বিবি তালাকের ফতোয়ায় নজরুলের সমস্যা ছিল। এই মাসয়ালা নিয়ে তার ব্যক্তিগত কনসার্ন ছিল। কিন্তু মুসলমানের কিয়ামত পর্যন্ত বিবি তালাকের মাসয়ালা লাগবে, কারণ সে বৈধ বিবাহিত জীবন চায়৷ চাঁদে যাওয়া নিয়ে মুসলমানের যত মাথাব্যথা, তারচে বেশি মাথাব্যথা বউ নিয়ে। এটাই জীবনের সৌন্দর্য। সে তো লিভ ইন করবে না, যখন তখন যার তার সাথে শুয়ে পড়তে যাবে না।
বৈধ বউকে বিয়ের রাতে ছেড়ে গিয়ে ওঠেন হিন্দু "মায়ের " বাড়ি। সেখানে মায়ের কন্যার সাথে অবৈধ সম্পর্ক এমনদিকে গড়ায় যে - এরপর জেলে যান ও সেখান থেকে বেরিয়ে সোজা বিয়ের পিড়িতে বসার পরেও প্রমীলা দেবী প্রথম সন্তান জন্ম দেন বিয়ের ৬ মাসের মাথায়। কী নিদারুণ স্পর্ধা দেখিয়ে তিনি সেই সন্তানের নাম রাখেন কৃষ্ণ মোহাম্মদ। নাউজুবিল্লাহ।
বাংলা একাডেমির এক পরিচালক, নজরুল গবেষক এই সন্তানকে অবৈধ বলে হাসিনা আমলে চাকরি খুইছেছিলেন।
১৬ বছর পর প্রথম স্ত্রী তালাক চাইলে তখন রোমান্টিকতা উত্থলে ওঠে গান লিখেন, পথ চলিতে " ( গানের কথা কমেন্টে দিব) । রাগ উঠে যায়। কী নির্লজ্জ।
এর বাইরেও নানাবিধ সময় বেশ কয়েকজন নারীর সাথে জড়িয়ে যান। ঢাবির প্রথম নারী ছাত্রীকে উত্যক্ত করার শেষ পর্যায়ে গিয়ে তাঁর গলার চেইন পর্যন্ত ছিড়ে ফেলেন৷ এবং তাঁর হাতে চড় খান। সেই ফজিলাতুন্নেছাকে নিয়ে আবার রুমান্টিক কোবতে ফাঁদেন - বর্ষা বিদায়।
এই যার চরিত্র, তার তো বিবি তালাকের মাসয়ালায় মহাসমস্যা।
ওদিকে, নজরুলের পিতা মারা যান তার কৈশোরে।
সে পরিবারের বড় সন্তান। দুঃখু মিয়ার ফ্যান্টাসি নিয়ে লোটো গান থেকে যাযাবরি করে বেড়ায়৷ যুদ্ধে চলে যায়। মায়ের দিন কেমনে কাটছে কোনো মাথাব্যথা নাই। মা অল্পবয়সী বিধবা৷ নিরাপত্তা ও অভাবে দেবর / ভাসুরকে বিয়ে করে নেন। এই ঘটনা জেনে আবার তার ইগো এমনভাবে আহত হয় যে তিনি আর কোনোদিন মায়ের সাথে কথা বলেন নাই। জেলখানায় গিয়ে বসে থাকতেন মা, কোনদিন দেখা করার প্রয়োজন বোধ করেন নাই। ওদিকে গিরিবালাকে মা মা করে সংসারের কর্ত্রী বানিয়ে রাখেন। বিজ্ঞজনের অভিমত, মায়ের সাথে এই নিদারুণ আচরণের দরুণই তার জবান বন্ধ হয়ে যায়। মায়ের সাথে খারাপ আচরণের ফল যে কোনো মানুষ দুনিয়ায় পেয়ে যায় খানিকটা৷
এই হল জাতীয় কবি। যার উপরের লাইনদুটি নিয়ে অনেক ইসলামমনস্ক মানুষকেও আফসোস করতে দেখি।
ভালো, ভালো। তোমরা মঙ্গলে যাও, কে নিষেধ করছে বাপু!
- আফিফা মারজানা