পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন পর্ব ১২ ইউসুফ আ এর জীবনী

Description

পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন পর্ব ১২ ইউসুফ আ এর জীবনী কারাগার কাউকে ভাঙে,আর কাউকে বা গড়ে। যারা আল্লাহর পথে কারাবন্দী হয় তাদের উদাহরণ হচ্ছে আলোর মতো। আলোকে না পারে কেউ থামিয়ে দিতে, না পারে কেউ নিভিয়ে দিতে। ফাঁকফোকর ভেদ করে একসময় না একসময় সেই আলো উদ্ভাসিত হবেই।

ইউসুফ (‘আলাইহিস সালাম)কে কারাগারে বন্দী করেছিল এমন কিছু লোক, যারা বাহ্যত ক্ষমতাশালী হলেও বস্তুত নিজেদের ক্ষমতার মোহের অদৃশ্য কাঁটাতারে বন্দীই থাকে। ক্ষমতার অন্ধকারাচ্ছন্নতা তাদের এমন ভাবে গ্রাস করে যে, কেউ তাদের সামান্য অবাধ্য হলেই তারা ক্ষেপে ওঠে, জেল-জরিমানার হুমকি দিতে থাকে। শুধু তাই নয়, তারা লজ্জা ও শালীনতার সাধারণবোধটুকু হারিয়ে ফেলে নিজেদেরই অজান্তে, আর তাই ‘আযীযের স্ত্রী ভরা মজলিসে তার বান্ধবীদের সামনে নিজের কুবাসনার কথা প্রকাশ করে দিতে একটুও দ্বিধাবোধ করেনি,


“এই হল সেই ব্যক্তি, যার জন্যে তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করছিলে। আমি ওরই মন জয় করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে নিজেকে বিরত রেখেছে। সে যদি আমার কথামতো কাজ না করে, তবে অবশ্যই সে কারাগারে প্রেরিত হবে এবং লাঞ্ছিত হবে”


তৎকালীন মিশরের অধিকারীরা ছিল এমনই অন্ধ, একচোখা, আত্মমর্যাদাহীন, বিবেকবর্জিত এবং নির্লজ্জ। সাদা চোখে মনে হতে পারে, এদের হাত থেকে আদৌ কি কোনো নিস্তার আছে? কিন্তু না, এই গল্পে আল্লাহ তা‘আলা আমাদের আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, “আল্লাহ সকল বিষয়ে সর্বেসর্বা, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না”।


বন্দীত্বের পর মন্ত্রীত্ব - পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন লেকচার সিরিজের এই পর্বে আমরা দেখবো কীভাবে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর এই ওয়াদাকে বাস্তবায়ন করেছেন, কীভাবে তিনি কারাগার থেকে ইউসুফ আ. কে মুক্ত করেছেন এবং কর্তৃত্বের আসনে আসীন করেছেন।

ভাল লাগলে SUBSCRIBE করুন

Details

351 Views
পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন পর্ব ১২ ইউসুফ আ এর জীবনী কারাগার কাউকে ভাঙে,আর কাউকে বা গড়ে। যারা আল্লাহর পথে কারাবন্দী হয় তাদের উদাহরণ হচ্ছে আলোর মতো। আলোকে না পারে কেউ থামিয়ে দিতে, না পারে কেউ নিভিয়ে দিতে। ফাঁকফোকর ভেদ করে একসময় না একসময় সেই আলো উদ্ভাসিত হবেই।

ইউসুফ (‘আলাইহিস সালাম)কে কারাগারে বন্দী করেছিল এমন কিছু লোক, যারা বাহ্যত ক্ষমতাশালী হলেও বস্তুত নিজেদের ক্ষমতার মোহের অদৃশ্য কাঁটাতারে বন্দীই থাকে। ক্ষমতার অন্ধকারাচ্ছন্নতা তাদের এমন ভাবে গ্রাস করে যে, কেউ তাদের সামান্য অবাধ্য হলেই তারা ক্ষেপে ওঠে, জেল-জরিমানার হুমকি দিতে থাকে। শুধু তাই নয়, তারা লজ্জা ও শালীনতার সাধারণবোধটুকু হারিয়ে ফেলে নিজেদেরই অজান্তে, আর তাই ‘আযীযের স্ত্রী ভরা মজলিসে তার বান্ধবীদের সামনে নিজের কুবাসনার কথা প্রকাশ করে দিতে একটুও দ্বিধাবোধ করেনি,


“এই হল সেই ব্যক্তি, যার জন্যে তোমরা আমাকে ভৎর্সনা করছিলে। আমি ওরই মন জয় করতে চেয়েছিলাম, কিন্তু সে নিজেকে বিরত রেখেছে। সে যদি আমার কথামতো কাজ না করে, তবে অবশ্যই সে কারাগারে প্রেরিত হবে এবং লাঞ্ছিত হবে”


তৎকালীন মিশরের অধিকারীরা ছিল এমনই অন্ধ, একচোখা, আত্মমর্যাদাহীন, বিবেকবর্জিত এবং নির্লজ্জ। সাদা চোখে মনে হতে পারে, এদের হাত থেকে আদৌ কি কোনো নিস্তার আছে? কিন্তু না, এই গল্পে আল্লাহ তা‘আলা আমাদের আগেই জানিয়ে দিয়েছেন, “আল্লাহ সকল বিষয়ে সর্বেসর্বা, কিন্তু অধিকাংশ মানুষ তা জানে না”।


বন্দীত্বের পর মন্ত্রীত্ব - পথিকৃৎদের পদচিহ্ন: নবীদের জীবন লেকচার সিরিজের এই পর্বে আমরা দেখবো কীভাবে আল্লাহ তা‘আলা তাঁর এই ওয়াদাকে বাস্তবায়ন করেছেন, কীভাবে তিনি কারাগার থেকে ইউসুফ আ. কে মুক্ত করেছেন এবং কর্তৃত্বের আসনে আসীন করেছেন।

ভাল লাগলে SUBSCRIBE করুন

Related Audio Books

আসল রাজা | কখনও ঝরে যেও না । Revive Your Iman
আসল রাজা | কখনও ঝরে যেও না । Revive Your Iman (কখনও ঝরে যেও না)
Revive Your Iman