কালিমা যখন ওয়ালমেটে থাকে, তখন সমস্যা থাকে না। কারণ সেই কালিমা তো জাস্ট ডেকোরেশন।
কালিমা যখন সিএনজিতে টাঙিয়ে রাখা হয়, তখনও সমস্যা নেই। কারণ সেটা তো এক প্রকার নিষ্ক্রিয় আধ্যাত্মিকতা।
এমনকি কালিমা লেখার ফন্টেও সমস্যা না। অসংখ্য ওয়ালমেটে এই ফন্টেই কালিমার ডিজাইন করা হয়।
কালিমা কখন সমস্যা হয়ে ওঠে?
কালিমা তখন সমস্যা, যখন এ কালিমা তুলে ধরা লোকরা তাগুতকে অস্বীকার করার আহ্বান জানায়।
কালিমা তখন সমস্যা, যখন কালিমার শিক্ষায় আল্লাহ বাদে যেকোনো বিধানদাতা, হুকুমদাতাকে অস্বীকার করা হয়।
কালিমার পতাকা কেন সমস্যা?
কালিমার পতাকা কালিমাকে শুধু ডেকোরেশন বানিয়ে রাখতে অস্বীকৃতি জানায়।
কালিমার পতাকা কালিমাকে নিষ্ক্রিয় আধ্যাত্মিকতায় কিংবা মসজিদে আটকে না রেখে সমাজে নিয়ে আসে।
কালিমার পতাকা রাষ্ট্রের অথরিটিকে প্রশ্ন করে।
কালিমার পতাকা আল্লাহর দ্বীন বাদে অন্য যেকোনো তন্ত্র-মন্ত্রের কর্তৃত্বকে প্রত্যাখ্যান করে, অস্বীকার করে।
কালিমার পতাকা নিয়ে এজন্য তাদের সমস্যা।
কালিমার পতাকার রঙ বদলানো, ফন্ট বদলানো—এগুলো এজন্যই অর্থহীন আলাপ। কারণ তাদের মূল সমস্যা কালিমার পতাকা দেখতে কেমন তা নিয়ে না।
সাইয়েদ কুতুবের ফাঁসির আগে উনাকে কালিমা পড়াতে, তওবা করাতে এক আলিমকে পাঠায় রাষ্ট্র।
উনি হেসে বলেন, "যে কালিমা তোমার রুটিরুজি যোগায়, সে কালিমার বার্তা প্রচারের জন্য আমাকে ফাঁসিতে ঝোলানো হচ্ছে।"
কালিমার সাথে কুফফারদের সমস্যা আজীবন থাকবে।
মেনে নিন। ক্ষমা চাওয়া বন্ধ করুন।
কালিমার পতাকা ভার অনেক বেশি। প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম, দেশ থেকে দেশে এ পতাকা গুঁড়িয়ে দিয়েছে তাগুতের প্রাসাদ। দ্বীনকে পৌঁছে দিয়েছে বিশ্বের সকল প্রান্তে।
শুধু পাহাড়সম ঈমান, ইস্পাতকঠিন ব্যক্তিত্বের লোকেরাই তা সত্যিকার অর্থে বহন করতে পারে।