আয়নাঘর | Trailer | Revive your Iman

Description

পাঠক_অনুভূতি

আদরের মেয়ে বড় হয়ে গেছে। সেই ছোট্ট মেয়েটি এখন বালেগা হয় গেছে। দ্বীনের আদেশ নিষেধগুলো মেনে চলা এখন ওর উপর ফরয। কিন্তু এক বছর গেল, দুই বছর গেল, মেয়ে পর্দা করছে না।

আপনি কেন মেয়ের সাথে এখনো এ নিয়ে কথা বলছেন না?

'ওর পর্দা করার নিয়্যাত আছে, আমি জানি। তবে আমি এখনই ওকে জোর করতে চাই না।

আপনি জোর করতে চান না?!

আচ্ছা যখন ওকে টীকা দেওয়ার সময় হয়েছিল তখনো কি একই কথা বলেছিলেন? এইভাবে চিন্তা করেছিলেন? নাকি তখন 'জোর' করেছিলেন? বসন্ত, চিকেনপক্স, পোলিও - এগুলো কি জাহান্নামের আগুনের চেয়েও ভয়ংকর? মেয়েকে টীকা দেওয়া আপনার দায়িত্ব, কিন্তু জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে বাঁচানো আপনার দায়িত্ব না?

মহান আল্লাহ্ কি বলেন নি,

"হে ঈমানদারগণ,তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবার পরিজনকে আগুন থেকে বাঁচাও,যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর।"
[সূরা আত-তাহরীম:৬]

দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা কোনো ঘরের দিকে মেয়েকে এগিয়ে যেতে দেখলে আপনি কি তাকে থামাবেন না? নাকি তখনো বলবেন, 'আমি ওকে "জোর" করতে চাই না।"

অথচ জাহান্নামের আগুনের তুলনায় পৃথিবীর আগুন তো কিছুই না। মনে করুন, আপনার আদরের মেয়েটা কোনো অসুখ হয়েছে। আপনি ওর কাছ ছাড়া হলেই অসুখ বেড়ে যাবে। এমন অবস্থায় আপনি কি তাকে চোখের আড়াল করবেন? আপনি কি দু এক বছরের জন্য ওর কাছ থেকে দূরে চলে যাবেন, "যাতে ও নিজে নিজে সুস্থ হতে শেখে"?

তাহলে পর্দার ক্ষেত্রে কেন ও' নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়া 'র জন্য অপেক্ষা করছেন?

নাকি আপনি মনে করেন, আজ যেসব গুনাহ সে কামাচ্ছে আল্লাহর সামনে সেগুলোর হিসেবে দেয়ার চেয়ে দুনিয়ার সামান্য অসুখ বিসুখ বেশি গুরুতর?

আসলে বাস্তবতা কি জানেন?

আল্লাহর হুকুমকে আপনি ছোট করে দেখেছেন, তাই আপনার সন্তানও ছোট করেই দেখবে। আল্লাহর আদেশ ও বিধানের তেমন কোনো গুরুত্ব আপনার কাছে নেই। তাই আপনার মেয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে না। মা বাবা যদি ছোটবেলা থেকে সঠিকভাবে লজ্জাবোধ ও শালীনতা এর শিক্ষা নিতে,মেয়েকে আল্লাহর আনুগত্য করা শিখাতো, ইসলামের বুঝের উপর ওকে বড় করতো, তাহলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সে নিজে থেকেই পর্দার ব্যাপারে সচেতন হতো। কিন্তু তা করা হয়নি।

তাই না?

নিজের বুকে হাত রেখে বলুন তো কথাটা ঠিক না বেঠিক?

ঠিক আছে,এগুলো তো অনেক আগের কথা। এখন আর এসব বলে লাভ নেই। কিন্তু যখন সে বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ করেছিল তখন কি করেছিলেন? তখন কি ওকে কাছে ডেকে বলেছিলেন,

'মা তুমি তো বড় হয়ে গেছ, মাশাআল্লাহ। আল্লাহর ইচ্ছায় তুমি এখন নারী হতে যাচ্ছ। চলো তোমার জন্য কিছু বোরকা কিনে আনি।আল্লাহ্ তোমাকে পর্দা করতে বলেছেন। এ পর্দা তোমাকে করবে সম্মানিত ও নিরাপদ।'

আল্লাহর অনুগত বান্দার মতো একবার যদি কথাগুলো ওকে বলতেন! সে যদি আপনাকে আল্লাহর আনুগত্য করতে দেখতো,তাঁর মহত্ত্বের ঘোষণা দিতে দেখতো! সে যদি আপনাকে দেখতো আল্লাহর বিধিবিধানগুলো আন্তরিকভাবে আঁকড়ে ধরতে, তাহলে এই মনোভাব তার মাথায় গেঁথে যেত।

কিন্তু আপনি যদি আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে লজ্জিত হন,আমতা আমতা করে কথা বলেন যদি আপনার কথায় ঈমানের শক্তি ও নিশ্চিত বিশ্বাসের ছাপ না থাকে,তাহলে ওর অবস্থাও হবে নড়নড়বড়ে। ও ধরে নেবে, এটা হয়তো ঐচ্ছিক কোনো ব্যাপার। যা ইচ্ছে হলে মানা যায়, ইচ্ছে হলে ছাড়া যায়।

আপনি যদি ওকে বলেন, "আমি চাই তুমি নিজ থেকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নাও।আমি তোমার উপর জোর করতে চাই না",তাহলে সেটাই হবে সরাসরি আল্লাহর কালামের সাথে সাংঘর্ষিক।এর মাধ্যমে আপনি আল্লাহর হুকুমকে অবজ্ঞা আর তাচ্ছিল্য করেছেন। আর এই মনোভাব সংক্রমিত হচ্ছে আপনার মেয়ের মনেও।

আল্লাহ্ বলেন,

আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল কোনো নির্দেশ দিলে কোনো মুমিন পুরুষ ও নারীর জন্য নিজেদের ব্যাপারে অন্য কিছু এখতিয়ার করার অধিকার থাকে না। আর যে আল্লাহ্ ও তার রাসূলকে অমান্য করল সে স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।
[সূরা আল আহযাব:৩৬]

আয়নাঘর
ইয়াদ আল কুনাইবী

আমি যখন এই টপিকটা পড়তেছিলাম, চিন্তা করছিলাম লেখক কত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় দিয়ে আমাদের সামনে পর্দার মহত্ত্বকে প্রেজেনটেশন করছেন। একটু খেয়াল করলে আমরা দেখবো,শিশুরা কিন্তু অনুকরণপ্রিয়, সে তার পিতামাতাকে যা করতে দেখবে তাই করবে। এবং এই সময় তাদেরকে যা শেখানো হয় তা দ্রুত শেখে ফেলে। এখন,ওরা যদি দেখে তাদের পিতামাতা আল্লাহর আনুগত্য করছে না, তার বিধিবিধান মানছে না, বা একবার মানলো তো আরেকবার মানলো না তখন সে আস্তে আস্তে বড় হতে হতে ধরে নিবে সেই বিধিবিধানগুলো মনে হয় ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
পিতামাতা আমাদের জীবনের লক্ষ্য পৌঁছানোর জন্য আমাদেরকে কিন্তু পড়ালেখার উপর জোরেশোরে তাগাদা দেন। যখন পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ আসে তখন বকা দেয় বা মারেন। কেন? কারণ তারা আমাদেরকে উন্নতির শিখরে আহরোণ করাতে চান, দেখতে চান একটা প্রতিষ্ঠিত লেভেলে। এই লেভেলে যাওয়ার জন্য কত কিছুই তো তারা করছেন।

কিন্তু যেখানে আমাদের চিরস্থায়ী গন্তব্য, যেখানে চূড়ান্ত সাফল্য তার জন্য কি কিছু করছেন?

আর আমাদের মধ্যে যাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য শেখানোর পরেও তাঁর অবাধ্যতা করছি, আমরা কি একবারও ভেবে দেখি না আমাদের কবরের জীবনের কথা।

ওহে আমার বোনেরা ,শুধুমাত্র কাফনের কাপড়কেই তোমাদের জীবনের প্রথম হিজাব হতে দিও না।

"আয়নাঘর" বইটির অংশবিশেষ নিয়ে চিন্তাশীল অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন বোন রাইসা রশিদ। আল্লাহ উনার চিন্তায় ও কাজে বারাকাহ দান করুন। আমীন।
.
বই - #আয়নাঘর
মূল - ড. ইয়াদ কুনাইবী
অনুবাদ - ইলমহাউস অনুবাদক টিম
সম্পাদনা - #Asif_Adnan
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ২০০
নির্ধারিত মূল্য - ২০০ টাকা

আয়নাঘর পেতে অর্ডার করুন নিচের লিংকগুলোতে -
১। ওয়াফিলাইফ - https://tinyurl.com/ybadov8v
২। আদ দ্বীন শপ - https://tinyurl.com/y8vqs9dd
৩। ইন্সপায়ার শপ - https://tinyurl.com/yatxv8wz
৪। #রকমারি - https://tinyurl.com/y83naecq
৫। আল ফুরক্বান - https://tinyurl.com/y74jge22



ইলমহাউস পাবলিকেশন - https://www.facebook.com/IlmhouseBD/

Playlists

Details

617 Views
পাঠক_অনুভূতি

আদরের মেয়ে বড় হয়ে গেছে। সেই ছোট্ট মেয়েটি এখন বালেগা হয় গেছে। দ্বীনের আদেশ নিষেধগুলো মেনে চলা এখন ওর উপর ফরয। কিন্তু এক বছর গেল, দুই বছর গেল, মেয়ে পর্দা করছে না।

আপনি কেন মেয়ের সাথে এখনো এ নিয়ে কথা বলছেন না?

'ওর পর্দা করার নিয়্যাত আছে, আমি জানি। তবে আমি এখনই ওকে জোর করতে চাই না।

আপনি জোর করতে চান না?!

আচ্ছা যখন ওকে টীকা দেওয়ার সময় হয়েছিল তখনো কি একই কথা বলেছিলেন? এইভাবে চিন্তা করেছিলেন? নাকি তখন 'জোর' করেছিলেন? বসন্ত, চিকেনপক্স, পোলিও - এগুলো কি জাহান্নামের আগুনের চেয়েও ভয়ংকর? মেয়েকে টীকা দেওয়া আপনার দায়িত্ব, কিন্তু জাহান্নামের আগুন থেকে তাকে বাঁচানো আপনার দায়িত্ব না?

মহান আল্লাহ্ কি বলেন নি,

"হে ঈমানদারগণ,তোমরা নিজেদের ও তোমাদের পরিবার পরিজনকে আগুন থেকে বাঁচাও,যার জ্বালানি হবে মানুষ ও পাথর।"
[সূরা আত-তাহরীম:৬]

দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা কোনো ঘরের দিকে মেয়েকে এগিয়ে যেতে দেখলে আপনি কি তাকে থামাবেন না? নাকি তখনো বলবেন, 'আমি ওকে "জোর" করতে চাই না।"

অথচ জাহান্নামের আগুনের তুলনায় পৃথিবীর আগুন তো কিছুই না। মনে করুন, আপনার আদরের মেয়েটা কোনো অসুখ হয়েছে। আপনি ওর কাছ ছাড়া হলেই অসুখ বেড়ে যাবে। এমন অবস্থায় আপনি কি তাকে চোখের আড়াল করবেন? আপনি কি দু এক বছরের জন্য ওর কাছ থেকে দূরে চলে যাবেন, "যাতে ও নিজে নিজে সুস্থ হতে শেখে"?

তাহলে পর্দার ক্ষেত্রে কেন ও' নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নেয়া 'র জন্য অপেক্ষা করছেন?

নাকি আপনি মনে করেন, আজ যেসব গুনাহ সে কামাচ্ছে আল্লাহর সামনে সেগুলোর হিসেবে দেয়ার চেয়ে দুনিয়ার সামান্য অসুখ বিসুখ বেশি গুরুতর?

আসলে বাস্তবতা কি জানেন?

আল্লাহর হুকুমকে আপনি ছোট করে দেখেছেন, তাই আপনার সন্তানও ছোট করেই দেখবে। আল্লাহর আদেশ ও বিধানের তেমন কোনো গুরুত্ব আপনার কাছে নেই। তাই আপনার মেয়েও গুরুত্ব দিচ্ছে না। মা বাবা যদি ছোটবেলা থেকে সঠিকভাবে লজ্জাবোধ ও শালীনতা এর শিক্ষা নিতে,মেয়েকে আল্লাহর আনুগত্য করা শিখাতো, ইসলামের বুঝের উপর ওকে বড় করতো, তাহলে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর সে নিজে থেকেই পর্দার ব্যাপারে সচেতন হতো। কিন্তু তা করা হয়নি।

তাই না?

নিজের বুকে হাত রেখে বলুন তো কথাটা ঠিক না বেঠিক?

ঠিক আছে,এগুলো তো অনেক আগের কথা। এখন আর এসব বলে লাভ নেই। কিন্তু যখন সে বয়ঃসন্ধিতে পদার্পণ করেছিল তখন কি করেছিলেন? তখন কি ওকে কাছে ডেকে বলেছিলেন,

'মা তুমি তো বড় হয়ে গেছ, মাশাআল্লাহ। আল্লাহর ইচ্ছায় তুমি এখন নারী হতে যাচ্ছ। চলো তোমার জন্য কিছু বোরকা কিনে আনি।আল্লাহ্ তোমাকে পর্দা করতে বলেছেন। এ পর্দা তোমাকে করবে সম্মানিত ও নিরাপদ।'

আল্লাহর অনুগত বান্দার মতো একবার যদি কথাগুলো ওকে বলতেন! সে যদি আপনাকে আল্লাহর আনুগত্য করতে দেখতো,তাঁর মহত্ত্বের ঘোষণা দিতে দেখতো! সে যদি আপনাকে দেখতো আল্লাহর বিধিবিধানগুলো আন্তরিকভাবে আঁকড়ে ধরতে, তাহলে এই মনোভাব তার মাথায় গেঁথে যেত।

কিন্তু আপনি যদি আল্লাহর বিধানের ব্যাপারে লজ্জিত হন,আমতা আমতা করে কথা বলেন যদি আপনার কথায় ঈমানের শক্তি ও নিশ্চিত বিশ্বাসের ছাপ না থাকে,তাহলে ওর অবস্থাও হবে নড়নড়বড়ে। ও ধরে নেবে, এটা হয়তো ঐচ্ছিক কোনো ব্যাপার। যা ইচ্ছে হলে মানা যায়, ইচ্ছে হলে ছাড়া যায়।

আপনি যদি ওকে বলেন, "আমি চাই তুমি নিজ থেকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নাও।আমি তোমার উপর জোর করতে চাই না",তাহলে সেটাই হবে সরাসরি আল্লাহর কালামের সাথে সাংঘর্ষিক।এর মাধ্যমে আপনি আল্লাহর হুকুমকে অবজ্ঞা আর তাচ্ছিল্য করেছেন। আর এই মনোভাব সংক্রমিত হচ্ছে আপনার মেয়ের মনেও।

আল্লাহ্ বলেন,

আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূল কোনো নির্দেশ দিলে কোনো মুমিন পুরুষ ও নারীর জন্য নিজেদের ব্যাপারে অন্য কিছু এখতিয়ার করার অধিকার থাকে না। আর যে আল্লাহ্ ও তার রাসূলকে অমান্য করল সে স্পষ্টই পথভ্রষ্ট হবে।
[সূরা আল আহযাব:৩৬]

আয়নাঘর
ইয়াদ আল কুনাইবী

আমি যখন এই টপিকটা পড়তেছিলাম, চিন্তা করছিলাম লেখক কত ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় দিয়ে আমাদের সামনে পর্দার মহত্ত্বকে প্রেজেনটেশন করছেন। একটু খেয়াল করলে আমরা দেখবো,শিশুরা কিন্তু অনুকরণপ্রিয়, সে তার পিতামাতাকে যা করতে দেখবে তাই করবে। এবং এই সময় তাদেরকে যা শেখানো হয় তা দ্রুত শেখে ফেলে। এখন,ওরা যদি দেখে তাদের পিতামাতা আল্লাহর আনুগত্য করছে না, তার বিধিবিধান মানছে না, বা একবার মানলো তো আরেকবার মানলো না তখন সে আস্তে আস্তে বড় হতে হতে ধরে নিবে সেই বিধিবিধানগুলো মনে হয় ইচ্ছার উপর নির্ভর করে।
পিতামাতা আমাদের জীবনের লক্ষ্য পৌঁছানোর জন্য আমাদেরকে কিন্তু পড়ালেখার উপর জোরেশোরে তাগাদা দেন। যখন পরীক্ষায় রেজাল্ট খারাপ আসে তখন বকা দেয় বা মারেন। কেন? কারণ তারা আমাদেরকে উন্নতির শিখরে আহরোণ করাতে চান, দেখতে চান একটা প্রতিষ্ঠিত লেভেলে। এই লেভেলে যাওয়ার জন্য কত কিছুই তো তারা করছেন।

কিন্তু যেখানে আমাদের চিরস্থায়ী গন্তব্য, যেখানে চূড়ান্ত সাফল্য তার জন্য কি কিছু করছেন?

আর আমাদের মধ্যে যাদেরকে আল্লাহর আনুগত্য শেখানোর পরেও তাঁর অবাধ্যতা করছি, আমরা কি একবারও ভেবে দেখি না আমাদের কবরের জীবনের কথা।

ওহে আমার বোনেরা ,শুধুমাত্র কাফনের কাপড়কেই তোমাদের জীবনের প্রথম হিজাব হতে দিও না।

"আয়নাঘর" বইটির অংশবিশেষ নিয়ে চিন্তাশীল অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন বোন রাইসা রশিদ। আল্লাহ উনার চিন্তায় ও কাজে বারাকাহ দান করুন। আমীন।
.
বই - #আয়নাঘর
মূল - ড. ইয়াদ কুনাইবী
অনুবাদ - ইলমহাউস অনুবাদক টিম
সম্পাদনা - #Asif_Adnan
পৃষ্ঠা সংখ্যা - ২০০
নির্ধারিত মূল্য - ২০০ টাকা

আয়নাঘর পেতে অর্ডার করুন নিচের লিংকগুলোতে -
১। ওয়াফিলাইফ - https://tinyurl.com/ybadov8v
২। আদ দ্বীন শপ - https://tinyurl.com/y8vqs9dd
৩। ইন্সপায়ার শপ - https://tinyurl.com/yatxv8wz
৪। #রকমারি - https://tinyurl.com/y83naecq
৫। আল ফুরক্বান - https://tinyurl.com/y74jge22



ইলমহাউস পাবলিকেশন - https://www.facebook.com/IlmhouseBD/

Playlists

Related Audio Books

আসল রাজা | কখনও ঝরে যেও না । Revive Your Iman
আসল রাজা | কখনও ঝরে যেও না । Revive Your Iman (কখনও ঝরে যেও না)
Revive Your Iman