অলরেডি দেশে একটা পটেনশিয়্যাল ইয়ং জেনারেশন তৈরি হয়ে গেছে। তারা প্রশ্ন করতে শিখেছে। পাশ্চাত্য সভ্যতার দিকে আঙুল তুলতে শিখে গেছে। মিডিয়ার ডাবল স্ট্যান্ডার্ডবাজী তারা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেয়। সেক্যুলারদের ভাঁড়ামি ও ভন্ডামির ভয়ঙ্কর রূপ তারা উম্মোচিত করে দেয়। মডারেটবাদের মুখোশ তারা টেনে খুলে ফেলে।
একদা হুজুরদেরকে গোঁড়া, পশ্চাৎপদ এবং অজ্ঞ বলে গালি দিত যারা, আজ তারা এই শিকড়সন্ধানী ইয়ং জেনারেশনকে দেখে ভয় পায়। কারন এই ইয়ংদের হাত ধরে দেশে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসে গেছে..
এখন কনসার্টের চেয়ে ওয়াজে বেশি মানুষ হয়। গান-সিনেমা-নাটকের চেয়ে ইসলামিক ভিডিওর ভিয়্যু বেশি হয়, ইসলামিক বইগুলো বেস্টসেলার হয়, ভার্সিটিতে হিমুটাইপ বোহেমিয়ানদের চেয়ে টুপি পাঞ্জাবি পড়া দ্বীনমুখী তরুনের সংখ্যা এখন বেশি।
পরিবর্তন একদিনে আসেনি। দেশে শাহবাগ পরবর্তী এই ইউটার্ন ছিল অনেকগুলো অনুঘটকের একটা অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। এর মধ্যে অন্যতম ফ্যাক্টর ছিল কলমযুদ্ধ।
সাম্প্রতিককালে এদেশে ইসলাম প্রচার ও প্রসারে বেশ কিছু তরুণ লেখক গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা রেখেছেন। এইসময়ে তারা এদেশের জন্য আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত বলেই আমি মনে করি। তাদের মধ্যে বিশেষ দুজন: ডা. Amiruzzaman Muhammad Shamsul Arefin ও মাওলানা Abdullah Al Masud হাফিজাহুমুল্লাহ।
আনন্দের বিষয় হল, আগামী ০২ নভেম্বর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, বেগমগঞ্জ, নোয়াখালী ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিতব্য ইসলামিক কনফারেন্সে তারা উভয়েই আসছেন। তরুণদের জন্য বেশ ইফেক্টিভ একটা অনুষ্ঠান হবে বলে আশা করছি। একজন আগ্রহী শ্রোতা হিসেবে প্রোগ্রামে আমিও থাকার নিয়ত করেছি।
আপনিও আমন্ত্রিত।