Description
#গর্ভধারণের_তাৎপর্য
গর্ভধারণের সময় ব্যক্তির ভবিষ্যৎ বিকাশধারার উপর প্রভাব বিস্তারকারী চারটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়-নির্ধারিত হয়ে যায়। জন্ম-পরবর্তী বিকাশধারার উপর প্রতিটি বিষয় যে যে প্রভাব বিস্তার করে তা লক্ষ্য করলে কেন গর্ভধারণকে জীবনধারার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হবে তা বোঝা যায়।
১. বংশগত গুণাবলী: কোন শিশু তার পূর্বপুরুষের যে যে গুণের উত্তরাধিকারী হবে তা গর্ভধারণের সময় নির্দিষ্ট হয়ে যাওয়া প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। নিচে শিশুর বংশগত গুণাবলী অর্জনে মা-বাবা এবং পূর্ব-পুরুষের অবদান ২.১ নং চিত্রের সাহায্যে দেখানো হল। গর্ভধারণের মাধ্যমে বংশগত গুণাবলী চিরজীবনের জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায় বলে এই মুহূর্তটি এত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জন্মের পরে যদি বংশগত গুণাবলীর পরিবর্তন হত তবে গর্ভধারণের গুরুত্ব অনেকখানি কমে যেত। গর্ভধারণ প্রক্রিয়ায় অর্জিত বংশগত বৈশিষ্ট্য দুভাবে পরবর্তী জীবনের
বিকাশকে প্রভাবিত করে। প্রথমত বংশগতির ধারা শিশুর বিকাশধারার সীমা নির্দিষ্ট করে দেয় এবং সে তার পূর্ব পুরুষের ধারা অতিক্রম করতে পারে না। গর্ভকালীন পরিবেশ ও জন্ম-পরবর্তী পরিবেশ শিশুর বৃদ্ধির অনুকূল হলে এবং পরবর্তীতে ব্যক্তি নিজস্ব বিকাশের উন্নতিসাধনে সচেষ্ট হলে বংশ-পরম্পরায় প্রাপ্ত দৈহিক ও মানসিক গুণাবলীর চরম উৎকর্ষ সাধন করতে পারে। কিন্তু এর বেশি কিছু করতে পারে না। ৭, ৩৭, ৪৭ এ প্রসঙ্গে মন্টেগু (Montagu) বিশেষ জোর দিয়ে বলেছেন যে আমরা যখনই পরিবেশকে নিয়ন্ত্রণ করি তখন বংশগতির কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করি বলা যায়। অন্যভাবে বলা যায় যে আমরা জীবনে যতটুকু উৎকর্ষ সাধন করব সেটি বংশগতি নির্ধারণ করে এবং কতটুকু অর্জন করছি সেটি পরিবেশ নির্ধারণ করে।
#অডিওবুক
#গর্ভধারণ_প্রক্রিয়া
#গর্ভাবস্থা
#বাংলা_অডিওবুক
#বিকাশমনোবিজ্ঞান