ইনকিলাব সেন্টারের এই ক্যাঁচাল আগেই অনুমেয় ছিল। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো অন্য জায়গায়। তারা যে কয়েকদিন আগেই অর্ধ কোটি টাকার খয়রাত তুলল অনলাইন থেকে, সেটা কেন নিল এই শেষ মূহুর্তে এসে?
তাদেরকে খয়রাত দেয়া যাবে কি না আমি সেই আলাপে যাচ্ছি না। এই খয়রাতের বিরুদ্ধে আমি। তবে যারা দিয়েছে, তারা তো জাবের-ঝুমাকে দেখেই দিয়েছে। এখন যে এটা হাদীর স্বার্থপর খয়রাতি পরিবারের হাতে যাবে, এটা জানলে তো কেউই ১টাকাও দিত না। সুতরাং এখন তাদের উচিত এই টাকা ফিরিয়ে দেয়া।
হাদীর মৃত্যুর এতদিন পরে এসেও ইনকিলাব সেন্টারের ওয়ারিশ নিয়ে ক্যাঁচালের মূল কারণ একটাই। বললে অনেকে রাগ করতে পারেন। তবুও বলি, যেহেতু আমি নিজেও বরিশালের লোক। বরিশালের খুব কম পরিবারই আছে, যাদের মিরাছ নিয়ে কোনো ঝামেলা নেই। এটা বরিশালের ঐতিহ্যবাহী ব্যাপার।
এমন স্বার্থান্বেষী ও পরশ্রীকাতর অঞ্চল দেখিনি আমি। তাই ইনকিলাব সেন্টারের মতো এত লাভজনক একটা প্রতিষ্ঠানকে হাতছাড়া করবে কেন তার হতচ্ছাড়া পরিবার? এটাই মূল কাহিনি।
আল্লাহ হাদীর ওপর রহম করুন। তাকে মাফ করে দিন।