মিম্বার- গ্রুপে আম্মাজান আইশা রাযি: কে নিয়ে এক বোন পোষ্ট করেছেন।
সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন, আইশা রাযি: পুরুষদের কেও শিক্ষা দান করেছেন।
আর কৌশলে এড়িয়ে গিয়েছেন - আইশা রাযি: সাধারণ কোনও নারী নন, তিনি উম্মুল মুমীনিন, ওনার উপর তখন পরিবার সামলানোর দায়িত্ব ছিল না।
ওনি যে সময়ে শিক্ষা দান করেছেন - তখন ফিতনার জমানা ছিল না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হচ্ছে – আইশা রাযি: পর্দার আড়াল থেকে কখনও কখনও হাদিস বর্ণনা করেছেন, কারণ তিনি এরকম অনেক সময়ই নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট ছিলেন যখন অন্য কেউ ছিলেন না, তাই অনেক হাদিস যেগুলো অন্য কেউ শুনেনি তিনি জানতেন।
তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিবি ছিলেন, দাম্পত্য জীবন সম্পর্কে অনেক হাদিস তিনি জানতেন যা কিনা অন্য কেউ জানতেন না।
এইযে অসংখ্য বিষয়, যা একমাত্র আম্মাজান আইশা রাযি: একা জানতেন- এগুলো উম্মাহর সামনে আনার জন্য তিনি নিজের ঘরে অবস্থান করে, পর্দার হুকুম তামিল করে অন্যদের শিক্ষা দিয়েছেন।
ওনার প্রেক্ষাপট আর আজকের দিনের একজন নারীর প্রেক্ষাপট কখনও এক না - অতএব আম্মাজানকে দলিল বানিয়ে নিজের ইচ্ছার বৈধতা দেয়ার কোনও সুযোগ নেই।
[] আম্মাজান আইশা রাযি: কখনও ঢালাও ভাবে পুরুষদের শিক্ষা দিয়েছেন এরকম কোনও বর্ণনা নেই, আজকাল পাশ্চাত্যের দ্বারা প্রভাবিত একদল মর্ডানিষ্ট বা মডারেটরা নিজেদের কাজ গুলোকে বৈধতা দেয়ার জন্য ওনার নামে আংশিক সত্য ও মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে।
মুহাম্মাদ আবিদ আজম
সাত নভেম্বর দুই হাজার বাইশ