𝒎

𝒎𝒖𝒔𝒍𝒊𝒎𝒂𝒕𝒓𝒊𝒙

June 19, 2026 12:41 PM • 5 views • Original: October 18, 2022 04:50 PM
প্রবন্ধ
সংস্কৃতির যে অর্থ আধুনিকতায় গ্রহণ করা হয়, সেই অর্থ এবং মাপকাঠিতে সবচেয়ে সমৃদ্ধ সংস্কৃতি হল পৌত্তলিক সংস্কৃতি। যেকোন পৌত্তলিক সংস্কৃতি। পৌত্তলিকতার মধ্যে বছর জুড়ে নানা মওসুমের উৎসব থাকে, নাচ-গান, মদ-মাংশ, অবাধ মেলামেশা, বিভিন্ন মিথ আর কল্পকাহিনী থাকে। আধুনিক খ্রিষ্টবাদেরও - বিশেষ করে ক্যাথলিক এবং অর্থোডক্সদের অধিকাংশ উৎসব, অনুষ্ঠান এবং লিটার্জি পৌত্তলিক উৎস থেকে আসা। এই হিসেবে শিরকের মাধ্যমে সাংস্কৃতিক যুদ্ধ সবচেয়ে ভালোভাবে হবার কথা।
.
সাংস্কৃতিক যুদ্ধের আগেও যে ধাপ আসে, তা হল নিজের পরিচয় এবং আকীদাহ-ওয়ার্ল্ডভিউ স্পষ্ট থাকা। আত্মবিশ্বাস থাকা। তাজদীদের প্রথম ধাপ হল দ্বীনের মধ্যে ঢুকে পড়া কুফর, শিরক ও বিদআহ থেকে সরে, খাইরুল কুরুনের পথে ফেরত যাওয়া। পৌত্তলিকতার বদলে ফোক ইসলাম (folk Islam) আকড়ে ধরা না।
.
আমার ধর্মে বারো মাসে তেরো পার্বণ নাই, অন্যের আছে। তাই কুরআন-সুন্নাহর বক্তব্য, সালাফুসসালিহিনের মত, শরীয়াহর সীমারেখা - এগুলো দেখার দরকার নেই - জাস্ট 'বিকল্প সংস্কৃতি' বানানোর জন্য হাতের কাছে যা পাওয়া যায়, তা-ই আকড়ে ধরবো, সব কিছুর ""ইসলামী বিকল্প" তৈরি করবো - এধরণের চিন্তা ভাবনা থেকে প্রচণ্ড আত্মপরিচয়ের সংকটই প্রকাশ পায়।
.
এভাবে ইসলাম ছেড়ে 'ফোক ইসলামের' দিকে ছুটলে হারাম, বিদআহ থেকে শুরু করে শিরকের মাধ্যমেও সাংস্কৃতিক যুদ্ধ করা যায়। তবে সেটা কোন সংস্কৃতি সেটা হল প্রশ্ন। নড়বড়ে ভিত্তির ওপর প্রাসাদ বানালেও সেটা নড়বড়েই হয়।

Asif Adnan
9 October 2022

( Collected from fb )
Back to Archive
Related Posts
Related Books (PDF)