‘স্কুল-কলেজ বা ভার্সিটিতে অথবা কোচিংয়ে ক্লাসের ওযুহাতে অনেকেই জামাতে নামাজ ছেড়ে দেন। এমনকি কেউ কেউ নামাজই ছেড়ে দেন। তাদের ওযুহাত হলো, ক্লাস চলাকালীন নামাজের ছুটি পাওয়া যাবে না। এটা শয়তানের মারাত্মক একটি ধোঁকা।
এখানে একটি মৌলিক কথা হলো, ঈমানের পরে নামাজের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এমনকি সম্মুখ যুদ্ধ চলাবস্থায়ও যদি নামাজের সময় এসে যায়, তখনো সালাতুল খাওফ নামে নামাজের ভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে। যোদ্ধাগণ পর্যায়ক্রমে এসে নামাজ পড়ে যাবেন। তো যুদ্ধের চেয়েও মারাত্মক অবস্থা তো ক্লাসে থাকে না! মোটকথা, দুনিয়াবি কোনো ওযুহাতে নামাজ ত্যাগ করার অনুমতি শরীয়ত কোনোভাবেই দেয় না। হোক সেটা ব্যবসা-বাণিজ্য অথবা ক্লাসের ব্যস্ততা। তাই হয়তো স্যারকে বলে নামাজের সময় নামাজ আদায় করতে হবে। অন্যথায় ফরজ হুকুম বাদ দিয়ে ক্লাস করার বিন্দুমাত্র অনুমতি শরীয়ত দেয় না।’
শয়তানের ধোঁকা পাণ্ডুলিপি থেকে...