অনলাইনে পড়ুন (Read Online)
অনলাইন পিডিএফ রিডার
বইটি সরাসরি ব্রাউজারে লোড করে পড়তে নিচের বোতামে ক্লিক করুন। এতে আপনার ডেটা ও ইন্টারনেট সাশ্রয় হবে।
Description & Reviews
AI Book Summaryলেখক : ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি
বিষয় : ইসলাম, নবি প্রেম
আমাদের হৃদয় এমনভাবে তৈরি যে তা অন্যের সংস্পর্শে ততটা উদ্দীপ্ত হয় না, যতটা হয় নবীজির (সাঃ) সংস্পর্শে। আমাদের সমস্ত আবেগ, ভালোবাসা, এবং অনুভূতি এই একটি নামের মধ্যেই কেন্দ্রীভূত হয়ে ওঠে। এইখানে এসে আমরা কোনো আপস করতে রাজি নই। মুহাম্মদ (সাঃ) আমাদের সম্মান, আমাদের আত্মমর্যাদা। তাঁকে ছেড়ে আমরা জান্নাতে যেতেও প্রস্তুত নই।
অনেকেই তাঁদের প্রিয় নবীজির (সাঃ) রওজা (মাজার) জিয়ারত করেছেন। যারা রওজা স্বচক্ষে দেখেছেন, বা রিয়াজুল জান্নাতে (জান্নাতের বাগান) দুই রাকাত নামাজ আদায় করেছেন, কেবল তারাই জানেন হৃদয় তখন কেমন অবস্থায় থাকে। প্রতিটি মুহূর্তে মনে হয়, হৃদয় যেন ওই সবুজ গম্বুজের সঙ্গে বাঁধা পড়ে গেছে। যদি ফেরার তাড়া না থাকত, কতই না ভালো হতো! একইভাবে, বাইতুল্লাহ (কাবা শরীফ) দেখলে চোখের পানি আপনাআপনি ঝরতে থাকে। মনে হয়, জীবনটা এখানেই কাটিয়ে দিই। "আমি কাবার ছায়ায় শুয়ে আছি, কেন আমাকে জাগানো হবে! আমি জান্নাতের টুকরায় আশ্রয় নিয়েছি, কেন আমাকে ভিসার কথা বলে তাড়া দেওয়া হবে!" এমন অনুভূতি হৃদয়কে আচ্ছন্ন করে ফেলে।
'পরানবন্দী' বইটি ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি রচিত একটি অনবদ্য সৃষ্টি, যা পাঠকের আত্মিক জগতের গভীরে আলোড়ন সৃষ্টি করবে। এই বইয়ে লেখক অত্যন্ত হৃদয়গ্রাহী ভাষায় তুলে ধরেছেন আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এবং তাঁর পবিত্র রওজার প্রতি ভালোবাসার অনির্বচনীয় অনুভূতি। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন কিভাবে আমাদের হৃদয় কেবল নবীজির (সাঃ) সান্নিধ্যেই পূর্ণতা লাভ করে এবং কিভাবে তাঁর প্রতি ভালোবাসা আমাদের জীবনের সকল কিছুর ঊর্ধ্বে স্থান পায়। বইটি কেবল একটি ধর্মীয় গ্রন্থ নয়, এটি এক আত্মিক যাত্রার প্রতিচ্ছবি, যা পাঠকের মনে গভীর আধ্যাত্মিক উপলব্ধি জাগিয়ে তুলবে। যারা নবীজির (সাঃ) প্রতি গভীর ভালোবাসা পোষণ করেন এবং তাঁর সান্নিধ্য লাভের আকাঙ্ক্ষা রাখেন, তাদের জন্য এই বইটি এক অমূল্য সম্পদ।
SEO Tags: পরানবন্দী, ডা. শামসুল আরেফিন শক্তি, নবি প্রেম, ইসলাম, আত্মিক উন্নয়ন, আধ্যাত্মিকতা, রওজা, মদিনা, মক্কা, বাইতুল্লাহ, কাবার প্রতি ভালোবাসা, ইসলামিক বই, বাংলা ইসলামি বই।
✍️ ডা শামসুল আরেফিন শক্তি
আমাদের অন্তরকে বানানোই হয়েছে এইভাবে। এই দিল অন্যকারও সংস্পর্শে ততটা উজ্জীবিত হয় না, যতটা হয় নবিজির ক্ষেত্রে। আমাদের আবেগ-ভালোবাসা-শিহরন সব উথলে ওঠে এই একটা নামের মধ্যেই। এইখানে এসে আমরা কোনো ছাড় দিতে রাজি না। মুহাম্মাদ স. আমাদের সম্মান, আমাদের গাইরত। তাঁকে ছেড়ে আমরা জান্নাতে যেতেও রাজি না।
নবি-প্রেমিক অনেক মানুষ সফর করেছেন তাঁর রওজায়। রওজাকে একবার যে স্বচোক্ষে দেখেছে, রিয়াজুল জান্নাতে যে একবার দুই রাকাত নামাজ পড়েছে, সে জানে দিলের হালত কেমন হয়। প্রতিটি মুহূর্তে, প্রতিটি ক্ষণে মনে হতে থাকে—হৃদয়টা বান্ধা আছে এই সবুজ গম্বুজের মধ্যে। আর যদি ফেরা না লাগত! কেউ যদি এসে তাড়া না দিত! আহ, কতই-না ভালো হতো! আর বাইতুল্লাহকে দেখে তো চোখের পানি অটোমেটিক ঝরতে থাকে। মনে হয় জীবনটা এখানেই কাটিয়ে দিই। “আমি শুয়ে আছি কাবার ছায়ায়, কেন আমাকে জাগিয়ে দেওয়া হবে! আমি আশ্রয় নিয়েছি জান্নাতের টুকরায়, কেন আমাকে ভিসার কথা বলে তাড়া দেওয়া হবে!” মন মানে না।
জইন: