অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : সেইশি ইয়াকোমিজো
প্রকাশনী : (তথ্যটি উপলব্ধ নয়)
বিষয় : রহস্য, গোয়েন্দা কাহিনী
ভাষা : বাংলা
১৯৩৭ সাল। জাপানের ওকামুরা গ্রামে এক জমকালো বিয়ের আয়োজন চলছিল। ইচিইয়ানাগি পরিবারের বড় ছেলে কেঞ্জোর বিয়ে উপলক্ষ্যে গ্রামজুড়ে আনন্দের বন্যা। কিন্তু এই উৎসবের মাঝে এক অশুভ ছায়া নেমে আসে। শোনা যায়, এক রহস্যময় ব্যক্তি নাকি গ্রামে কেঞ্জোকে খুঁজছে। বিয়ের রাতে সেই উদ্বেগ সত্যি হয়। এক ভয়ানক চিৎকারে গ্রামের মানুষের ঘুম ভাঙ্গে। বাইরে তখন ভেসে আসছে ভুতুড়ে কোটো বাদ্যযন্ত্রের সুর। ওকামুরা গ্রামে মৃত্যুর दस्तक! অপরাধী ঘরের বাইরে বরফের উপর রক্তমাখা তলোয়ার পুঁতে রেখে যায়, সাথে রেখে যায় তার তিন আঙুলের ছাপ।
এই বীভৎস হত্যাকাণ্ডের তদন্তে ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছান কিংবদন্তি গোয়েন্দা কোসুকে কিনদাইচি। প্রথমিকভাবে ঘটনাটিকে সাধারণ খুন মনে হলেও, কিনদাইচি দ্রুতই বুঝতে পারেন যে এটি তার পেশাগত জীবনের অন্যতম কঠিনতম চ্যালেঞ্জ। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব এই রহস্যের জট কি তিনি খুলতে পারবেন? নাকি কোটো বাদ্যযন্ত্রের সেই ভৌতিক সুরের কাছেই তাকে হার মানতে হবে? এই উপন্যাসে সেইশি ইয়াকোমিজো এক টানটান উত্তেজনাপূর্ণ রহস্যের জাল বুনেছেন, যেখানে প্রতিটি বাঁকে রয়েছে অপ্রত্যাশিত মোড়।
'দ্যা হেনজিন মার্ডারস' শুধু একটি খুনের কাহিনী নয়, এটি এক মনস্তাত্ত্বিক লড়াই, যেখানে প্রাচীন প্রথা, পারিবারিক ষড়যন্ত্র এবং প্রতিশোধের এক জটিল আখ্যান ফুটে উঠেছে। কোসুকে কিনদাইচির তীক্ষ্ণ বুদ্ধি এবং অভিনব তদন্ত পদ্ধতি পাঠককে শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত আটকে রাখবে। ইয়াকোমিজোর লেখনীর জাদুতে পাঠক এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতার সাক্ষী হবেন, যেখানে প্রতিটি চরিত্রই সন্দেহভাজন এবং সত্য উদঘাটন এক কঠিন পরীক্ষার সামিল।
SEO Tags: দ্যা হেনজিন মার্ডারস, সেইশি ইয়াকোমিজো, জাপানি রহস্য উপন্যাস, গোয়েন্দা কিনদাইচি, কোতো বাদ্যযন্ত্র, ওকামুরা গ্রাম, ইচিইয়ানাগি পরিবার, রহস্য গল্প, থ্রিলার, বাংলা বই, ক্রাইম ফিকশন, murder mystery, Japanese detective fiction, Kosuke Kindaichi.
✍️ সেইশি ইয়াকোমিজো
১৯৩৭ সালের কথা। ওকামুরা গ্রামের সম্ভ্রান্ত ইচিইয়ানাগি পরিবার এর বড়োছেলে কেঞ্জোর বিয়ে হতে যাচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই গোটা গ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু এরকম আনন্দময় পরিবেশের মধ্যে একটা উদ্বেগজনক গুজব ছড়িয়ে পড়েছে—এক সন্দেহজনক ব্যক্তি নাকি গ্রামে তার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছে।
বিয়ের রাতে এক বীভৎস চিৎকার, তারপর গা শিরশির করা কোতো বাদ্যযন্ত্রের সুরে ইচিইয়ানাগি পরিবারের ঘুম ভেঙ্গে গেল। ও কীসের শব্দ?
ওকামুরা গ্রামে মৃত্যুর আগমন ঘটেছে। খুনী তার চিহ্ন হিসেবে ঘরের বাইরে রক্তমাখা একটা তলোয়ার বরফে গেঁথে রেখে গিয়েছে। আর রেখে গিয়েছে তার তিন-আঙ্গুলের ছাপ।
অতি শীঘ্রই বিখ্যাত ডিটেকটিভ কোসুকে কিনদাইচি’র ঘটনাস্থলে আগমন ঘটলো। শুরুতে খুবই সাধারণ একটা হত্যাকাণ্ড ভাবলেও ধীরে ধীরে সে বুঝতে পারলো, এ কেসটা তার জীবনের সবচেয়ে কঠিনতম কেসগুলোর একটি হতে যাচ্ছে। আপাতদৃষ্টিতে অসম্ভব এ কেসের সমাধান কি সে আদৌ খুঁজে বের করতে পারবে? নাকি কোতো বাদ্যযন্ত্রের মধুর শব্দের কাছে সে বাধ্য হবে পরাজয় মেনে নিতে?
শেয়ার: