যেটা বুঝলাম। ইসলামে 'ব্যবসা'র কনসেপ্টই আলাদা। ব্যবসার মধ্যে ইসলাম ঢুকাইলে সেটা হয় 'খিদমতে খালক'। এজন্য সৎ ব্যবসায়ী শহীদদের সাথে হাশর হবে। আর ব্যবসা থেকে ইসলামকে বের করে দিলে হয় 'পুঁজিবাদ', জুলুম।
কলোনিয়াল মানসিকতা ও অভিজ্ঞতা আমাদেরকে চাকরির নিরাপত্তা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে। ব্যবসাকে অনিশ্চিত হিসেবে দেখায়, নেগেটিভ হিসেবে দেখায়। বিপরীতে ইহু.দিরা সন্তানদের শেখায়ই ব্যবসা। খৃস্টানরা ছাত্রবয়সে পার্টটাইম জব খোঁজে, ইহুদিরা খোঁজে পার্টটাইম ব্যবসা। মুসলিমসন্তানদের গণহারে উদ্যোক্তা হবার জন্য উদ্বুদ্ধ করা দরকার।
'ব্যবসা' ইটসেলফ একটা নেক আমল হয়ে দাঁড়ায়। ইসলামে ব্যবসার খুঁটিই হল 'কাস্টমার স্যাটিসফেকশন' ও 'এমপ্লয়ি স্যাটিসফেকশন'। এর পশ্চিমা নাম 'ভ্যালি মানসিকতা'। লাভ-বারাকাহ আসবে আল্লাহ থেকে। পুঁজিবাদ হল উল্টা। কাস্টমার ও এমপ্লয়িকে যতটা সম্ভব কম দিয়ে নিজের লাভ বেশি রাখা।
সমকালীনের 'বিলিয়ন ডলার মুসলিম' বইটা পড়ার অনুরোধ। নামটার ভিতর পুঁজিবাদী পুঁজিবাদী গন্ধ থাকলেও ভিতরে কাহিনী আলাদা। নবিজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমর ইবনে আস রা. কে নসীহত করেছেন ব্যবসায় মন দিতে। কারণ হিসেবে বলেছেন: নেক মানুষের হাতে হালাল মাল থাকা উত্তম। কারণ তা দ্বারা সে আত্মীয়ের হক আদায় করবে।
Dr. Shamsul Arefin
Author of Dubble Standard 1,2,3