধির দৈহিক পরিবর্তন ধীরগতিতে চলে তারা মনে করে সে আর বোধ হয় কোনদিন বড় হতে পারবে না। এর সাথে যখন ছেলেমেয়েরা দেখে যে দলের স্বীকৃতি লাভের জন্যে বয়ঃসোপযোগী নতুন আচরণ অবশ্যই করতে হবে তখন সদ্য বৃদ্ধি প্রাপ্ত শরীর সম্বন্ধে উৎকণ্ঠা আরো বেড়ে যায়। বিভিন্ন ছেলেমেয়ে দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি লক্ষ্য করে উদ্বিগ্ন হয়। সাধারণত তারা কোনো একটি শারীরিক বৈশিষ্ট্যকে বিশেষ উল্লেখযোগ্য কিম্বা অসমানুপাত অথবা নিজ লিঙ্গানুযায়ী নয় বিবেচনায় সেটির উপর মাত্রাতিরিক্ত গুরুত্ব আরোপ করে। ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা গড়ন সম্বন্ধে বেশী উদ্বিগ্ন হয়।
বয়ঃপ্রাপ্ত ছেলেমেয়ের নানা ধরনের দুশ্চিন্তাকে দুটি প্রধান শ্রেণীতে বিভক্ত করা যায়। ১. প্রথম শ্রেণীতে রয়েছে দৈহিক বৈশিষ্ট্যের স্বাভাবিকত্ব বিষয়ক দুশ্চিন্তা, এবং ২. দ্বিতীয় শ্রেণীভুক্ত বিষয়গুলো হল লিঙ্গানুযায়ী যথার্থ যৌন-ক্ষমতার অধিকার বিষয়ক দুশ্চিন্তা
১. স্বাভাবিকতা বিষয়ক দুশ্চিন্তা (concems about normalcy): এ জাতীয় দুশ্চিন্তার আধিক্য বর্ণনা করতে গিয়ে হ্যাভিগহার্স্ট (Havighurst, ১৯৭২) বলেছেন যে-বয়ঃসন্ধিকালে "আমি কী স্বাভাবিক?” এ প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা করে না এমন ছেলেমেয়ে বিরল। ছেলেমেয়েরা এ সময় দেহের প্রত্যেকটি পরিবর্তন সম্বন্ধে অতিরিক্ত সজাগ থাকে এবং বড় হয়ে দেখতে কেমন হবে সে সম্বন্ধেও নির্দিষ্ট ধারণা পোষণ করে। তাই ছেলেমেয়েরা যদি মনে করে যে তারা দেখতে সুন্দর নয় অথবা চেহারা...
#দুশ্চিন্তার_কারন